চরচা ডেস্ক

সকালের নাস্তা কিংবা রাতের খাবার-উভয় ক্ষেত্রেই এখন ওটস বেশ জনপ্রিয়। তবে জানলে অবাক হবেন, মাত্র এক মাস নিয়মিত ওটস খেলে শরীরে আসে নানা ইতিবাচক পরিবর্তন।
ভারতের সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি জানিয়েছে, ওটসকে পৃথিবীর অন্যতম স্বাস্থ্যকর খাদ্য হিসেবে ধরা হয়। এটি দিনের যেকোনো সময় খাওয়া যায় এবং ডাক্তাররাও নিয়মিত ওটস খাওয়ার পরামর্শ দেন।
সবচেয়ে কম প্রক্রিয়াজাত রূপ হলো ওট গ্রোটস। যা রান্না হতে সময় নেয় বেশি, এজন্য অনেকেই সুবিধার জন্য রোলড, ক্রাশড বা স্টিল কাট ওটস বেছে নেন। ইনস্ট্যান্ট ওটস দ্রুত রান্না হয়, যা ব্যস্ত জীবনে সহজে খাওয়া যায়।
এক মাস ধরে প্রতিদিন ওটস খেলে শরীরে যে সাতটি বড় পরিবর্তন আসে-
পুষ্টিগুণে ভরপুর
ওটসে রয়েছে কার্বোহাইড্রেট, ফাইবার ও প্রোটিনসহ প্রয়োজনীয় ভিটামিন, খনিজ ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট। এটি দীর্ঘস্থায়ী শক্তি দেয় এবং শরীরের কোষ মেরামতে সহায়তা করে।
হেলথলাইন অনুসারে, আধা কাপ (৪০.৫ গ্রাম) শুকনো ওটসে থাকে ২৭.৪ গ্রাম কার্বোহাইড্রেট, ৫.৩ গ্রাম প্রোটিন, ২.৬ গ্রাম ফ্যাট, ৪ গ্রাম ফাইবার এবং ১৫৩.৫ ক্যালোরি।
ওজন নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করে
ওটসে থাকা ফাইবারের কারণে দীর্ঘ সময় পেট ভরা থাকে। ফলে অতিরিক্ত খাবার খাওয়ার প্রবণতা কমে যায়। সকালে এক বাটি ওটস খেলে সারাদিন ক্ষুধা নিয়ন্ত্রণে থাকে, যা ওজন কমাতে সহায়ক।
কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে
ওটসে আছে দ্রবণীয় ও অদ্রবণীয় ফাইবার, যা হজম প্রক্রিয়া উন্নত করে এবং মল নরম রাখে। নিয়মিত ওটস খেলে অন্ত্রের ব্যাকটেরিয়ার ভারসাম্য বজায় থাকে ও পেটে ফাঁপা ভাব কমে।
রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখে
ওটসে থাকা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ও পলিফেনল শরীরের অক্সিডেটিভ স্ট্রেস কমায়। এতে রক্তপ্রবাহ স্বাভাবিক থাকে এবং হৃদযন্ত্রের উপর চাপ কমে। নিয়মিত ওটস খেলে রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে আসে এবং হৃদরোগের ঝুঁকি হ্রাস পায়।
রক্তে শর্করার মাত্রা স্থিতিশীল রাখে
ওটসে থাকা বিটা-গ্লুকান রক্তে শর্করার শোষণ ধীর করে, ফলে ইনসুলিনের মাত্রা স্থিতিশীল থাকে। পাশাপাশি এটি ক্ষতিকারক এলডিএল কোলেস্টেরল কমিয়ে হৃদস্বাস্থ্যের উন্নতি ঘটায়।
ত্বককে রক্ষা করে
ওটস ত্বকের পি-এইচ ভারসাম্য বজায় রাখে, শুষ্কতা ও চুলকানি দূর করে।
আমেরিকান অ্যাকাডেমি অফ ডার্মাটোলজি জানায়, ওটমিল ত্বকের উপর একটি প্রাকৃতিক প্রতিরক্ষামূলক স্তর তৈরি করে যা ত্বককে আর্দ্র ও কোমল রাখে।
সচেতন খাদ্যাভ্যাস গড়ে তোলে
সকালের শুরুটা এক বাটি ওটস দিয়ে করলে সারাদিন ক্ষুধা নিয়ন্ত্রণে থাকে। এটি অতিরিক্ত স্ন্যাকস খাওয়ার প্রবণতা কমায় এবং সচেতন খাদ্যাভ্যাস গঠনে সহায়তা করে।
ওটস শুধু একটি খাবার নয়, এটি হতে পারে স্বাস্থ্যকর জীবনের প্রতিদিনের সঙ্গী। ওজন কমানো থেকে ত্বকের যত্ন-এক বাটি ওটসই দিতে পারে সবকিছুর সমাধান।

