ভারতের এই দলের সবচেয়ে বিপজ্জনক দুই ব্যাটসম্যানের একজন ফিরলেন দ্রুতই। শেফালি ভার্মাকেও বারবার সমস্যায় ফেললেন বোলাররা, তবে হতাশ করলেন ফিল্ডাররা। একের পর এক ক্যাচ মিস করে ভারতকে চাপে ফেলার সুযোগ নষ্ট করলেন তারা। শেফালি করলেন ফিফটি, ভারত পেল বিশাল স্কোর। রান তাড়ায় ব্যাটসম্যানরা যেন সামান্যতম লড়াইয়ের চেষ্টাই করতে চাইলেন না। খালি হাতেই তাই আসর শেষ হল বাংলাদেশের মেয়েদের।
নারী এশিয়া কাপের সেমিফাইনালে ভারতের কাছে পাত্তাই পায়নি বাংলাদেশ। ১৫০ রানের টার্গেটে কুড়ি ওভার ব্যাট করে ৭ উইকেটে মাত্র ১০৯ রান করতে পেরেছে নিগার সুলতানার দল।
অথচ ম্যাচের আগে বাংলাদেশ অধিনায়ক বলেছিলেন, ভারতের বিপক্ষে সব বিভাগে সেরাটা উজাড় করে দিবেন তারা। বোলাররা অবশ্য তাদের কাজটা করেছিলেন ঠিকঠাকই। আক্রমণে এসেই তারকা ওপেনার স্মৃতি মান্ধানাকে মাত্র ২ রানে ক্যাচে ফেরান স্বর্ণা আক্তার।
১০ রানের মধ্যেই দুইবার ক্যাচ দিয়েছিলেন শেফালি, কিন্তু দুইবারই ফিল্ডারদের ব্যর্থতায় বেঁচে যান তিনি। ৫০ রানে আরও একবার নতুন জীবন পান তিনি। এক শেফালির তিন ক্যাচ মিসের পাশাপাশি এদিন রান আউটের সহজ সুযোগও মিস করেছে বাংলাদেশ।
ভারতের মত দলের বিপক্ষে এত ভুল করে পার পাওয়া যায় বা। শেফালির ৬৪ রানের পরও ভারতের ইনিংসে ১৫০ পার হয়নি মূলত স্পিনারদের দৃঢ়তায়।
তবে ফিল্ডারদের পর তাদের চূড়ান্ত হতাশ করেন ব্যাটসম্যানরা। সেমিফাইনাল ম্যাচ, হারলেই বিদায়, এমন সমীকরণেও একজনের মাঝেও দেখা যায়নি জয়ের তাড়না। রয়েসয়ে ব্যাট করেছেন প্রায় সবাই।
টপ অর্ডারের চারজনই দুই অঙ্কের ঘরে গেলেও কেউই পারেননি কার্যকর ইনিংস খেলতে। ফর্মে থাকা সোবহানা মোস্তারি তিনে নেমে ২৪ বলে ১৮ করে দলের ওপর চাপ বাড়ান। অভিজ্ঞ নিগার ১৯ রান করতে বল খেলেন ১৭টি।
শেষের দিকে স্বর্ণা আক্তার ২২ রানের ক্যামিও না খেললে দলীয় স্কোর ১০০ পার করাটাই কঠিন হয়ে যেত বাংলাদেশের জন্য।