চরচা প্রতিবেদক

রাজধানীর সবুজবাগে পলাশ (৩৪) নামে এক যুবককে কুপিয়ে হত্যা করা হয়েছে। গতকাল মঙ্গলবার রাত ৮টার দিকে রাজারবাগ বাজারের পানির পাম্প সংলগ্ন একটি মুদি দোকানের সামনে এ ঘটনা ঘটে।
গুরুতর আহত অবস্থায় পলাশকে প্রথমে মুগদা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। পরে সেখান থেকে উন্নত চিকিৎসার জন্য রাত সাড়ে ৯টার দিকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের জরুরি বিভাগের ওয়ান স্টপ ইমারজেন্সি সেন্টারে (ওসেক) নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
আবুল কাশেমের ছেলে পলাশ লক্ষ্মীপুরের রায়পুর উপজেলার সোনাপুর গ্রামের বাসিন্দা ছিলেন। তিনি পরিবারের সঙ্গে সবুজবাগের মাদারটেক এলাকায় থাকতেন এবং পেশায় প্রাইভেটকার চালক ছিলেন।
পলাশকে হাসপাতালে নিয়ে আসা প্রতিবেশী হীরা জানান, রাত ৮টার দিকে রাজারবাগ বাজারের পানির পাম্পের পাশে একটি মুদি দোকানে বসে ছিলেন পলাশ। এ সময় পূর্বশত্রুতার জেরে স্থানীয় রয়েল, সবুজ, নাঈমসহ ১০ থেকে ১২ জন ধারালো অস্ত্র নিয়ে তার ওপর হামলা চালায়। কুপিয়ে পলাশের দুই হাতের কব্জি বিচ্ছিন্ন করা হয় এবং বুকে ও মাথায় আঘাত করে গুরুতর জখম করা হয়। পরে হামলাকারীরা ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়।
ঘটনার পরপরই প্রতিবেশীরা রক্তাক্ত অবস্থায় তাকে প্রথমে মুগদা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ও পরে ঢামেক হাসপাতালে নেয়।
ঢামেক হাসপাতালের পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ (পরিদর্শক) মো. ফারুক চিকিৎসকের বরাত দিয়ে মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, মরদেহ হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে এবং বিষয়টি সংশ্লিষ্ট থানা-পুলিশকে জানানো হয়েছে।

রাজধানীর সবুজবাগে পলাশ (৩৪) নামে এক যুবককে কুপিয়ে হত্যা করা হয়েছে। গতকাল মঙ্গলবার রাত ৮টার দিকে রাজারবাগ বাজারের পানির পাম্প সংলগ্ন একটি মুদি দোকানের সামনে এ ঘটনা ঘটে।
গুরুতর আহত অবস্থায় পলাশকে প্রথমে মুগদা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। পরে সেখান থেকে উন্নত চিকিৎসার জন্য রাত সাড়ে ৯টার দিকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের জরুরি বিভাগের ওয়ান স্টপ ইমারজেন্সি সেন্টারে (ওসেক) নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
আবুল কাশেমের ছেলে পলাশ লক্ষ্মীপুরের রায়পুর উপজেলার সোনাপুর গ্রামের বাসিন্দা ছিলেন। তিনি পরিবারের সঙ্গে সবুজবাগের মাদারটেক এলাকায় থাকতেন এবং পেশায় প্রাইভেটকার চালক ছিলেন।
পলাশকে হাসপাতালে নিয়ে আসা প্রতিবেশী হীরা জানান, রাত ৮টার দিকে রাজারবাগ বাজারের পানির পাম্পের পাশে একটি মুদি দোকানে বসে ছিলেন পলাশ। এ সময় পূর্বশত্রুতার জেরে স্থানীয় রয়েল, সবুজ, নাঈমসহ ১০ থেকে ১২ জন ধারালো অস্ত্র নিয়ে তার ওপর হামলা চালায়। কুপিয়ে পলাশের দুই হাতের কব্জি বিচ্ছিন্ন করা হয় এবং বুকে ও মাথায় আঘাত করে গুরুতর জখম করা হয়। পরে হামলাকারীরা ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়।
ঘটনার পরপরই প্রতিবেশীরা রক্তাক্ত অবস্থায় তাকে প্রথমে মুগদা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ও পরে ঢামেক হাসপাতালে নেয়।
ঢামেক হাসপাতালের পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ (পরিদর্শক) মো. ফারুক চিকিৎসকের বরাত দিয়ে মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, মরদেহ হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে এবং বিষয়টি সংশ্লিষ্ট থানা-পুলিশকে জানানো হয়েছে।