সকালের নাস্তা কিংবা রাতের খাবার-উভয় ক্ষেত্রেই এখন ওটস বেশ জনপ্রিয়। তবে জানলে অবাক হবেন, মাত্র এক মাস নিয়মিত ওটস খেলে শরীরে আসে নানা ইতিবাচক পরিবর্তন।
ভারতের সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি জানিয়েছে, ওটসকে পৃথিবীর অন্যতম স্বাস্থ্যকর খাদ্য হিসেবে ধরা হয়। এটি দিনের যেকোনো সময় খাওয়া যায় এবং ডাক্তাররাও নিয়মিত ওটস খাওয়ার পরামর্শ দেন।
সবচেয়ে কম প্রক্রিয়াজাত রূপ হলো ওট গ্রোটস। যা রান্না হতে সময় নেয় বেশি, এজন্য অনেকেই সুবিধার জন্য রোলড, ক্রাশড বা স্টিল কাট ওটস বেছে নেন। ইনস্ট্যান্ট ওটস দ্রুত রান্না হয়, যা ব্যস্ত জীবনে সহজে খাওয়া যায়।
এক মাস ধরে প্রতিদিন ওটস খেলে শরীরে যে সাতটি বড় পরিবর্তন আসে-
পুষ্টিগুণে ভরপুর
ওটসে রয়েছে কার্বোহাইড্রেট, ফাইবার ও প্রোটিনসহ প্রয়োজনীয় ভিটামিন, খনিজ ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট। এটি দীর্ঘস্থায়ী শক্তি দেয় এবং শরীরের কোষ মেরামতে সহায়তা করে।
হেলথলাইন অনুসারে, আধা কাপ (৪০.৫ গ্রাম) শুকনো ওটসে থাকে ২৭.৪ গ্রাম কার্বোহাইড্রেট, ৫.৩ গ্রাম প্রোটিন, ২.৬ গ্রাম ফ্যাট, ৪ গ্রাম ফাইবার এবং ১৫৩.৫ ক্যালোরি।
ওজন নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করে
ওটসে থাকা ফাইবারের কারণে দীর্ঘ সময় পেট ভরা থাকে। ফলে অতিরিক্ত খাবার খাওয়ার প্রবণতা কমে যায়। সকালে এক বাটি ওটস খেলে সারাদিন ক্ষুধা নিয়ন্ত্রণে থাকে, যা ওজন কমাতে সহায়ক।
কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে
ওটসে আছে দ্রবণীয় ও অদ্রবণীয় ফাইবার, যা হজম প্রক্রিয়া উন্নত করে এবং মল নরম রাখে। নিয়মিত ওটস খেলে অন্ত্রের ব্যাকটেরিয়ার ভারসাম্য বজায় থাকে ও পেটে ফাঁপা ভাব কমে।
রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখে
ওটসে থাকা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ও পলিফেনল শরীরের অক্সিডেটিভ স্ট্রেস কমায়। এতে রক্তপ্রবাহ স্বাভাবিক থাকে এবং হৃদযন্ত্রের উপর চাপ কমে। নিয়মিত ওটস খেলে রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে আসে এবং হৃদরোগের ঝুঁকি হ্রাস পায়।
রক্তে শর্করার মাত্রা স্থিতিশীল রাখে
ওটসে থাকা বিটা-গ্লুকান রক্তে শর্করার শোষণ ধীর করে, ফলে ইনসুলিনের মাত্রা স্থিতিশীল থাকে। পাশাপাশি এটি ক্ষতিকারক এলডিএল কোলেস্টেরল কমিয়ে হৃদস্বাস্থ্যের উন্নতি ঘটায়।
ত্বককে রক্ষা করে
ওটস ত্বকের পি-এইচ ভারসাম্য বজায় রাখে, শুষ্কতা ও চুলকানি দূর করে।
আমেরিকান অ্যাকাডেমি অফ ডার্মাটোলজি জানায়, ওটমিল ত্বকের উপর একটি প্রাকৃতিক প্রতিরক্ষামূলক স্তর তৈরি করে যা ত্বককে আর্দ্র ও কোমল রাখে।
সচেতন খাদ্যাভ্যাস গড়ে তোলে
সকালের শুরুটা এক বাটি ওটস দিয়ে করলে সারাদিন ক্ষুধা নিয়ন্ত্রণে থাকে। এটি অতিরিক্ত স্ন্যাকস খাওয়ার প্রবণতা কমায় এবং সচেতন খাদ্যাভ্যাস গঠনে সহায়তা করে।
ওটস শুধু একটি খাবার নয়, এটি হতে পারে স্বাস্থ্যকর জীবনের প্রতিদিনের সঙ্গী। ওজন কমানো থেকে ত্বকের যত্ন-এক বাটি ওটসই দিতে পারে সবকিছুর সমাধান।