Advertisement Banner

অ্যাক্সিওসের প্রতিবেদন

যেকোনো সময় কিউবায় অভিযান চালাতে পারে যুক্তরাষ্ট্র

চরচা ডেস্ক
চরচা ডেস্ক
যেকোনো সময় কিউবায় অভিযান চালাতে পারে যুক্তরাষ্ট্র
ফাইল ছবি: রয়টার্স

ক্যারিবিয়ান অঞ্চলের দেশ কিউবায় যেকোনো সময় অভিযান চালাতে পারে যুক্তরাষ্ট্র। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিওর সাম্প্রতিক মন্তব্য থেকে এমন আভাস পাওয়া যাচ্ছে বলে জানিয়েছে মার্কিন সংবাদমাধ্যম অ্যাক্সিওস।

আজ মঙ্গলবার এক প্রতিবেদনে সংবাদমাধ্যমটি বলেছে, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প কিউবার সরকারের ওপর চাপ বৃদ্ধি করছেন। আর তিনি দেশটিতে হামলার যে হুমকি দিচ্ছেন সেটিও বাস্তবে রূপ নিতে পারে।

গত সপ্তাহে সংবাদমাধ্যম সিএনএন জানায়, চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি থেকে কিউবার ওপর নজরদারি বিমান চালানো বাড়িয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। এরমধ্যে গত সপ্তাহে দেশটির ওপর নতুন নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে ওয়াশিংটন। এর জেরে কিউবার পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, “গণহত্যার উদ্দেশ্যে এটি সাধারণ মানুষের ওপর সামগ্রিক শাস্তি।”

যুক্তরাষ্ট্রের জ্বালানি অবরোধের কারণে কিউবার অবস্থা গত কয়েক মাসে অত্যন্ত নাজুক হয়ে পড়েছে। ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে মার্কিন সেনারা তুলে নেওয়ার পর কিউবার অবস্থার আরও অবনতি হয় । কারণ ভেনেজুয়েলা থেকেই নিজেদের চাহিদার বেশিরভাগ তেল পেত দেশটি।

এদিকে অ্যাক্সিওসের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ব্রাজিলের প্রেসিডেন্ট লুলা দা সিলভা জানিয়েছেন, ট্রাম্প তাকে ব্যক্তিগতভাবে বলেছেন, কিউবায় হামলার কোনো পরিকল্পনা তার নেই।

কিন্তু গত শুক্রবার ট্রাম্প জানান, মধ্যপ্রাচ্য থেকে ফেরা একটি রণতরীকে কিউবার কাছে মোতায়েন করা হতে পারে। ট্রাম্প বলেন, রণতরী মোতায়েন এবং সেটি কিউবার কাছে নিয়ে গেলে দেশটি আত্মসমর্পণ করবে।

মধ্যপ্রাচ্যে ইরান যুদ্ধ শুরুর আগে কিউবায় হামলার শঙ্কা তৈরি হয়েছিল। কিন্তু যুক্তরাষ্ট্র তার মনোযোগ ইরানে নিয়ে গেলে তখন আর হামলা হয়নি।

যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডা ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির ইনস্টিটিউট ফর কিউবান স্টাডিজের ইন্টেরিম ডিরেক্টর সেবাস্টিয়ান একরোস অ্যাক্সিওসকে বলেন, ট্রাম্প কিউবায় সরাসরি সেনা মোতায়েন করবেন বলে মনে করেন না তিনি। তবে ইরানের মতো ‘দূরপাল্লার সামরিক পদক্ষেপ’ নিতে পারেন। এসব পদক্ষেপ শাসনব্যবস্থাকে নাড়িয়ে দিতে, নেতৃত্বে ফাটল ধরাতে এবং নতুন নেতৃত্বের উত্থানের সুযোগ তৈরি করতে পারে।

এই বিশেষজ্ঞ আরও বলেন, আগামী ২০ মে কিউবার স্বাধীনতা দিবস। ওইদিন কিউবায় যুক্তরাষ্ট্রের দখলদারত্বের অবসান ঘটেছিল। ওই সময়কে ঘিরে কোনো ঘটনা ঘটতে পারে বলেও তিনি ইঙ্গিত দেন।

সম্পর্কিত