রাজশাহী প্রতিনিধি

রাজশাহীতে দলীয় কর্মীদের পিটুনিতে এরশাদ আলী (৬৫) নামে এক বিএনপি নেতা নিহত হয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। এরশাদ আলী চারঘাট উপজেলার ইউসুফপুর ইউনিয়ন বিএনপির সদস্য এবং রাজশাহী–৬ (চারঘাট ও বাঘা) আসনের সংসদ সদস্য আবু সাইদ চাঁদের অনুসারী।
গতকাল শুক্রবার রাত ৯টার দিকে তারাবির নামাজ শেষে বাড়ি ফেরার পথে এরশাদ আলীকে পিটিয়ে হত্যা করা হয় বলে জানিয়েছেন তার মেয়ে চম্পা বেগম। চম্পা বেগম দাবি করেন, ‘‘বিএনপির লোকজনই এই হত্যাকাণ্ডে জড়িত। পেয়ারা গাছের ডাল দিয়ে পিটিয়ে আমার আব্বাকে হত্যা করা হয়েছে।’’
গতকাল শুক্রবার জুমার নামাজের পর স্থানীয় মসজিদে গ্রামবাসী ও বিএনপি কর্মীরা একটি ইসলামী জলসার আয়োজন নিয়ে আলোচনায় বসেন। জলসা অনুষ্ঠানে জেলা বিএনপি নেতা আনোয়ার হোসেন উজ্জ্বলকে প্রধান অতিথি হিসেবে আমন্ত্রণ জানানোর প্রস্তাব করে। অন্যদিকে, এরশাদ আলীসহ অন্যপক্ষ রাজশাহীর সংসদ সদস্য আবু সাঈদ চাঁদকে প্রধান অতিথি করার প্রস্তাব করে। এ নিয়ে দুপক্ষের মধ্যে তীব্র বাগবিতণ্ডা হয়। একপর্যায়ে পণ্ড হয়ে যায় সভাটি।
রাত ৯টার দিকে তারাবির নামাজ শেষে বাড়ি ফেরার পথে আনোয়ার হোসেন উজ্জ্বলের অনুসারী হিসেবে পরিচিত সাইদুর রহমান, সুমন আলী, সাব্বির, আশাদুল ও জোয়াদসহ বেশ কয়েকজন এরশাদ আলীর পথরোধ করে। এ সময় তারা পেয়ারা গাছের ডাল ও লাঠি দিয়ে এরশাদ আলীকে এলোপাতাড়ি পিটিয়ে গুরুতর আহত করে ফেলে রেখে যায়। পরে অন্য মুসল্লিরা এরশাদ আলীকে উদ্ধার করে চারঘাট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
এরশাদ আলীর মেয়ে চম্পা বেগম বলেন, ‘‘আব্বা দুপুরে বাজার থেকে ফিরেছিলেন, তখন তারা কিছু করেনি। কিন্তু রাতে তারাবির নামাজ শেষ করে আব্বা যখন সবার আগে মসজিদ থেকে বের হলেন, সেই মুহূর্তে উজ্জ্বল নেতার নেতৃত্বে সাইদুল, সুমন, সাব্বির, জোয়াদ, আসাদুল এবং রাজু—এই ছয়জন মিলে আব্বার ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ে। তাদের সবার হাতে পেয়ারা গাছের বড় বড় ডাল ছিল। তারা সেই ডাল দিয়ে আমার আব্বাকে নির্মমভাবে পিটিয়ে এবং ঘাড় মটকে মেরে ফেলেছে।’’
চম্পা দাবি করেন, ‘‘সবাই বিএনপির লোক হয়েই নিজেদের মধ্যে এই হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে। আমি যেমন আমার বাবাকে হারিয়েছি, আমি চাই, যারা আমার বাবাকে মেরেছে তাদের প্রত্যেকের যেন ফাঁসি হয়। আমি আইনের কাছে এই খুনের বিচার চাই।’’
চারঘাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আফজাল হোসেন জানান, এই ঘটনার পর থেকে অভিযুক্তদের ধরতে অভিযান চলছে। এ বিষয়ে দ্রুত আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। এরশাদ আলীর মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে মর্গে পাঠানো হয়েছে।

