সিলেট প্রতিনিধি

রাত ১০টার দিকে ভাইদের সঙ্গে কথা বলবেন বলে জানিয়েছিলেন সালেহ আহমদ। ভাইদের সঙ্গে সে কথা কখনো আর বলা হবে না মৌলভীবাজারের বড়লেখার সালেহ আহমদের। ইরানের বোমা হামলায় দুবাইয়ে নিহত হয়েছেন সালেহ।
বড়লেখার গাজিটেকা (বাঁশতলা) গ্রামের স্থায়ী বাসিন্দা সালেহ আহমদ ৩৫ বছর ধরে সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাইয়ে থাকেন। দেশে এই নামে পরিচিত তবে প্রবাসে তার নাম আহমদ আলী। গত বছর শেষবার দেশে এসেছিলেন তিনি। চার মাস আগে আবার দুবাইয়ে ফিরে যান। বাড়ির স্বজনদের আহাজারি থামছেই না।
গত শনিবার রাত ১০টার দিকে পরিবারের সদস্যরা তার মৃত্যুর খবর পান। তবে তখনো পরিবারের সদস্যরা বিশ্বাস করতে পারছিল না। পরে কফিলের (নিয়োগদাতা) মাধ্যমে তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত হন।
হামলার পর দুবাইয়ের সেনাবাহিনী তাকে হাসপাতালে নেয়। সেখানে তার মরদেহ রাখা আছে। ঘটনার আগে তিনি ভাইদের কাছে একটি ভয়েস মেসেজ পাঠিয়েছিলেন। বলেছিলেন, রাত ১০টার দিকে তাদের সঙ্গে কথা বলবেন। কিন্তু তার আগেই বোমা হামলায় তিনি মারা যান।
সালেহ আহমদের পরিবার জানিয়েছে, গত শনিবার ইফতারের পর কোনো এক সময় ইরানের ছোড়া ক্ষেপণাস্ত্র তার গাড়িতে আঘাত করে। দুবাইয়ের আজমান শহরে পানির ট্যাংকার চালাতেন তিনি। হামলার সময় তিনি প্রতিদিনের মতো পানি সরবরাহের জন্য গাড়ি নিয়ে বের হয়েছিলেন। ওই শহরে তার ছোট দুই ভাই জাকির হোসেন ও বোরহান আহমদও থাকেন। তারাই সালেহ আহমদের মৃত্যুর খবর পরিবারকে জানিয়েছেন।
সালেহর ছোট ভাই জাকির হোসেনের স্ত্রী শেলি বেগম গতকাল রোববার জানান, গত বছর তার ভাশুর দেশে এসেছিলেন। প্রায় চার মাস আগে দুবাই ফিরে যান। গত ২৭ ফেব্রুয়ারি সবশেষ দেশে তিনি স্ত্রীর সঙ্গে ফোনে কথা বলেন। পরের দিন শনিবার রাতে মৃত্যুসংবাদ পান।
শেলি বেগম জানান, গত শনিবার রাত ১০টার দিকে প্রথম তারা খবর পান, সালেহ আহমদ বোমা হামলায় মারা গেছেন। কিন্তু পুরোপুরি নিশ্চিত হতে পারছিলেন না। আজমান শহরে থাকা সালেহর দুই ভাই সেখানকার হাসপাতালে যান। তবে তারা ভাইকে দেখার সুযোগ পাননি।
সালেহ আহমদের স্ত্রী, তিন ছেলে ও এক মেয়ে আছেন। তারা সবাই বাংলাদেশে থাকেন।
দুই ভাই পরিবারের সদস্যদের জানান, গাড়িতে বোমা হামলার পরপরই দুবাইয়ের সেনাবাহিনীর সদস্যরা সালেহকে হাসপাতালে নিয়ে যান। তারা কফিলের মাধ্যমে সালেহ আহমদের মৃত্যুর বিষয় সম্পর্কে নিশ্চিত হন। তার লাশ হাসপাতালে রাখা আছে।
বড়লেখা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনিরুজ্জামান খান বলেন, “পুলিশ সালেহ আহমদের বাড়িতে গিয়েছি। পরিবারের সূত্রে মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত হয়েছি।”

