চরচা প্রতিবেদক

পুলিশ বাহিনীর যানবাহনে জ্বালানি ব্যবহার ৩০ শতাংশ কমাতে পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) নির্দেশ দিলেও জেলা পুলিশ সুপাররা (এসপি) বলছেন, এতে টহল ও তদন্ত কার্যক্রম ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। নাগরিক সেবায় মাঠ পর্যায় পুলিশের সদস্যদের কাজে ব্যাঘাত ঘটবে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক জেলার এসপি চরচাকে জানান, সম্প্রতি অর্থ মন্ত্রণালয় ও মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ সরকারি ব্যয় সংকোচনের লক্ষ্যে বিভিন্ন নির্দেশনা জারি করেছে। এর পরিপ্রেক্ষিতে আজ বৃহস্পতিবার আইজিপি মো. আলী হোসেন ফকির ভার্চুয়ালি দেশের সব জেলার এসপিদের সঙ্গে বৈঠক করেন। বৈঠকে বৈশ্বিক জ্বালানি পরিস্থিতি বিবেচনায় পুলিশের যানবাহনের মাসিক জ্বালানি ব্যবহার ৩০ শতাংশ কমানোর নির্দেশনা দেওয়া হয়। পাশাপাশি প্রশিক্ষণ, আপ্যায়ন ও ভ্রমণ ব্যয় কমানোর কথাও বলা হয়।
বৈঠকে আইজিপিকে এসপিরা জানান, জ্বালানি ব্যবহার কমালে নিয়মিত টহল, মামলার তদন্ত ও আসামি গ্রেপ্তার কার্যক্রমে বিঘ্ন ঘটতে পারে। এ বিষয়ে আইজিপি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করে পরবর্তী সিদ্ধান্ত জানাবেন বলে আশ্বাস দিয়েছেন।
পুলিশ সদর দপ্তরের অতিরিক্ত আইজিপি খন্দকার রফিকুল ইসলাম চরচাকে বলেন, “বৈশ্বিক অস্থিতিশীলতার কারণে সৃষ্ট তেল সংকট মোকাবিলায় সবাইকে সচেতন থাকতে বলা হয়েছে। পেট্রোল পাম্পে দীর্ঘ লাইনের কারণে যেন কোনো অপ্রীতিকর পরিস্থিতি তৈরি না হয়, সে দিকেও নজর রাখতে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।”
রফিকুল ইসলাম বলেন, “টহল বা অন্যান্য কার্যক্রম কমানোর নির্দেশ দেওয়া হয়নি; কেবল অপ্রয়োজনীয় যানবাহন ব্যবহার এড়িয়ে চলতে বলা হয়েছে।”
গত ৯ এপ্রিল মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ পরিচালন ব্যয় কমাতে এক পরিপত্র জারি করে। এতে সরকারি যানবাহনের জ্বালানি ব্যবহার ৩০ শতাংশ কমানো, ভ্রমণ ব্যয় ৩০ শতাংশ হ্রাস, সভা-সেমিনারে আপ্যায়ন ব্যয় ৫০ শতাংশ কমানো এবং গাড়ি, জলযান, আকাশযান ও কম্পিউটার ক্রয় সাময়িকভাবে বন্ধ রাখাসহ একাধিক ব্যয় সংকোচনমূলক নির্দেশনা দেওয়া হয়।

পুলিশ বাহিনীর যানবাহনে জ্বালানি ব্যবহার ৩০ শতাংশ কমাতে পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) নির্দেশ দিলেও জেলা পুলিশ সুপাররা (এসপি) বলছেন, এতে টহল ও তদন্ত কার্যক্রম ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। নাগরিক সেবায় মাঠ পর্যায় পুলিশের সদস্যদের কাজে ব্যাঘাত ঘটবে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক জেলার এসপি চরচাকে জানান, সম্প্রতি অর্থ মন্ত্রণালয় ও মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ সরকারি ব্যয় সংকোচনের লক্ষ্যে বিভিন্ন নির্দেশনা জারি করেছে। এর পরিপ্রেক্ষিতে আজ বৃহস্পতিবার আইজিপি মো. আলী হোসেন ফকির ভার্চুয়ালি দেশের সব জেলার এসপিদের সঙ্গে বৈঠক করেন। বৈঠকে বৈশ্বিক জ্বালানি পরিস্থিতি বিবেচনায় পুলিশের যানবাহনের মাসিক জ্বালানি ব্যবহার ৩০ শতাংশ কমানোর নির্দেশনা দেওয়া হয়। পাশাপাশি প্রশিক্ষণ, আপ্যায়ন ও ভ্রমণ ব্যয় কমানোর কথাও বলা হয়।
বৈঠকে আইজিপিকে এসপিরা জানান, জ্বালানি ব্যবহার কমালে নিয়মিত টহল, মামলার তদন্ত ও আসামি গ্রেপ্তার কার্যক্রমে বিঘ্ন ঘটতে পারে। এ বিষয়ে আইজিপি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করে পরবর্তী সিদ্ধান্ত জানাবেন বলে আশ্বাস দিয়েছেন।
পুলিশ সদর দপ্তরের অতিরিক্ত আইজিপি খন্দকার রফিকুল ইসলাম চরচাকে বলেন, “বৈশ্বিক অস্থিতিশীলতার কারণে সৃষ্ট তেল সংকট মোকাবিলায় সবাইকে সচেতন থাকতে বলা হয়েছে। পেট্রোল পাম্পে দীর্ঘ লাইনের কারণে যেন কোনো অপ্রীতিকর পরিস্থিতি তৈরি না হয়, সে দিকেও নজর রাখতে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।”
রফিকুল ইসলাম বলেন, “টহল বা অন্যান্য কার্যক্রম কমানোর নির্দেশ দেওয়া হয়নি; কেবল অপ্রয়োজনীয় যানবাহন ব্যবহার এড়িয়ে চলতে বলা হয়েছে।”
গত ৯ এপ্রিল মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ পরিচালন ব্যয় কমাতে এক পরিপত্র জারি করে। এতে সরকারি যানবাহনের জ্বালানি ব্যবহার ৩০ শতাংশ কমানো, ভ্রমণ ব্যয় ৩০ শতাংশ হ্রাস, সভা-সেমিনারে আপ্যায়ন ব্যয় ৫০ শতাংশ কমানো এবং গাড়ি, জলযান, আকাশযান ও কম্পিউটার ক্রয় সাময়িকভাবে বন্ধ রাখাসহ একাধিক ব্যয় সংকোচনমূলক নির্দেশনা দেওয়া হয়।