চরচা ডেস্ক

আর্জেন্টিনার বিপক্ষে শেষ ১৬-তে মুখোমুখি হওয়ার আগে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে রীতিমত হইচই ফেলে দিয়েছেন ইব্রাহিম হাসান। মিশর দলের সহকারী কোচের কণ্ঠে লিওনেল মেসিকে নিয়ে অন্যদের মত ছিল না সমীহ। হুংকার দিয়ে বলেছেন, তাদের দলে নাকি আছেন ২৬ জন মেসি!
মিশরের টেলিভিশন চ্যানেল সাদা আল বালাদকে দেওয়া আলোচিত সাক্ষাৎকারে ইব্রাহিম বলেছেন, “আমরা মেসিকে নিয়ে একদম ভাবছি না। আমরা খেলোয়াড়দের বলে দিয়েছি শুধু নিজেদের খেলায় মনোযোগ দিতে এবং প্রতিপক্ষের কে আছে, কে নেই এসব নিয়ে না ভাবতে। তাদের দলে একজন মেসি থাকতেই পারে, কিন্তু আমাদের আছে মোহাম্মেদ সালাহ। আমাদের স্কোয়াডে ২৬টা মেসি আছে।”
পিলে চমকানো মন্তব্যই বটে। এক মেসিতে ভর করে বিশ্বচ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা স্বপ্ন দেখছে টানা দুই বিশ্বকাপ জেতার। শেষ ১৬ পর্যন্ত বলতে গেলে একাই টেনেছেন দলকে। আর মিশর দলে কিনা আছেন ২৬ জন মেসি! একটু কল্পনা করুন, একটা দলের একাদশ থেকে শুরু করে বেঞ্চের সবখানেই মেসিতে সয়লাব!
নাহ, মেসি শত বছরে একবারই জন্ম নেওয়া খেলোয়াড়দের একজন। এমন বিরল প্রতিভা যদি দলে দলে থাকত, তাহলে তো তিনি আর মেসি হয়ে উঠতে পারতেন না। কিন্তু মিশর স্কোয়াডের সবাইকে মেসি ভাবছে!
২০২২ বিশ্বকাপ জিতে সর্বকালের সেরাদের ছোট্ট তালিকায় নিজেকে নিয়ে গেছেন মেসি। বয়স ৩৯ হলেও সেই তেজ এখনো বিদ্যমান। ক্যারিয়ারের শেষ বিশ্বকাপে এসে গোলের পর গোল করেছেন। ইতিমধ্যেই ৭ গোল করে আছেন গোল্ডেন বুটের লড়াইয়ে। তাই বলার অপেক্ষা রাখে না, মিশরের স্বপ্নের পথচলায় সবচেয়ে বড় বাঁধা একজনই, মেসি…
২৬ জন মেসি না থাকলেও মিশর দলে একজন আছেন, যাকে অনেক আগেই মিশরের মেসি তকমা দেওয়া হয়েছে। তিনি সালাহ। মিশরের ইতিহাসের সেরা ফুটবলার তিনিই। তার নেতৃত্বে বিশ্বকাপে প্রথমবার শেষ ১৬-তে খেলছে দলটি। লিভারপুলের সেরা ফর্মটা এখনো না দেখাতে পারলেও উজ্জীবিত করছেন মিশরকে সামনে থেকে।
মিশর ও আর্জেন্টিনার ম্যাচে তাই সালাহ-মেসির ব্যক্তিগত লড়াইটা নতুন কিছু নয়। জাতীয় দলের জার্সিতে অবশ্য একে অন্যের বিপক্ষে খেলবেন তারা। তবে ক্লাব পর্যায়ে সাক্ষাৎ হয়েছে কয়েকবার। এর মধ্যে শেষ দ্বৈরথটা ইতিহাসে জায়গা করে নিয়েছে।
২০১৯ সালে চ্যাম্পিয়ন্স লিগে ক্যাম্প নিউয়ে সেমিফাইনালের মেসির বার্সেলোনার কাছে প্রথম লেগে ৩-০ গোলে হেরেছিল লিভারপুল। সেই ম্যাচটা খেললেও অ্যানফিল্ডে ফিরতি লেগে চোটের কারণে ছিলেন না সালাহ। দর্শক হয়ে দেখেন তার দলের ঐতিহাসিক ৪-০ গোলে জয়।
তবে সেই ম্যাচের পর কোচ ইয়ুর্গেন ক্লপ বলেছিলেন, সালাহকে উৎসর্গ রা ‘নেভার গিভ আপ’ টি-শার্টই লিভারপুলকে বাড়তি অনুপ্রেরণা যুগিয়েছে।
মাঠে না থেকেও সালাহ যদি ইতিহাসের অন্যতম সেরা কামব্যাকের অনুপ্রেরণা হয়ে উঠতে পারেন, তাহলে তিনি স্বয়ং খেললে আর্জেন্টিনার কি হবে? বা সহকারী কোচ যা বলেছেন, ২৬ মেসির মিশরকে কীভাবে সামাল দিবেন লিওনেল স্কালোনি?
