চরচা প্রতিবেদক

প্রতারণা ও জালিয়াতির অভিযোগে দায়ের করা মামলায় সময় টেলিভিশনের সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) আহমেদ জোবায়েরের জামিন আবেদন নামঞ্জুর করেছেন আদালত।
আজ রোববার দুপুরে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. রাকিবুল হাসান আসামিপক্ষের আইনজীবীর করা জামিন আবেদন শুনানি শেষে তা নাকচ করে দেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সংশ্লিষ্ট আদালতের বেঞ্চ সহকারী আলমগীর হোসাইন।
এর আগে গত ১২ জুলাই একই মামলায় আহমেদ জোবায়েরের জামিন আবেদন নামঞ্জুর করেছিলেন আদালত।
মামলার নথি অনুযায়ী, গত ১৮ জুন আত্মসমর্পণ করলে ঢাকার এডিশনাল চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জাকির হোসাইনের আদালত তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। ওইদিন মামলার তিন আসামি আহমেদ রাফিদ কাদের ঋভু, শেখ মাহমুদ ইয়াসিন ও সানি চৌধুরীর জামিন মঞ্জুর করা হয়।
এর আগে আদালতের সমন উপেক্ষা করায় গত ১৭ জুন আহমেদ জোবায়েরসহ ছয় আসামির বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করা হয়। পরে চার আসামি আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন আবেদন করলে আদালত শুনানি শেষে আদেশ দেন।
প্রতারণা, বিশ্বাসভঙ্গ ও কাগজপত্র জালিয়াতির অভিযোগে গত ১০ মে আহমেদ জোবায়েরসহ ছয়জনের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা করেন সৈয়দ আসাদুজ্জামান। ওইদিনই আদালত আসামিদের বিরুদ্ধে সমন জারি করে ১৭ জুনের মধ্যে হাজির হওয়ার নির্দেশ দেন।
নির্ধারিত সময়ে আসামিরা আদালতে হাজির না হওয়ায় বিচারক তাদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন। মামলায় পরোয়ানাভুক্ত অন্য দুই আসামি হলেন আহমেদ জোবায়েরের স্ত্রী শামীমা সুলতানা চৌধুরী এবং সন্তান সারাফ নাওয়ার জয়ীতা।

প্রতারণা ও জালিয়াতির অভিযোগে দায়ের করা মামলায় সময় টেলিভিশনের সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) আহমেদ জোবায়েরের জামিন আবেদন নামঞ্জুর করেছেন আদালত।
আজ রোববার দুপুরে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. রাকিবুল হাসান আসামিপক্ষের আইনজীবীর করা জামিন আবেদন শুনানি শেষে তা নাকচ করে দেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সংশ্লিষ্ট আদালতের বেঞ্চ সহকারী আলমগীর হোসাইন।
এর আগে গত ১২ জুলাই একই মামলায় আহমেদ জোবায়েরের জামিন আবেদন নামঞ্জুর করেছিলেন আদালত।
মামলার নথি অনুযায়ী, গত ১৮ জুন আত্মসমর্পণ করলে ঢাকার এডিশনাল চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জাকির হোসাইনের আদালত তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। ওইদিন মামলার তিন আসামি আহমেদ রাফিদ কাদের ঋভু, শেখ মাহমুদ ইয়াসিন ও সানি চৌধুরীর জামিন মঞ্জুর করা হয়।
এর আগে আদালতের সমন উপেক্ষা করায় গত ১৭ জুন আহমেদ জোবায়েরসহ ছয় আসামির বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করা হয়। পরে চার আসামি আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন আবেদন করলে আদালত শুনানি শেষে আদেশ দেন।
প্রতারণা, বিশ্বাসভঙ্গ ও কাগজপত্র জালিয়াতির অভিযোগে গত ১০ মে আহমেদ জোবায়েরসহ ছয়জনের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা করেন সৈয়দ আসাদুজ্জামান। ওইদিনই আদালত আসামিদের বিরুদ্ধে সমন জারি করে ১৭ জুনের মধ্যে হাজির হওয়ার নির্দেশ দেন।
নির্ধারিত সময়ে আসামিরা আদালতে হাজির না হওয়ায় বিচারক তাদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন। মামলায় পরোয়ানাভুক্ত অন্য দুই আসামি হলেন আহমেদ জোবায়েরের স্ত্রী শামীমা সুলতানা চৌধুরী এবং সন্তান সারাফ নাওয়ার জয়ীতা।