সংযুক্ত আরব আমিরাতে (ইউএই) আটক সাবেক মহাপরিদর্শক (আইজিপি) বেনজীর আহমেদকে দেশে ফিরিয়ে আনতে আরব আমিরাত কর্তৃপক্ষের চাওয়া নির্দিষ্ট তথ্য-প্রমাণ ও প্রয়োজনীয় নথিপত্র সরবরাহ করেছে ঢাকা। এখন মধ্যপ্রাচ্যের দেশটির আইনি প্রক্রিয়ার ওপরই নির্ভর করছে বহুল আলোচিত এই সাবেক পুলিশ প্রধানের দ্রুত প্রত্যাবাসন।
আজ রোববার রাজধানীতে এক অনুষ্ঠান শেষে বার্তা সংস্থা ইউএনবিকে এ তথ্য নিশ্চিত করেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম।
তিনি বলেন, “উভয়পক্ষের মধ্যে নিরবচ্ছিন্ন যোগাযোগ বজায় রাখা হচ্ছে। ইউএই সরকারের নির্দিষ্ট তথ্যের চাহিদানুযায়ী নথিপত্র পাঠিয়েছে বাংলাদেশ। আমরা আশা করছি, সব আইনি ও প্রাতিষ্ঠানিক ধাপ অতিক্রম করে দ্রুতই তাকে দেশে ফিরিয়ে আনা সম্ভব হবে।”
এর আগে সাবেক এই আইজিপিকে সংযুক্ত আরব আমিরাত থেকে ফিরিয়ে আনার প্রক্রিয়া শুরু করার কথা নিশ্চিত করেন প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির।
অন্যদিকে, বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে বেনজীর আহমেদের জামিনে মুক্তি পাওয়ার খবরের বিষয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় প্রয়োজনীয় তথ্য যাচাই ও পরবর্তী আলোচনা চালাচ্ছে বলে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে।
দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) দায়ের করা মামলার সূত্র ধরে দুবাই পুলিশ সাবেক এই পুলিশ প্রধানকে গ্রেপ্তার করে। এরপর গত ১২ জুন আমিরাত কর্তৃপক্ষ বাংলাদেশ সরকারকে গ্রেপ্তারের বিষয়টি আনুষ্ঠানিকভাবে অবহিত করে, যা পরবর্তীতে ১৪ জুন জাতীয় সংসদে উন্মোচন করেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদ। ২০২৫ সালের এপ্রিলে ইন্টারপোল তার বিরুদ্ধে রেড নোটিশ জারি করেছিল