বাস্তবতা হল, দলে মিশরের মেসি সালাহ থাকলেও তাদের সামনে অপেক্ষা করছে ভীষণ কঠিন এক চ্যালেঞ্জ। স্কালোনির কোচিংয়ে গত সাত বছরে একশর বেশি ম্যাচ খেলে মাত্র পাঁচটিতে হেরেছে। জিতেছে একটি বিশ্বকাপ ও দুটি কোপা আমেরিকা। তার ওপর এই বিশ্বকাপে মেসিও আছেন ছন্দে।
হয়ত এই কারণেই মিশর নিজেদের সামর্থ্যে বিশ্বাস রেখে বাড়তি অনুপ্রেরণার জন্য গোটা স্কোয়াডকেই মেসিময় করে ফেলতে চাচ্ছে। আপনার প্রতিপক্ষ যখন মেসির আর্জেন্টিনা, তখন এর চেয়ে বড় অস্ত্র আর কিইবা হতে পারে। মেসির মন্ত্র জপে যদি যদি মেসিকেই বধ করা যায়, মন্দ কি!

আর্জেন্টিনার বিপক্ষে শেষ ১৬-তে মুখোমুখি হওয়ার আগে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে রীতিমত হইচই ফেলে দিয়েছেন ইব্রাহিম হাসান। মিশর দলের সহকারী কোচের কণ্ঠে লিওনেল মেসিকে নিয়ে অন্যদের মত ছিল না সমীহ। হুংকার দিয়ে বলেছেন, তাদের দলে নাকি আছেন ২৬ জন মেসি!
মিশরের টেলিভিশন চ্যানেল সাদা আল বালাদকে দেওয়া আলোচিত সাক্ষাৎকারে ইব্রাহিম বলেছেন, “আমরা মেসিকে নিয়ে একদম ভাবছি না। আমরা খেলোয়াড়দের বলে দিয়েছি শুধু নিজেদের খেলায় মনোযোগ দিতে এবং প্রতিপক্ষের কে আছে, কে নেই এসব নিয়ে না ভাবতে। তাদের দলে একজন মেসি থাকতেই পারে, কিন্তু আমাদের আছে মোহাম্মেদ সালাহ। আমাদের স্কোয়াডে ২৬টা মেসি আছে।”
পিলে চমকানো মন্তব্যই বটে। এক মেসিতে ভর করে বিশ্বচ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা স্বপ্ন দেখছে টানা দুই বিশ্বকাপ জেতার। শেষ ১৬ পর্যন্ত বলতে গেলে একাই টেনেছেন দলকে। আর মিশর দলে কিনা আছেন ২৬ জন মেসি! একটু কল্পনা করুন, একটা দলের একাদশ থেকে শুরু করে বেঞ্চের সবখানেই মেসিতে সয়লাব!
নাহ, মেসি শত বছরে একবারই জন্ম নেওয়া খেলোয়াড়দের একজন। এমন বিরল প্রতিভা যদি দলে দলে থাকত, তাহলে তো তিনি আর মেসি হয়ে উঠতে পারতেন না। কিন্তু মিশর স্কোয়াডের সবাইকে মেসি ভাবছে!
