চরচা ডেস্ক

দক্ষিণ চীন সাগরে উত্তেজনা উসকে দেওয়ার অভিযোগে একে অপরের বিরুদ্ধে পাল্টাপাল্টি অভিযোগের পর চীনের রাষ্ট্রদূতকে তলব করেছেন ফিলিপাইনের প্রেসিডেন্ট ফার্দিনান্দ মার্কোস জুনিয়র। আজ মঙ্গলবার তার কার্যালয় এ তথ্য জানিয়েছে। এর কয়েক ঘণ্টা আগে বেইজিংয়ে নিযুক্ত ফিলিপাইনের রাষ্ট্রদূতকেও তলব করেছিল চীন।
বার্তা সংস্থা রয়টার্স এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে।
দক্ষিণ চীন সাগরের সেকেন্ড থমাস শোল এলাকায় সংঘর্ষের ঘটনা নিয়ে দুই দেশ পরস্পরকে দোষারোপ করার এক দিন পর রাষ্ট্রদূত তলবের ঘটনা ঘটল। ফিলিপাইনের কর্মকর্তারা বলেছেন, তাদের নৌবাহিনীর এক সদস্যের মাথায় আঘাত করা হয়েছে। তবে বেইজিংয়ের দাবি, ম্যানিলাই ওই ঘটনার উসকানি দিয়েছে।
চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বলেছে, “ফিলিপাইন প্রথমে উসকানি দিয়েছে, কিন্তু পরে উল্টো পাল্টা অভিযোগ করেছে, তথ্য বিকৃত করেছে এবং বিদ্বেষপূর্ণ প্রচারণা চালিয়েছে।”
চীনের কোস্ট গার্ড (সিসিজি) সোমবার জানায়, ফিলিপাইনের নিয়ন্ত্রণে থাকা ও সেখানে থাকা যুদ্ধজাহাজ বিআরপি সিয়েরা মাদ্রে থেকে পাঠানো দুটি রাবার নৌকা দক্ষিণ চীন সাগরে চীনের টহল নৌযানে ধাক্কা দেয়। সংস্থাটির দাবি, ফিলিপাইনের সদস্যরা বৈঠা ও লম্বা লাঠি ব্যবহার করে চীনা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী কর্মকর্তাদের ওপর “বিদ্বেষপূর্ণ হামলা” চালায়।
দক্ষিণ চীন সাগরে চীন ও ফিলিপাইনের মধ্যে নিয়মিত উত্তেজনা থাকলেও কূটনৈতিকভাবে রাষ্ট্রদূত তলবের ঘটনা তুলনামূলকভাবে বিরল।
প্রেসিডেন্ট ফার্দিনান্দ মার্কোস জুনিয়রের আমলে চীনের পক্ষ থেকে ফিলিপাইনের রাষ্ট্রদূতকে তলবের এটি তৃতীয় প্রকাশ্য ঘটনা। এর আগে ২০২৪ সালের জানুয়ারিতে তাইওয়ানের নবনির্বাচিত নেতা লাই চিং-তের নির্বাচনে জয়ের জন্য মার্কোস অভিনন্দন জানানোর পর এবং ২০২৪ সালের নভেম্বরে ম্যানিলা মেরিটাইম জোনস অ্যাক্ট ও আর্কিপেলাজিক সি লেনস অ্যাক্ট পাস করার পর চীন ফিলিপাইনের রাষ্ট্রদূতকে তলব করেছিল।
এ ছাড়া, দক্ষিণ চীন সাগর ও তাইওয়ান ইস্যুসহ বিভিন্ন বিষয়ে চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় অতীতেও ফিলিপাইনের রাষ্ট্রদূতকে ডেকে প্রতিবাদ জানিয়েছে। তবে সেটি আনুষ্ঠানিক তলবের চেয়ে কম মাত্রার কূটনৈতিক পদক্ষেপ।
২০২৩ সালে দক্ষিণ চীন সাগরে ফিলিপাইনের কোস্ট গার্ডের একটি জাহাজের দিকে চীনা কোস্ট গার্ডের একটি জাহাজ সামরিক মানের লেজার তাক করার ঘটনার পর মার্কোস সর্বশেষ প্রকাশ্যে চীনা রাষ্ট্রদূতকে তলব করেছিলেন।
চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সোমবারের ঘটনার সময় ফিলিপাইনের পদক্ষেপকে ‘গুরুতর প্রকৃতির’ বলে অভিহিত করেছে।
অন্যদিকে ম্যানিলা অভিযোগ করেছে, চীনা বাহিনী তাদের এক নৌসদস্যের মাথায় কাঠের লাঠি দিয়ে আঘাত করেছে এবং তাদের একটি রাবার নৌকা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

দক্ষিণ চীন সাগরে উত্তেজনা উসকে দেওয়ার অভিযোগে একে অপরের বিরুদ্ধে পাল্টাপাল্টি অভিযোগের পর চীনের রাষ্ট্রদূতকে তলব করেছেন ফিলিপাইনের প্রেসিডেন্ট ফার্দিনান্দ মার্কোস জুনিয়র। আজ মঙ্গলবার তার কার্যালয় এ তথ্য জানিয়েছে। এর কয়েক ঘণ্টা আগে বেইজিংয়ে নিযুক্ত ফিলিপাইনের রাষ্ট্রদূতকেও তলব করেছিল চীন।
বার্তা সংস্থা রয়টার্স এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে।
দক্ষিণ চীন সাগরের সেকেন্ড থমাস শোল এলাকায় সংঘর্ষের ঘটনা নিয়ে দুই দেশ পরস্পরকে দোষারোপ করার এক দিন পর রাষ্ট্রদূত তলবের ঘটনা ঘটল। ফিলিপাইনের কর্মকর্তারা বলেছেন, তাদের নৌবাহিনীর এক সদস্যের মাথায় আঘাত করা হয়েছে। তবে বেইজিংয়ের দাবি, ম্যানিলাই ওই ঘটনার উসকানি দিয়েছে।
চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বলেছে, “ফিলিপাইন প্রথমে উসকানি দিয়েছে, কিন্তু পরে উল্টো পাল্টা অভিযোগ করেছে, তথ্য বিকৃত করেছে এবং বিদ্বেষপূর্ণ প্রচারণা চালিয়েছে।”
চীনের কোস্ট গার্ড (সিসিজি) সোমবার জানায়, ফিলিপাইনের নিয়ন্ত্রণে থাকা ও সেখানে থাকা যুদ্ধজাহাজ বিআরপি সিয়েরা মাদ্রে থেকে পাঠানো দুটি রাবার নৌকা দক্ষিণ চীন সাগরে চীনের টহল নৌযানে ধাক্কা দেয়। সংস্থাটির দাবি, ফিলিপাইনের সদস্যরা বৈঠা ও লম্বা লাঠি ব্যবহার করে চীনা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী কর্মকর্তাদের ওপর “বিদ্বেষপূর্ণ হামলা” চালায়।
দক্ষিণ চীন সাগরে চীন ও ফিলিপাইনের মধ্যে নিয়মিত উত্তেজনা থাকলেও কূটনৈতিকভাবে রাষ্ট্রদূত তলবের ঘটনা তুলনামূলকভাবে বিরল।
প্রেসিডেন্ট ফার্দিনান্দ মার্কোস জুনিয়রের আমলে চীনের পক্ষ থেকে ফিলিপাইনের রাষ্ট্রদূতকে তলবের এটি তৃতীয় প্রকাশ্য ঘটনা। এর আগে ২০২৪ সালের জানুয়ারিতে তাইওয়ানের নবনির্বাচিত নেতা লাই চিং-তের নির্বাচনে জয়ের জন্য মার্কোস অভিনন্দন জানানোর পর এবং ২০২৪ সালের নভেম্বরে ম্যানিলা মেরিটাইম জোনস অ্যাক্ট ও আর্কিপেলাজিক সি লেনস অ্যাক্ট পাস করার পর চীন ফিলিপাইনের রাষ্ট্রদূতকে তলব করেছিল।
এ ছাড়া, দক্ষিণ চীন সাগর ও তাইওয়ান ইস্যুসহ বিভিন্ন বিষয়ে চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় অতীতেও ফিলিপাইনের রাষ্ট্রদূতকে ডেকে প্রতিবাদ জানিয়েছে। তবে সেটি আনুষ্ঠানিক তলবের চেয়ে কম মাত্রার কূটনৈতিক পদক্ষেপ।
২০২৩ সালে দক্ষিণ চীন সাগরে ফিলিপাইনের কোস্ট গার্ডের একটি জাহাজের দিকে চীনা কোস্ট গার্ডের একটি জাহাজ সামরিক মানের লেজার তাক করার ঘটনার পর মার্কোস সর্বশেষ প্রকাশ্যে চীনা রাষ্ট্রদূতকে তলব করেছিলেন।
চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সোমবারের ঘটনার সময় ফিলিপাইনের পদক্ষেপকে ‘গুরুতর প্রকৃতির’ বলে অভিহিত করেছে।
অন্যদিকে ম্যানিলা অভিযোগ করেছে, চীনা বাহিনী তাদের এক নৌসদস্যের মাথায় কাঠের লাঠি দিয়ে আঘাত করেছে এবং তাদের একটি রাবার নৌকা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

জাহেদ উর রহমান বলেন, “তথ্য মন্ত্রণালয়ের অন্যতম অগ্রাধিকার হলো অপতথ্য ও ভুল তথ্য মোকাবিলা করা। বিশেষ করে পরিকল্পিতভাবে ছড়ানো অপতথ্য নিয়ে সরকার অত্যন্ত উদ্বিগ্ন। পাশাপাশি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সাইবার বুলিং, বিশেষ করে নারীদের বিরুদ্ধে নিয়মিতভাবে যে হয়রানি চালানো হয়, সেটিও সরকারের গভীর উদ্বেগের বিষয়।”