চরচা প্রতিবেদক

রাজধানীর বংশালে মো. সুমন (৪২) নামে এক ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে। নিহত সুমন ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে ডেইলি বেসিক কর্মচারী হিসেবে কর্মরত ছিলেন। এ ঘটনায় নিহতের দ্বিতীয় স্ত্রীর বিরুদ্ধে স্বামীকে হত্যার অভিযোগ তুলেছেন প্রথম স্ত্রী।
আজ মঙ্গলবার সকাল বেলা ১১টার দিকে বংশালের নাজিমুদ্দিন রোডের জমিদার গলির একটি বাসায় এ ঘটনা ঘটে। গুরুতর আহত অবস্থায় সুমনকে ঢামেক হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নেওয়া হলে দুপুর ১টার দিকে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
ঢামেক হাসপাতালের পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ পরিদর্শক মো. ফারুক চিকিৎসকের বরাত দিয়ে মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। নিহতের বুকে ধারালো অস্ত্রের আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে।
নিহত সুমনের বাড়ি হবিগঞ্জের কমলগঞ্জ থানার ডালু গাছ বাজার এলাকায়। তার বাবার নাম নবী মিয়া। বর্তমানে তিনি বংশালের নাজিমুদ্দিন রোডে পরিবারের সঙ্গে বসবাস করতেন।
সুমনের দ্বিতীয় স্ত্রী নাসিমা বেগম জানান, তার স্বামী নিয়মিত ইয়াবা সেবন করতেন। গতরাতে সুমন তার কাছ থেকে এক হাজার ৫০০ টাকা নিয়ে ইয়াবা কিনে বাথরুমে বসে তা সেবন করেন। এ বিষয় নিয়ে তাদের মধ্যে তর্ক-বিতর্ক ও হাতাহাতির ঘটনা ঘটে।
নাসিমা আরও জানান, একপর্যায়ে সুমনের হাতে থাকা ধারালো অস্ত্রে নাসিমার হাতে আঘাত লাগে। পরে ধস্তাধস্তির এক পর্যায়ে সুমনের বুকের বাম পাশে একই অস্ত্রের আঘাত লাগে। পরে তিনি তাকে হাসপাতালে নিয়ে যান।
এদিকে সুমনের প্রথম স্ত্রী ডলি আক্তার বলেন, সুমন দীর্ঘদিন ধরে মাদকাসক্ত ছিলেন এবং এ নিয়ে পারিবারিক কলহ চলছিল। এই ঘটনার জন্য তিনি দ্বিতীয় স্ত্রীকে দায়ী করে হত্যার অভিযোগ তুলেছেন। ডলি আক্তারও একই এলাকায় ভাড়া বাসায় বসবাস করেন।
মো. ফারুক জানান, মরদেহ হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে এবং বিষয়টি সংশ্লিষ্ট থানা পুলিশকে জানানো হয়েছে। ঘটনাটি তদন্তাধীন রয়েছে।

রাজধানীর বংশালে মো. সুমন (৪২) নামে এক ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে। নিহত সুমন ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে ডেইলি বেসিক কর্মচারী হিসেবে কর্মরত ছিলেন। এ ঘটনায় নিহতের দ্বিতীয় স্ত্রীর বিরুদ্ধে স্বামীকে হত্যার অভিযোগ তুলেছেন প্রথম স্ত্রী।
আজ মঙ্গলবার সকাল বেলা ১১টার দিকে বংশালের নাজিমুদ্দিন রোডের জমিদার গলির একটি বাসায় এ ঘটনা ঘটে। গুরুতর আহত অবস্থায় সুমনকে ঢামেক হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নেওয়া হলে দুপুর ১টার দিকে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
ঢামেক হাসপাতালের পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ পরিদর্শক মো. ফারুক চিকিৎসকের বরাত দিয়ে মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। নিহতের বুকে ধারালো অস্ত্রের আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে।
নিহত সুমনের বাড়ি হবিগঞ্জের কমলগঞ্জ থানার ডালু গাছ বাজার এলাকায়। তার বাবার নাম নবী মিয়া। বর্তমানে তিনি বংশালের নাজিমুদ্দিন রোডে পরিবারের সঙ্গে বসবাস করতেন।
সুমনের দ্বিতীয় স্ত্রী নাসিমা বেগম জানান, তার স্বামী নিয়মিত ইয়াবা সেবন করতেন। গতরাতে সুমন তার কাছ থেকে এক হাজার ৫০০ টাকা নিয়ে ইয়াবা কিনে বাথরুমে বসে তা সেবন করেন। এ বিষয় নিয়ে তাদের মধ্যে তর্ক-বিতর্ক ও হাতাহাতির ঘটনা ঘটে।
নাসিমা আরও জানান, একপর্যায়ে সুমনের হাতে থাকা ধারালো অস্ত্রে নাসিমার হাতে আঘাত লাগে। পরে ধস্তাধস্তির এক পর্যায়ে সুমনের বুকের বাম পাশে একই অস্ত্রের আঘাত লাগে। পরে তিনি তাকে হাসপাতালে নিয়ে যান।
এদিকে সুমনের প্রথম স্ত্রী ডলি আক্তার বলেন, সুমন দীর্ঘদিন ধরে মাদকাসক্ত ছিলেন এবং এ নিয়ে পারিবারিক কলহ চলছিল। এই ঘটনার জন্য তিনি দ্বিতীয় স্ত্রীকে দায়ী করে হত্যার অভিযোগ তুলেছেন। ডলি আক্তারও একই এলাকায় ভাড়া বাসায় বসবাস করেন।
মো. ফারুক জানান, মরদেহ হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে এবং বিষয়টি সংশ্লিষ্ট থানা পুলিশকে জানানো হয়েছে। ঘটনাটি তদন্তাধীন রয়েছে।

মন্ত্রী বলেন, “২০২৪ সালের জুলাই-আগস্ট মাসে সংঘটিত গুম, খুন ও মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলাগুলোরর দ্রুত বিচার নিশ্চিতে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ ও আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ পুনর্গঠন করা হয়। বর্তমানে উভয় ট্রাইব্যুনালে দায়েরকৃত মামলাগুলোর বিচার কার্যক্রম নিয়মিতভাবে পরিচালিত হচ্ছে।”