চরচা ডেস্ক

পাকিস্তানের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলে অভিযান চালিয়ে ২৪ জন জঙ্গিকে হত্যা করেছে দেশটির নিরাপত্তা বাহিনী। আজ শুক্রবার দেশটির সামরিক বাহিনী ও স্থানীয় কর্মকর্তারা এই তথ্য জানিয়েছেন। খবর বার্তা সংস্থা রয়টার্সের
পাকিস্তানের সামরিক বাহিনীর তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ ঘন্টায় পরিচালিত গোয়েন্দা তথ্যভিত্তিক অভিযানে নিষিদ্ধ ঘোষিত তেহরিক-ই-তালেবান পাকিস্তান (টিটিপি) এবং বেলুচ বিচ্ছিন্নতাবাদী গোষ্ঠীর সদস্যদের লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে। এসব অভিযানে ২৪ জন জঙ্গি নিহত হয়েছেন এবং বিপুল পরিমাণ অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে।
সামরিক বাহিনী জানায়, গত বুধবার সংঘটিত দুটি জঙ্গি হামলার প্রতিক্রিয়ায় এসব অভিযান চালানো হয়। এর মধ্যে একটি ছিল আত্মঘাতী হামলা, যেখানে বিস্ফোরকবোঝাই একটি যানবাহন পুলিশ সদস্য ও বেসামরিক লোকজনের ওপর চালিয়ে দেওয়া হয়। অপর হামলাটি আফগানিস্তান সীমান্তবর্তী খাইবার পাখতুনখোয়া প্রদেশের বান্নু জেলার একটি পুলিশ স্টেশনে চালায়। এতে কয়েকজন পুলিশ সদস্য আহত হন।
পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট আসিফ আলী জারদারি এবং প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ বান্নুতে সাম্প্রতিক হামলার জবাবে নিরাপত্তা বাহিনীর 'দ্রুত ও কার্যকর' পদক্ষেপের প্রশংসা করেছেন।
আলাদা বিবৃতিতে তারা বলেন, সন্ত্রাসবাদ নির্মূল করা সরকারের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার এবং হামলার জন্য দায়ীদের বিচারের আওতায় আনার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন।
আফগানিস্তানের ক্ষমতাসীন তালেবান থেকে পৃথক সংগঠন হলেও তেহরিক-ই-তালেবান পাকিস্তান (টিটিপি) তাদের মিত্র। পাকিস্তান বারবার অভিযোগ করেছে, তালেবান সরকার সীমান্তপারের জঙ্গি হামলার সুযোগ দিচ্ছে।
তবে কাবুল ধারাবাহিকভাবে এ অভিযোগ অস্বীকার করে আসছে। টিটিপি এবং বেলুচ বিচ্ছিন্নতাবাদী সংগঠন বেলুচ লিবারেশন আর্মি (বিএলএ) পাকিস্তানের ভেতরে সংঘটিত বহু হামলার দায় স্বীকার করেছে।
গত বছর থেকে আফগান সীমান্তসংলগ্ন এলাকায় টিটিপির আস্তানাকে লক্ষ্য করে পাকিস্তান একাধিক সামরিক হামলা চালিয়েছে।
ইসলামাবাদ সরকার আরও অভিযোগ করেছে, এসব জঙ্গি গোষ্ঠী ভারতের সমর্থন পাচ্ছে। তবে নয়াদিল্লি বারবার এ অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করেছে। প্রেসিডেন্ট জারদারি ও প্রধানমন্ত্রী শরিফ তাঁদের বিবৃতিতেও এই অভিযোগ পুনর্ব্যক্ত করেন।
পাকিস্তানের সামরিক বাহিনী জানিয়েছে, দেশব্যাপী জঙ্গি নেটওয়ার্ক ধ্বংসের লক্ষ্যে জাতীয় কর্মপরিকল্পনার (ন্যাশনাল অ্যাকশন প্ল্যান) আওতায় গত বছর শুরু হওয়া সন্ত্রাসবিরোধী অভিযান ‘আজম-ই-ইস্তেহকাম’ (অর্থ: স্থিতিশীলতার জন্য অঙ্গীকার) নিরাপত্তা বাহিনী অব্যাহত রাখবে।