রাজশাহীতে দলীয় কর্মীদের পিটুনিতে এরশাদ আলী (৬৫) নামে এক বিএনপি নেতা নিহত হয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। এরশাদ আলী চারঘাট উপজেলার ইউসুফপুর ইউনিয়ন বিএনপির সদস্য এবং রাজশাহী–৬ (চারঘাট ও বাঘা) আসনের সংসদ সদস্য আবু সাইদ চাঁদের অনুসারী।
গতকাল শুক্রবার রাত ৯টার দিকে তারাবির নামাজ শেষে বাড়ি ফেরার পথে এরশাদ আলীকে পিটিয়ে হত্যা করা হয় বলে জানিয়েছেন তার মেয়ে চম্পা বেগম। চম্পা বেগম দাবি করেন, ‘‘বিএনপির লোকজনই এই হত্যাকাণ্ডে জড়িত। পেয়ারা গাছের ডাল দিয়ে পিটিয়ে আমার আব্বাকে হত্যা করা হয়েছে।’’
গতকাল শুক্রবার জুমার নামাজের পর স্থানীয় মসজিদে গ্রামবাসী ও বিএনপি কর্মীরা একটি ইসলামী জলসার আয়োজন নিয়ে আলোচনায় বসেন। জলসা অনুষ্ঠানে জেলা বিএনপি নেতা আনোয়ার হোসেন উজ্জ্বলকে প্রধান অতিথি হিসেবে আমন্ত্রণ জানানোর প্রস্তাব করে। অন্যদিকে, এরশাদ আলীসহ অন্যপক্ষ রাজশাহীর সংসদ সদস্য আবু সাঈদ চাঁদকে প্রধান অতিথি করার প্রস্তাব করে। এ নিয়ে দুপক্ষের মধ্যে তীব্র বাগবিতণ্ডা হয়। একপর্যায়ে পণ্ড হয়ে যায় সভাটি।
রাত ৯টার দিকে তারাবির নামাজ শেষে বাড়ি ফেরার পথে আনোয়ার হোসেন উজ্জ্বলের অনুসারী হিসেবে পরিচিত সাইদুর রহমান, সুমন আলী, সাব্বির, আশাদুল ও জোয়াদসহ বেশ কয়েকজন এরশাদ আলীর পথরোধ করে। এ সময় তারা পেয়ারা গাছের ডাল ও লাঠি দিয়ে এরশাদ আলীকে এলোপাতাড়ি পিটিয়ে গুরুতর আহত করে ফেলে রেখে যায়। পরে অন্য মুসল্লিরা এরশাদ আলীকে উদ্ধার করে চারঘাট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
এরশাদ আলীর মেয়ে চম্পা বেগম বলেন, ‘‘আব্বা দুপুরে বাজার থেকে ফিরেছিলেন, তখন তারা কিছু করেনি। কিন্তু রাতে তারাবির নামাজ শেষ করে আব্বা যখন সবার আগে মসজিদ থেকে বের হলেন, সেই মুহূর্তে উজ্জ্বল নেতার নেতৃত্বে সাইদুল, সুমন, সাব্বির, জোয়াদ, আসাদুল এবং রাজু—এই ছয়জন মিলে আব্বার ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ে। তাদের সবার হাতে পেয়ারা গাছের বড় বড় ডাল ছিল। তারা সেই ডাল দিয়ে আমার আব্বাকে নির্মমভাবে পিটিয়ে এবং ঘাড় মটকে মেরে ফেলেছে।’’
চম্পা দাবি করেন, ‘‘সবাই বিএনপির লোক হয়েই নিজেদের মধ্যে এই হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে। আমি যেমন আমার বাবাকে হারিয়েছি, আমি চাই, যারা আমার বাবাকে মেরেছে তাদের প্রত্যেকের যেন ফাঁসি হয়। আমি আইনের কাছে এই খুনের বিচার চাই।’’
চারঘাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আফজাল হোসেন জানান, এই ঘটনার পর থেকে অভিযুক্তদের ধরতে অভিযান চলছে। এ বিষয়ে দ্রুত আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। এরশাদ আলীর মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে মর্গে পাঠানো হয়েছে।