২০২২ বিশ্বকাপ জিতে সর্বকালের সেরাদের ছোট্ট তালিকায় নিজেকে নিয়ে গেছেন মেসি। বয়স ৩৯ হলেও সেই তেজ এখনো বিদ্যমান। ক্যারিয়ারের শেষ বিশ্বকাপে এসে গোলের পর গোল করেছেন। ইতিমধ্যেই ৭ গোল করে আছেন গোল্ডেন বুটের লড়াইয়ে। তাই বলার অপেক্ষা রাখে না, মিশরের স্বপ্নের পথচলায় সবচেয়ে বড় বাঁধা একজনই, মেসি…
২৬ জন মেসি না থাকলেও মিশর দলে একজন আছেন, যাকে অনেক আগেই মিশরের মেসি তকমা দেওয়া হয়েছে। তিনি সালাহ। মিশরের ইতিহাসের সেরা ফুটবলার তিনিই। তার নেতৃত্বে বিশ্বকাপে প্রথমবার শেষ ১৬-তে খেলছে দলটি। লিভারপুলের সেরা ফর্মটা এখনো না দেখাতে পারলেও উজ্জীবিত করছেন মিশরকে সামনে থেকে।
মিশর ও আর্জেন্টিনার ম্যাচে তাই সালাহ-মেসির ব্যক্তিগত লড়াইটা নতুন কিছু নয়। জাতীয় দলের জার্সিতে অবশ্য একে অন্যের বিপক্ষে খেলবেন তারা। তবে ক্লাব পর্যায়ে সাক্ষাৎ হয়েছে কয়েকবার। এর মধ্যে শেষ দ্বৈরথটা ইতিহাসে জায়গা করে নিয়েছে।
২০১৯ সালে চ্যাম্পিয়ন্স লিগে ক্যাম্প নিউয়ে সেমিফাইনালের মেসির বার্সেলোনার কাছে প্রথম লেগে ৩-০ গোলে হেরেছিল লিভারপুল। সেই ম্যাচটা খেললেও অ্যানফিল্ডে ফিরতি লেগে চোটের কারণে ছিলেন না সালাহ। দর্শক হয়ে দেখেন তার দলের ঐতিহাসিক ৪-০ গোলে জয়।
তবে সেই ম্যাচের পর কোচ ইয়ুর্গেন ক্লপ বলেছিলেন, সালাহকে উৎসর্গ রা ‘নেভার গিভ আপ’ টি-শার্টই লিভারপুলকে বাড়তি অনুপ্রেরণা যুগিয়েছে।
মাঠে না থেকেও সালাহ যদি ইতিহাসের অন্যতম সেরা কামব্যাকের অনুপ্রেরণা হয়ে উঠতে পারেন, তাহলে তিনি স্বয়ং খেললে আর্জেন্টিনার কি হবে? বা সহকারী কোচ যা বলেছেন, ২৬ মেসির মিশরকে কীভাবে সামাল দিবেন লিওনেল স্কালোনি?
বাস্তবতা হল, দলে মিশরের মেসি সালাহ থাকলেও তাদের সামনে অপেক্ষা করছে ভীষণ কঠিন এক চ্যালেঞ্জ। স্কালোনির কোচিংয়ে গত সাত বছরে একশর বেশি ম্যাচ খেলে মাত্র পাঁচটিতে হেরেছে। জিতেছে একটি বিশ্বকাপ ও দুটি কোপা আমেরিকা। তার ওপর এই বিশ্বকাপে মেসিও আছেন ছন্দে।
হয়ত এই কারণেই মিশর নিজেদের সামর্থ্যে বিশ্বাস রেখে বাড়তি অনুপ্রেরণার জন্য গোটা স্কোয়াডকেই মেসিময় করে ফেলতে চাচ্ছে। আপনার প্রতিপক্ষ যখন মেসির আর্জেন্টিনা, তখন এর চেয়ে বড় অস্ত্র আর কিইবা হতে পারে। মেসির মন্ত্র জপে যদি যদি মেসিকেই বধ করা যায়, মন্দ কি!