পাকিস্তানের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলে অভিযান চালিয়ে ২৪ জন জঙ্গিকে হত্যা করেছে দেশটির নিরাপত্তা বাহিনী। আজ শুক্রবার দেশটির সামরিক বাহিনী ও স্থানীয় কর্মকর্তারা এই তথ্য জানিয়েছেন। খবর বার্তা সংস্থা রয়টার্সের
পাকিস্তানের সামরিক বাহিনীর তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ ঘন্টায় পরিচালিত গোয়েন্দা তথ্যভিত্তিক অভিযানে নিষিদ্ধ ঘোষিত তেহরিক-ই-তালেবান পাকিস্তান (টিটিপি) এবং বেলুচ বিচ্ছিন্নতাবাদী গোষ্ঠীর সদস্যদের লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে। এসব অভিযানে ২৪ জন জঙ্গি নিহত হয়েছেন এবং বিপুল পরিমাণ অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে।
সামরিক বাহিনী জানায়, গত বুধবার সংঘটিত দুটি জঙ্গি হামলার প্রতিক্রিয়ায় এসব অভিযান চালানো হয়। এর মধ্যে একটি ছিল আত্মঘাতী হামলা, যেখানে বিস্ফোরকবোঝাই একটি যানবাহন পুলিশ সদস্য ও বেসামরিক লোকজনের ওপর চালিয়ে দেওয়া হয়। অপর হামলাটি আফগানিস্তান সীমান্তবর্তী খাইবার পাখতুনখোয়া প্রদেশের বান্নু জেলার একটি পুলিশ স্টেশনে চালায়। এতে কয়েকজন পুলিশ সদস্য আহত হন।
পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট আসিফ আলী জারদারি এবং প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ বান্নুতে সাম্প্রতিক হামলার জবাবে নিরাপত্তা বাহিনীর 'দ্রুত ও কার্যকর' পদক্ষেপের প্রশংসা করেছেন।
আলাদা বিবৃতিতে তারা বলেন, সন্ত্রাসবাদ নির্মূল করা সরকারের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার এবং হামলার জন্য দায়ীদের বিচারের আওতায় আনার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন।
আফগানিস্তানের ক্ষমতাসীন তালেবান থেকে পৃথক সংগঠন হলেও তেহরিক-ই-তালেবান পাকিস্তান (টিটিপি) তাদের মিত্র। পাকিস্তান বারবার অভিযোগ করেছে, তালেবান সরকার সীমান্তপারের জঙ্গি হামলার সুযোগ দিচ্ছে।
তবে কাবুল ধারাবাহিকভাবে এ অভিযোগ অস্বীকার করে আসছে। টিটিপি এবং বেলুচ বিচ্ছিন্নতাবাদী সংগঠন বেলুচ লিবারেশন আর্মি (বিএলএ) পাকিস্তানের ভেতরে সংঘটিত বহু হামলার দায় স্বীকার করেছে।
গত বছর থেকে আফগান সীমান্তসংলগ্ন এলাকায় টিটিপির আস্তানাকে লক্ষ্য করে পাকিস্তান একাধিক সামরিক হামলা চালিয়েছে।
ইসলামাবাদ সরকার আরও অভিযোগ করেছে, এসব জঙ্গি গোষ্ঠী ভারতের সমর্থন পাচ্ছে। তবে নয়াদিল্লি বারবার এ অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করেছে। প্রেসিডেন্ট জারদারি ও প্রধানমন্ত্রী শরিফ তাঁদের বিবৃতিতেও এই অভিযোগ পুনর্ব্যক্ত করেন।
পাকিস্তানের সামরিক বাহিনী জানিয়েছে, দেশব্যাপী জঙ্গি নেটওয়ার্ক ধ্বংসের লক্ষ্যে জাতীয় কর্মপরিকল্পনার (ন্যাশনাল অ্যাকশন প্ল্যান) আওতায় গত বছর শুরু হওয়া সন্ত্রাসবিরোধী অভিযান ‘আজম-ই-ইস্তেহকাম’ (অর্থ: স্থিতিশীলতার জন্য অঙ্গীকার) নিরাপত্তা বাহিনী অব্যাহত রাখবে।

পাকিস্তানের সামরিক বাহিনীর তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ ঘন্টায় পরিচালিত গোয়েন্দা তথ্যভিত্তিক অভিযানে নিষিদ্ধ ঘোষিত তেহরিক-ই-তালেবান পাকিস্তান (টিটিপি) এবং বেলুচ বিচ্ছিন্নতাবাদী গোষ্ঠীর সদস্যদের লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে। এসব অভিযানে ২৪ জন জঙ্গি নিহত হয়েছেন এবং বিপুল পরিমাণ অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে।