চরচা প্রতিবেদক

জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় ঐক্য ছাড়ল খেলাফত মজলিস। আজ শনিবার দুপুরে দলটির কেন্দ্রীয় মজলিসে শুরার বৈঠক থেকে এ সিদ্ধান্ত জানানো হয়।
রাজধানীর কাকরাইলের ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউট মিলনায়তনে এ বৈঠক হয়। দলটির প্রচার সম্পাদক আব্দুল হাফিজ খসরু চরচাকে বলেছেন, ‘‘আমরা আর এই সমঝোতায় (১১ দলীয় ঐক্য) নেই।”
গত ১৬ জানুয়ারি জামায়াতের নেতৃত্বে ‘১১ দলীয় নির্বাচনী ঐক্য’ যাত্রা শুরু করে।
শুরুতে জামায়াতে ইসলামী, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস, খেলাফত মজলিস, বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলন, জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টি (জাগপা), নেজামে ইসলাম পার্টি ও বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট পার্টি (বিডিপি) এই জোটে ছিল। আসন ভাগাভাগি নিয়ে টানাপোড়েনের জেরে জোট ছাড়ে চরমোনাই পীরের দল ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ
সংসদ নির্বাচনের সময় এগিয়ে এলে এই মোর্চা নির্বাচনি জোটের দিকে যায়। মনোনয়নপত্র জমার সময় শেষ হওয়ার আগের দিন জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) ও লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি (এলডিপি) এবং তার পর দিন আমার বাংলাদেশ (এবি) পার্টি এই জোটে যোগ দেয়।
ইসলামী আন্দোলন জোট থেকে সরে যাওয়ার পর যোগ হয় বাংলাদেশ লেবার পার্টি।
এলডিপি, বাংলাদেশ নেজামে ইসলাম পার্টি, এবি পার্টি ও বিডিপি জোটের হয়ে নির্বাচনে অংশ নিলেও কোনো আসন পায়নি। খেলাফত মজলিসের একজন সংসদে আছেন।
কওমি মাদ্রাসাভিত্তিক খেলাফত মজলিসের একটি অংশ জোটের কয়েকটি জোটের কর্মসূচিতে অংশ নেয়নি।
এর পর দলটির পক্ষ থেকে জোট ছাড়ার সিদ্ধান্ত এল।
খেলাফত মজলিস কেন জোট ছাড়ল জানতে চাইলে দলটির আব্দুল হাফিস খসরু বলেন, ‘‘এটা তো কোনো জোট না। তাই ছাড়া আর না ছাড়ার বিষয় নেই তো। এটা ছিল নির্বাচনী সমঝোতা। আমরা মনে করি, নির্বাচনের পরে সেটার আর প্রয়োজনীয়তা নেই।”
এই নেতা বলেন, ‘‘জামায়াতের সঙ্গে পরে যদি আরও কোনো সমঝোতার বিষয় আসে দেশের স্বার্থে, তখন আবার আমরা বিবেচনা করব।”
দলটির এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, মজলিসে শুরার অধিবেশনে ১১ দলীয় নির্বাচনী ঐক্যের বিষয়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয় যে, ১১ দলীয় ঐক্য ছিলো মূলত: নির্বাচনী সমঝোতা। নির্বাচন শেষ হয়ে যাওয়ায় এ ঐক্যের কার্যকারিতা বস্তুত শেষ হয়ে যায়। তবুও নির্বাচন শেষ হওয়ার পর ১১ দলীয় কিছু কর্মসূচিতে খেলাফত মজলিস অংশ নেয়। এখন থেকে ১১ দলীয় ঐক্যের যাবতীয় কর্মসূচি থেকে খেলাফত মজলিস বিরত থাকার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। ভবিষ্যতে দেশ, জাতি ও ইসলামের জন্য প্রয়োজন হলে বৃহত্তর ঐক্য গড়ে তোলার প্রয়াস-প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে।
মজলিসে শুরার বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন দলের আমির মাওলানা আব্দুল বাছিত আজাদ। মহাসচিব আহমদ আবদুল কাদের বৈঠক পরিচালনা করেন।

জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় ঐক্য ছাড়ল খেলাফত মজলিস। আজ শনিবার দুপুরে দলটির কেন্দ্রীয় মজলিসে শুরার বৈঠক থেকে এ সিদ্ধান্ত জানানো হয়।
রাজধানীর কাকরাইলের ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউট মিলনায়তনে এ বৈঠক হয়। দলটির প্রচার সম্পাদক আব্দুল হাফিজ খসরু চরচাকে বলেছেন, ‘‘আমরা আর এই সমঝোতায় (১১ দলীয় ঐক্য) নেই।”
গত ১৬ জানুয়ারি জামায়াতের নেতৃত্বে ‘১১ দলীয় নির্বাচনী ঐক্য’ যাত্রা শুরু করে।
শুরুতে জামায়াতে ইসলামী, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস, খেলাফত মজলিস, বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলন, জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টি (জাগপা), নেজামে ইসলাম পার্টি ও বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট পার্টি (বিডিপি) এই জোটে ছিল। আসন ভাগাভাগি নিয়ে টানাপোড়েনের জেরে জোট ছাড়ে চরমোনাই পীরের দল ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ
সংসদ নির্বাচনের সময় এগিয়ে এলে এই মোর্চা নির্বাচনি জোটের দিকে যায়। মনোনয়নপত্র জমার সময় শেষ হওয়ার আগের দিন জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) ও লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি (এলডিপি) এবং তার পর দিন আমার বাংলাদেশ (এবি) পার্টি এই জোটে যোগ দেয়।
ইসলামী আন্দোলন জোট থেকে সরে যাওয়ার পর যোগ হয় বাংলাদেশ লেবার পার্টি।
এলডিপি, বাংলাদেশ নেজামে ইসলাম পার্টি, এবি পার্টি ও বিডিপি জোটের হয়ে নির্বাচনে অংশ নিলেও কোনো আসন পায়নি। খেলাফত মজলিসের একজন সংসদে আছেন।
কওমি মাদ্রাসাভিত্তিক খেলাফত মজলিসের একটি অংশ জোটের কয়েকটি জোটের কর্মসূচিতে অংশ নেয়নি।
এর পর দলটির পক্ষ থেকে জোট ছাড়ার সিদ্ধান্ত এল।
খেলাফত মজলিস কেন জোট ছাড়ল জানতে চাইলে দলটির আব্দুল হাফিস খসরু বলেন, ‘‘এটা তো কোনো জোট না। তাই ছাড়া আর না ছাড়ার বিষয় নেই তো। এটা ছিল নির্বাচনী সমঝোতা। আমরা মনে করি, নির্বাচনের পরে সেটার আর প্রয়োজনীয়তা নেই।”
এই নেতা বলেন, ‘‘জামায়াতের সঙ্গে পরে যদি আরও কোনো সমঝোতার বিষয় আসে দেশের স্বার্থে, তখন আবার আমরা বিবেচনা করব।”
দলটির এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, মজলিসে শুরার অধিবেশনে ১১ দলীয় নির্বাচনী ঐক্যের বিষয়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয় যে, ১১ দলীয় ঐক্য ছিলো মূলত: নির্বাচনী সমঝোতা। নির্বাচন শেষ হয়ে যাওয়ায় এ ঐক্যের কার্যকারিতা বস্তুত শেষ হয়ে যায়। তবুও নির্বাচন শেষ হওয়ার পর ১১ দলীয় কিছু কর্মসূচিতে খেলাফত মজলিস অংশ নেয়। এখন থেকে ১১ দলীয় ঐক্যের যাবতীয় কর্মসূচি থেকে খেলাফত মজলিস বিরত থাকার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। ভবিষ্যতে দেশ, জাতি ও ইসলামের জন্য প্রয়োজন হলে বৃহত্তর ঐক্য গড়ে তোলার প্রয়াস-প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে।
মজলিসে শুরার বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন দলের আমির মাওলানা আব্দুল বাছিত আজাদ। মহাসচিব আহমদ আবদুল কাদের বৈঠক পরিচালনা করেন।

বিশ্ব বাজারে সেমিকন্ডাক্টরের বিশাল সম্ভাবনার কথা তুলে ধরে তারেক রহমান বলেন, “২০২৬ সালের মধ্যেই গ্লোবাল সেমিকন্ডাক্টরের বাজার ১ ট্রিলিয়ন মার্কিন ডলারের কাছাকাছি পৌঁছাতে যাচ্ছে। এই বিশাল বাজারে বাংলাদেশের জন্য অপার সুযোগ বিদ্যমান এবং ২০৩০ সালের মধ্যে এই খাত থেকে নির্ধারিত রপ্তানি আয়ের লক্ষ্যমাত্রা