
টিনিটাস কী, কেন হয়
তীব্র টিনিটাসের কারণে ঘুম হওয়া বা কাজে মনোযোগ দেওয়া কঠিন হয়ে পড়ে। টিনিটাস কয়েক দিনের মধ্যে ভালো হয়ে যেতে পারে, আবার এটি দীর্ঘস্থায়ী সমস্যা হিসেবেও থেকে যেতে পারে।

মানুষের জীবনে ভুল হবেই। এটি জীবনেরই অংশ। ব্যক্তিগত জীবন থেকে করপোরেট জীবন বা ব্যবসা—সবখানেই আমরা ভুল করি হরহামেশা। ভুল মানেই ব্যর্থতা। কিন্তু ভুল হওয়াটাই জীবনের শেষ কথা নয়। বরং ব্যর্থতা ভুলে ফিরে আসাটাই মূল কথা।
এ বিষয়ে হার্ভার্ড বিজনেস স্কুলের অধ্যাপক অ্যামি এডমন্ডসন একটি বই লিখেছেন, নাম ‘রাইট কাইন্ড অব রং’। তাতে অ্যামি বলেছেন, এই দুনিয়ার কর্মক্ষেত্র ও জীবনের যাপন জটিল। সফল হতে হলে ঝুঁকি নিতেই হয়। আর তার কারণে ভুল–ভ্রান্তি বা ব্যর্থতা অতি স্বাভাবিক বিষয়। গুরুত্বপূর্ণ হলো ভুল বা ব্যর্থতা স্বীকার করে নিয়ে সেটিকে ঠিক মতো বিশ্লেষণ করে তা থেকে শিক্ষা নেওয়া এবং পরবর্তী সময়ে সাবধানতা অবলম্বন করা। তাহলেই ভবিষ্যতের ব্যর্থতা এড়ানো যাবে।
আসুন, এবার ভুল বা ব্যর্থতাকে সামলানোর উপায়গুলো একটু জেনে নেওয়া যাক:
১. ব্যর্থতা আসলে ক্রিয়ার প্রতিক্রিয়া মাত্র। এটিই চূড়ান্ত কিছু নয়। আপনি যখনই সফল হচ্ছেন না, তার অর্থ হচ্ছে আপনি শিখছেন, শেখার সুযোগ পাচ্ছেন। তাই ব্যর্থতাকে বিচার করার দৃষ্টিভঙ্গি বদলাতে হবে। একে যদি শেখার সুযোগ হিসেবে দেখেন, তাহলেই আপনার ভুলকে সঠিকভাবে বিশ্লেষণ করতে পারবেন। আর তখনই ভবিষ্যতের ব্যর্থতাকে এড়ানোর সুযোগ তৈরি হবে।
২. নিজের মনযোগকে কাজের ফলাফল থেকে সরিয়ে কর্মপ্রক্রিয়াতে নিবদ্ধ করতে হবে। সফলতা কিন্তু কেবলই সর্বশেষ ইতিবাচক ফল নয়। বরং এই পুরো কর্মভ্রমণটিই হয়ে ওঠে সফলতার প্রতিবিম্ব। অপ্রত্যাশিত নেতিবাচক ফল পেলেও তাই ভেঙে পড়লে চলবে না। শিক্ষাগুলো গ্রহণ করতে হবে। দৃষ্টিভঙ্গির এই পরিবর্তন ব্যর্থ হওয়ার শঙ্কা কমিয়ে আনবে।
৩. কাজে ভুল হলে বা ব্যর্থ হলেই আমরা সাধারণত নিজেদের মনের কাঠগড়ায় দাঁড় করাই। নিজেদের দোষী সাব্যস্ত করতে ব্যস্ত হয়ে যাই। ব্যর্থতাকে সামলাতে প্রথমেই তাই নিজের প্রতি দয়ালু হতে হবে। আপনি দিনশেষে একজন মানুষই। সুতরাং ভুল আপনার হতেই পারে, ব্যর্থতাও আসবে। কিন্তু পরিকল্পনামাফিক সফল হতে না পারলেই নিজের ওপর নিষ্ঠুর হয়ে ওঠা যাবে না। বরং নিজের প্রতি সহানুভূতিশীল হতে হবে। পাশাপাশি অন্যের প্রতিও সহমর্মী হতে হবে।
