অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, আর্থিক খাতে কোনো ধরনের রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ থাকবে না। সরকারের কোনো রাজনৈতিক নিয়োগ বা প্রভাব এখানে কাজ করবে না। আর্থিক খাত শতভাগ পেশাদার হবে।
আজ মঙ্গলবার রাজধানীতে হোটেল র্যাডিসন ব্লুতে ‘বাংলাদেশ স্টার্টআপ ইনভেস্টমেন্ট কোম্পানি’র উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে মন্ত্রী এসব কথা বলেন।
বাংলাদেশ স্টার্টআপ ইনভেস্টমেন্ট কোম্পানি নিয়ে অর্থমন্ত্রী বলেন, প্রতিষ্ঠানটি যে পরিমাণ মূলধন নিয়ে যাত্রা শুরু করেছে, ভবিষ্যতে তা আরও বৃদ্ধি পাবে। এটি কেবল একটি বিনিয়োগ প্রতিষ্ঠান নয়, বরং দেশের সামগ্রিক স্টার্টআপ ইকোসিস্টেমকে দৃশ্যমান করার একটি প্ল্যাটফর্ম।
আমির খসরু বলেন, “আমাদের তরুণ প্রজন্মের প্রধান দুটি সমস্যা হলো ফান্ডের অভাব এবং জামানত প্রদানের অক্ষমতা। এই উদ্যোগের মাধ্যমে এই দুটি বাধা দূর করা হয়েছে। এখানে বিনিয়োগের সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়া হবে সম্পূর্ণ স্বচ্ছ, দক্ষ এবং পেশাদার।”
এই উদ্যোগ বিএনপির রাজনৈতিক ইশতেহারের সাথে সরাসরি সম্পৃক্ত উল্লেখ করে অর্থমন্ত্রী বলেন, “আমরা ডেমোগ্রাফিক ডিভিডেন্ড সুবিধাকে কাজে লাগিয়ে এক কোটি মানুষের কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্য নিয়ে কাজ করছি। বিশেষ করে ক্রিয়েটিভ ইকোনমি বা সৃজনশীল অর্থনীতির মাধ্যমে গ্রামীণ ও শহরের তরুণদের অর্থনীতির মূলধারায় নিয়ে আসা হবে।”
আর্থিক খাতের শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “বর্তমানে আমরা একটি কঠিন সময়ের মধ্য দিয়ে যাচ্ছি। আমরা পুঁজিবাজারের সংস্কার এবং সিরিয়াস ডিরেগুলেশনের দিকে এগোচ্ছি। বিনিয়োগ ও পুঁজিবাজারের জন্য দক্ষ ব্যক্তিদের উপদেষ্টা হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। দেশি-বিদেশি বড় ইনভেস্টমেন্ট ম্যানেজমেন্ট এবং বিভিন্ন দাতা সংস্থা আমাদের সাথে কাজ করছে।”
স্টার্টআপ কোম্পানিটি শুধু ব্যাংকিং খাতের বিনিয়োগেই সীমাবদ্ধ থাকবে না উল্লেখ করে আন্তর্জাতিক ভেঞ্চার ক্যাপিটাল প্রতিষ্ঠানগুলোকেও বাংলাদেশে বিনিয়োগে উৎসাহিত করবে বলে আশা ব্যক্ত করেন অর্থমন্ত্রী।