চরচা ডেস্ক

আজকের ডিজিটাল যুগে অনলাইন কেনাকাটা আমাদের জীবনকে অনেক সহজ করেছে। ঘরে বসেই প্রয়োজনীয় সবকিছু কিনে ফেলা যায় কয়েকটি ক্লিকেই। তবে এই সুবিধার পাশাপাশি বেড়েছে প্রতারণা ও সাইবার ঝুঁকির আশঙ্কা। অসতর্ক হলে আর্থিক ক্ষতি থেকে শুরু করে ব্যক্তিগত তথ্য ফাঁস হওয়ার ঝুঁকিও তৈরি হতে পারে। তাই নিরাপদে অনলাইনে কেনাকাটা করতে জানা জরুরি কিছু করণীয়।
চলুন জেনে নিই, অনলাইন কেনাকাটায় প্রতারণা থেকে নিরাপদ থাকতে চাইলে কোন কোন সতর্কতা জরুরি।
১. ভুয়া ওয়েবসাইটের মাধ্যমে প্রতারকরা নানা ধরনের হয়রানি করে। তাই শুরুতেই বুঝে নিন যে ওয়েবসাইট থেকে কেনাকাটা করছেন সেটা ভুয়া কি না। কোনো অফার দেখে যদি সেটি কাল্পনিক কিংবা অতিরঞ্জিত বা অতি লোভনীয় মনে হয়, তাহলে সেটি ভুয়া হওয়ার সম্ভাবনা বেশি। প্রয়োজনীয় বিভিন্ন পণ্যে বিশাল মূল্যছাড়ের বিজ্ঞাপন দেখে কেনাকাটা করার আগে ওয়েবসাইটটি বৈধ কি না, তা নিশ্চিত হতে হবে।
২. কোনো নির্দিষ্ট পণ্য কেনার আগে সেটি অন্যান্য অনলাইন শপ বা সাইটে কেমন দামে বিক্রি হচ্ছে সেটা নিয়ে খোঁজখবর নিন।
৩. অনলাইনে জিনিসপত্র কেনার সময় প্রতারণা থেকে নিরাপদে থাকতে দাম পরিশোধের বিষয়টিও মাথায় রাখতে হবে। কার্ডের মাধ্যমে বা অনলাইন মারফত টাকা স্থানান্তরের সময়ে প্রতারণার আশঙ্কা থাকে। তাই নিরাপদ থাকতে ‘ক্যাশ অন ডেলিভারি’ অপশনটি বেছে নিলে ভালো করবেন।
৪. পরিচিত কেউ কিনেছে এমন অনলাইন শপ থেকে কেনাকাটা করার চেষ্টা করুন। এতে ঠকে যাওয়ার ঝুঁকি কম।
৫. অনলাইনে নিরাপদ থাকতে পাসওয়ার্ডের পাশাপাশি টু ফ্যাক্টর অথেনটিকেশন ব্যবহার করুন। এতে বাড়তি সুরক্ষা যোগ হবে এবং অনলাইন অ্যাকাউন্ট সুরক্ষিত থাকবে।
৬. কোনো ওয়েবসাইট থেকে বা পেজ থেকে ফোন করে ওটিপি চাইলে ভুলেও দেবেন না। সাধারণত কোনো ই-কমার্স ওয়েবসাইট বা ব্যাংক থেকে কখনো ফোন করে ওটিপি চাওয়া হয় না।
তথ্যসূত্র: মিড-ডে, ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস

আজকের ডিজিটাল যুগে অনলাইন কেনাকাটা আমাদের জীবনকে অনেক সহজ করেছে। ঘরে বসেই প্রয়োজনীয় সবকিছু কিনে ফেলা যায় কয়েকটি ক্লিকেই। তবে এই সুবিধার পাশাপাশি বেড়েছে প্রতারণা ও সাইবার ঝুঁকির আশঙ্কা। অসতর্ক হলে আর্থিক ক্ষতি থেকে শুরু করে ব্যক্তিগত তথ্য ফাঁস হওয়ার ঝুঁকিও তৈরি হতে পারে। তাই নিরাপদে অনলাইনে কেনাকাটা করতে জানা জরুরি কিছু করণীয়।
চলুন জেনে নিই, অনলাইন কেনাকাটায় প্রতারণা থেকে নিরাপদ থাকতে চাইলে কোন কোন সতর্কতা জরুরি।
১. ভুয়া ওয়েবসাইটের মাধ্যমে প্রতারকরা নানা ধরনের হয়রানি করে। তাই শুরুতেই বুঝে নিন যে ওয়েবসাইট থেকে কেনাকাটা করছেন সেটা ভুয়া কি না। কোনো অফার দেখে যদি সেটি কাল্পনিক কিংবা অতিরঞ্জিত বা অতি লোভনীয় মনে হয়, তাহলে সেটি ভুয়া হওয়ার সম্ভাবনা বেশি। প্রয়োজনীয় বিভিন্ন পণ্যে বিশাল মূল্যছাড়ের বিজ্ঞাপন দেখে কেনাকাটা করার আগে ওয়েবসাইটটি বৈধ কি না, তা নিশ্চিত হতে হবে।
২. কোনো নির্দিষ্ট পণ্য কেনার আগে সেটি অন্যান্য অনলাইন শপ বা সাইটে কেমন দামে বিক্রি হচ্ছে সেটা নিয়ে খোঁজখবর নিন।
৩. অনলাইনে জিনিসপত্র কেনার সময় প্রতারণা থেকে নিরাপদে থাকতে দাম পরিশোধের বিষয়টিও মাথায় রাখতে হবে। কার্ডের মাধ্যমে বা অনলাইন মারফত টাকা স্থানান্তরের সময়ে প্রতারণার আশঙ্কা থাকে। তাই নিরাপদ থাকতে ‘ক্যাশ অন ডেলিভারি’ অপশনটি বেছে নিলে ভালো করবেন।
৪. পরিচিত কেউ কিনেছে এমন অনলাইন শপ থেকে কেনাকাটা করার চেষ্টা করুন। এতে ঠকে যাওয়ার ঝুঁকি কম।
৫. অনলাইনে নিরাপদ থাকতে পাসওয়ার্ডের পাশাপাশি টু ফ্যাক্টর অথেনটিকেশন ব্যবহার করুন। এতে বাড়তি সুরক্ষা যোগ হবে এবং অনলাইন অ্যাকাউন্ট সুরক্ষিত থাকবে।
৬. কোনো ওয়েবসাইট থেকে বা পেজ থেকে ফোন করে ওটিপি চাইলে ভুলেও দেবেন না। সাধারণত কোনো ই-কমার্স ওয়েবসাইট বা ব্যাংক থেকে কখনো ফোন করে ওটিপি চাওয়া হয় না।
তথ্যসূত্র: মিড-ডে, ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস

কিছু ম্যানেজার প্রতিভাবান কর্মীদের বড়ো পদে আবেদন করতে উৎসাহিত করার পরিবর্তে তাদের আটকে রাখার চেষ্টা করেন। মিউনিখের লুডভিগ-ম্যাক্সিমিলিয়ান্স বিশ্ববিদ্যালয়ের ইনগ্রিড হেগেল সাম্প্রতিক একটি গবেষণায় একটি বৃহৎ উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানের জার্মান ইউনিটে নিয়োজিত পদস্থ ব্যক্তিদের আচরণ বিশ্লেষণ করেছেন।