৪. ব্যর্থতা মানে আসলে কি? হ্যাঁ, আপনি যেভাবে কাজটি করতে চেয়েছিলেন, সেভাবে হয়নি। আবার একইসঙ্গে আপনার যেভাবে কাজটি করা উচিত ছিল, আপনি সেভাবে করেননি। এই বিষয়টিও সত্যি। অর্থাৎ, একটি ভুল আপনাকে দেখিয়ে দেয় যে, আপনার কী করা উচিত ছিল। সুতরাং এটি অবশ্যই একটি সুযোগও বটে।
৫. ব্যর্থতা বা ভুলকে লজ্জার বিষয় হিসেবে বিচার করার অভ্যাস ত্যাগ করতে হবে। এটি একটি গঠনমূলক আলোচনার বিষয়বস্তুও হতে পারে। ব্যর্থতার গল্পগুলো নিয়ে বিশ্লেষণ করে, আলোচনা করে শিক্ষামূলক বিষয়গুলো আত্মস্থ করে নিতে পারি। এতে করে ব্যর্থতা বা ভুলগুলো আমাদের কোণঠাসা ও বিপর্যস্ত করতে পারবে না।
৬. ব্যর্থতাকে মোকাবিলা করার পদ্ধতি বের করে নিতে হবে। ব্যক্তিবিশেষে এসব পদ্ধতি ভিন্ন ভিন্ন হতেই পারে। আসল কথা হলো ব্যর্থতার সঙ্গে নিজেকে খাপ খাইয়ে নেওয়া। গুটিয়ে না গিয়ে বরং লড়াই করা। মনে রাখতে হবে, ব্যর্থতা বা ভুল যেন আপনার মানসিক সুস্থতাকে নষ্ট করতে না পারে।
মানবপ্রকৃতিই এমন যে, ভুল তার হবেই। বরং ভুল স্বীকার করে নিয়ে ব্যর্থতাকেই সফলতার চাবিকাঠি হিসেবে ব্যবহার করার অভ্যাস গড়ে তোলা যায়। এর মাধ্যমে ব্যর্থতার কারণে নিজের থমকে যাওয়াকে থামানো যাবে।
তথ্যসূত্র: দ্য ইকোনমিস্ট, হার্ভার্ড বিজনেস রিভিউ, ফোর্বস ও দ্য গার্ডিয়ান

তীব্র টিনিটাসের কারণে ঘুম হওয়া বা কাজে মনোযোগ দেওয়া কঠিন হয়ে পড়ে। টিনিটাস কয়েক দিনের মধ্যে ভালো হয়ে যেতে পারে, আবার এটি দীর্ঘস্থায়ী সমস্যা হিসেবেও থেকে যেতে পারে।

বালিশের মূল কাজ হলো মেরুদণ্ডকে স্বাভাবিক বা সোজা অবস্থায় রাখা। এটি ঘাড়কে শরীরের বাকি অংশের সাথে একই লাইনে রাখে, যা সঠিক শারীরিক ভঙ্গিমা বজায় রাখতে সাহায্য করে।

অটোনমিক নিউরোপ্যাথির পেছনে রয়েছে নানা ধরনের স্বাস্থ্যগত জটিলতা ও রোগের ইতিহাস।

একবেলা খাবার খাওয়ার অন্যান্য উপকারিতার মধ্যে রয়েছে—হৃদরোগের ঝুঁকি কমানো, রক্তের শর্করার মাত্রা হ্রাস করা এবং শরীরের ইনফ্ল্যামেশন কমানোর সম্ভাবনা।