রাত ১০টার দিকে ভাইদের সঙ্গে কথা বলবেন বলে জানিয়েছিলেন সালেহ আহমদ। ভাইদের সঙ্গে সে কথা কখনো আর বলা হবে না মৌলভীবাজারের বড়লেখার সালেহ আহমদের। ইরানের বোমা হামলায় দুবাইয়ে নিহত হয়েছেন সালেহ।
বড়লেখার গাজিটেকা (বাঁশতলা) গ্রামের স্থায়ী বাসিন্দা সালেহ আহমদ ৩৫ বছর ধরে সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাইয়ে থাকেন। দেশে এই নামে পরিচিত তবে প্রবাসে তার নাম আহমদ আলী। গত বছর শেষবার দেশে এসেছিলেন তিনি। চার মাস আগে আবার দুবাইয়ে ফিরে যান। বাড়ির স্বজনদের আহাজারি থামছেই না।
গত শনিবার রাত ১০টার দিকে পরিবারের সদস্যরা তার মৃত্যুর খবর পান। তবে তখনো পরিবারের সদস্যরা বিশ্বাস করতে পারছিল না। পরে কফিলের (নিয়োগদাতা) মাধ্যমে তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত হন।
হামলার পর দুবাইয়ের সেনাবাহিনী তাকে হাসপাতালে নেয়। সেখানে তার মরদেহ রাখা আছে। ঘটনার আগে তিনি ভাইদের কাছে একটি ভয়েস মেসেজ পাঠিয়েছিলেন। বলেছিলেন, রাত ১০টার দিকে তাদের সঙ্গে কথা বলবেন। কিন্তু তার আগেই বোমা হামলায় তিনি মারা যান।
সালেহ আহমদের পরিবার জানিয়েছে, গত শনিবার ইফতারের পর কোনো এক সময় ইরানের ছোড়া ক্ষেপণাস্ত্র তার গাড়িতে আঘাত করে। দুবাইয়ের আজমান শহরে পানির ট্যাংকার চালাতেন তিনি। হামলার সময় তিনি প্রতিদিনের মতো পানি সরবরাহের জন্য গাড়ি নিয়ে বের হয়েছিলেন। ওই শহরে তার ছোট দুই ভাই জাকির হোসেন ও বোরহান আহমদও থাকেন। তারাই সালেহ আহমদের মৃত্যুর খবর পরিবারকে জানিয়েছেন।
সালেহর ছোট ভাই জাকির হোসেনের স্ত্রী শেলি বেগম গতকাল রোববার জানান, গত বছর তার ভাশুর দেশে এসেছিলেন। প্রায় চার মাস আগে দুবাই ফিরে যান। গত ২৭ ফেব্রুয়ারি সবশেষ দেশে তিনি স্ত্রীর সঙ্গে ফোনে কথা বলেন। পরের দিন শনিবার রাতে মৃত্যুসংবাদ পান।
শেলি বেগম জানান, গত শনিবার রাত ১০টার দিকে প্রথম তারা খবর পান, সালেহ আহমদ বোমা হামলায় মারা গেছেন। কিন্তু পুরোপুরি নিশ্চিত হতে পারছিলেন না। আজমান শহরে থাকা সালেহর দুই ভাই সেখানকার হাসপাতালে যান। তবে তারা ভাইকে দেখার সুযোগ পাননি।
সালেহ আহমদের স্ত্রী, তিন ছেলে ও এক মেয়ে আছেন। তারা সবাই বাংলাদেশে থাকেন।
দুই ভাই পরিবারের সদস্যদের জানান, গাড়িতে বোমা হামলার পরপরই দুবাইয়ের সেনাবাহিনীর সদস্যরা সালেহকে হাসপাতালে নিয়ে যান। তারা কফিলের মাধ্যমে সালেহ আহমদের মৃত্যুর বিষয় সম্পর্কে নিশ্চিত হন। তার লাশ হাসপাতালে রাখা আছে।
বড়লেখা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনিরুজ্জামান খান বলেন, “পুলিশ সালেহ আহমদের বাড়িতে গিয়েছি। পরিবারের সূত্রে মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত হয়েছি।”