চরচা ডেস্ক

আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে নিজের নোবেল শান্তি পুরস্কারের পদক উপহার দিয়েছেন ভেনেজুয়েলার বিরোধী নেতা মারিয়া কোরিনা মাচাদো। বিনিময়ে তিনি পেয়েছেন ট্রাম্পের নিজস্ব ব্রান্ডের এক ব্যাগ উপহার। যদিও তিনি ভেনেজুয়েলার দায়িত্ব পেতে ট্রাম্পের সমর্থন চান বলে মত আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকদের।
আমেরিকান সংবাদমমাধ্যম সিএনএনের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, হোয়াইট হাউসে প্রথমবারের মতো ট্রাম্পের সঙ্গে সাক্ষাতে তাকে নিজের নোবেল শান্তি পুরষ্কারের পদক উপহার দেন মাচাদো। বিনিময়ে তিনিও এমন মূল্যবান কিছুই আশা করেছিলেন।
সিএনএন বলছে, মাচাদো যদি ভেবে থাকেন যে, নোবেল পদক উপহার দিলে সেটি তার প্রতি ট্রাম্পের সমর্থনকে প্রভাবিত করতে পারে। সেক্ষেত্রে তাকে আরও অপেক্ষায় থাকতে হতে পারে। কারণ হোয়াইট হাউসে তিনি ট্রাম্পের থেকে একটি উপহারের ব্যাগ পেলেও সেখানে রাজনৈতিক ভবিষ্যতের কোনো ইঙ্গিত ছিল না।
হোয়াইট হাউস থেকে বেরিয়ে মাচাদো বাইরে ফটকের কাছে জড়ো হওয়া সমর্থকদের সঙ্গে কথা বলেন। অ্যাসোসিয়েটেড প্রেসের বরাতে জানা যায়, তিনি স্প্যানিশ ভাষায় তাদের বলেন, “আমরা প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের ওপর ভরসা করতে পারি।”
পরে ইংরেজিতে সাংবাদিকদের তিনি বলেন, “আমি যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টের হাতে নোবেল শান্তি পুরস্কারের পদক তুলে দিয়েছি।”
ট্রাম্প এই পদক পাওয়ার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন। এক পোস্টে তিনি জানান, ‘এই পুরস্কার পারস্পরিক শ্রদ্ধার চমৎকার নিদর্শন।’
ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে তুলে নেওয়ার পর দেশটির বিরোধী দলের নেতা মাচাদো যুক্তরাষ্ট্রের সমর্থন পাবে বলে অনেকেই ধারণা করেছিলেন। কারণ, দেশটিতে ২০২৪ সালের বিতর্কিত নির্বাচনে জয় দাবি করেছিলেন মাচাদো।
তবে মাদুরোকে তুলে নেওয়ার পর মাচাদোকে সমর্থন দিতে অস্বীকৃতি জানান ট্রাম্প। এর পরিবর্তে তিনি সেখানে ভারপ্রাপ্ত প্রেসিডেন্ট ডেলসি রদ্রিগেজের সঙ্গে কাজ শুরু করেন।

আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে নিজের নোবেল শান্তি পুরস্কারের পদক উপহার দিয়েছেন ভেনেজুয়েলার বিরোধী নেতা মারিয়া কোরিনা মাচাদো। বিনিময়ে তিনি পেয়েছেন ট্রাম্পের নিজস্ব ব্রান্ডের এক ব্যাগ উপহার। যদিও তিনি ভেনেজুয়েলার দায়িত্ব পেতে ট্রাম্পের সমর্থন চান বলে মত আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকদের।
আমেরিকান সংবাদমমাধ্যম সিএনএনের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, হোয়াইট হাউসে প্রথমবারের মতো ট্রাম্পের সঙ্গে সাক্ষাতে তাকে নিজের নোবেল শান্তি পুরষ্কারের পদক উপহার দেন মাচাদো। বিনিময়ে তিনিও এমন মূল্যবান কিছুই আশা করেছিলেন।
সিএনএন বলছে, মাচাদো যদি ভেবে থাকেন যে, নোবেল পদক উপহার দিলে সেটি তার প্রতি ট্রাম্পের সমর্থনকে প্রভাবিত করতে পারে। সেক্ষেত্রে তাকে আরও অপেক্ষায় থাকতে হতে পারে। কারণ হোয়াইট হাউসে তিনি ট্রাম্পের থেকে একটি উপহারের ব্যাগ পেলেও সেখানে রাজনৈতিক ভবিষ্যতের কোনো ইঙ্গিত ছিল না।
হোয়াইট হাউস থেকে বেরিয়ে মাচাদো বাইরে ফটকের কাছে জড়ো হওয়া সমর্থকদের সঙ্গে কথা বলেন। অ্যাসোসিয়েটেড প্রেসের বরাতে জানা যায়, তিনি স্প্যানিশ ভাষায় তাদের বলেন, “আমরা প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের ওপর ভরসা করতে পারি।”
পরে ইংরেজিতে সাংবাদিকদের তিনি বলেন, “আমি যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টের হাতে নোবেল শান্তি পুরস্কারের পদক তুলে দিয়েছি।”
ট্রাম্প এই পদক পাওয়ার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন। এক পোস্টে তিনি জানান, ‘এই পুরস্কার পারস্পরিক শ্রদ্ধার চমৎকার নিদর্শন।’
ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে তুলে নেওয়ার পর দেশটির বিরোধী দলের নেতা মাচাদো যুক্তরাষ্ট্রের সমর্থন পাবে বলে অনেকেই ধারণা করেছিলেন। কারণ, দেশটিতে ২০২৪ সালের বিতর্কিত নির্বাচনে জয় দাবি করেছিলেন মাচাদো।
তবে মাদুরোকে তুলে নেওয়ার পর মাচাদোকে সমর্থন দিতে অস্বীকৃতি জানান ট্রাম্প। এর পরিবর্তে তিনি সেখানে ভারপ্রাপ্ত প্রেসিডেন্ট ডেলসি রদ্রিগেজের সঙ্গে কাজ শুরু করেন।

রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের যুগ্মসচিব আবুল হায়াত মো. রফিক স্বাক্ষরিত প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, জনাব ওমর বিন হাদিকে অন্য যেকোনো পেশা, ব্যবসা কিংবা সরকারি, আধা-সরকারি বা বেসরকারি প্রতিষ্ঠান/সংগঠনের সঙ্গে কর্ম-সম্পর্ক পরিত্যাগের শর্তে এই নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।