চরচা প্রতিবেদক

সরকার দেশের অভ্যন্তরীণ নৌযানে যাত্রী পরিবহনের ভাড়া পুনঃনির্ধারণ করেছে। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, প্রথম ১০০ কিলোমিটার দূরত্বের জন্য প্রতি কিলোমিটারে জনপ্রতি ভাড়া ২ দশমিক ৭৭ টাকা থেকে ১৮ পয়সা বাড়িয়ে ২ দশমিক ৯৫ টাকা করা হয়েছে।
নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের টিএ শাখার এক প্রজ্ঞাপনে এ কথা জানানো হয়। গতকাল বুধবার এ সংক্রান্ত গেজেট প্রকাশিত হয়েছে।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, ‘বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন (নৌরুট, পারমিট, সময়সূচি ও ভাড়া নির্ধারণ) বিধিমালা, ২০১৯’-এর বিধি ২৭ মোতাবেক সরকার যাত্রীভাড়ার এই নতুন হার নির্ধারণ করেছে।
প্রজ্ঞাপনে আরও বলা হয়েছে, ১০০ কিলোমিটারের অধিক দূরত্বের জন্য প্রতি কিলোমিটারে জনপ্রতি ভাড়া ২ দশমিক ৩৮ টাকা থেকে ১৪ পয়সা বাড়িয়ে ২ দশমিক ৫২ টাকা করা হয়েছে।
আর জনপ্রতি সর্বনিম্ন যাত্রীভাড়া ২৯ টাকা থেকে ৩ টাকা বাড়িয়ে ৩২ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
জনস্বার্থে পুনঃনির্ধারিত এই ভাড়ার হার ২০২৬ সালের ৫ মে থেকেই কার্যকর বলে প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়।

সরকার দেশের অভ্যন্তরীণ নৌযানে যাত্রী পরিবহনের ভাড়া পুনঃনির্ধারণ করেছে। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, প্রথম ১০০ কিলোমিটার দূরত্বের জন্য প্রতি কিলোমিটারে জনপ্রতি ভাড়া ২ দশমিক ৭৭ টাকা থেকে ১৮ পয়সা বাড়িয়ে ২ দশমিক ৯৫ টাকা করা হয়েছে।
নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের টিএ শাখার এক প্রজ্ঞাপনে এ কথা জানানো হয়। গতকাল বুধবার এ সংক্রান্ত গেজেট প্রকাশিত হয়েছে।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, ‘বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন (নৌরুট, পারমিট, সময়সূচি ও ভাড়া নির্ধারণ) বিধিমালা, ২০১৯’-এর বিধি ২৭ মোতাবেক সরকার যাত্রীভাড়ার এই নতুন হার নির্ধারণ করেছে।
প্রজ্ঞাপনে আরও বলা হয়েছে, ১০০ কিলোমিটারের অধিক দূরত্বের জন্য প্রতি কিলোমিটারে জনপ্রতি ভাড়া ২ দশমিক ৩৮ টাকা থেকে ১৪ পয়সা বাড়িয়ে ২ দশমিক ৫২ টাকা করা হয়েছে।
আর জনপ্রতি সর্বনিম্ন যাত্রীভাড়া ২৯ টাকা থেকে ৩ টাকা বাড়িয়ে ৩২ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
জনস্বার্থে পুনঃনির্ধারিত এই ভাড়ার হার ২০২৬ সালের ৫ মে থেকেই কার্যকর বলে প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়।

মাদ্রাসার শিক্ষক মো. আকাশ জানান, বিকেলে হঠাৎ বৈদ্যুতিক বোর্ড থেকে বিকট শব্দে বিস্ফোরণ ঘটে। বিস্ফোরণের তীব্রতায় কক্ষের দেয়ালের একটি অংশ ধসে পড়ে এবং সঙ্গে সঙ্গে আগুন ধরে যায়। ওই সময় কয়েকজন শিক্ষার্থী কক্ষে ঘুমিয়ে ছিল। ফলে তারা ধ্বংসস্তূপের ভেতরে আটকা পড়ে দগ্ধ ও আহত হয়।

চিফ হুইপ নুরুল ইসলাম জানান, সংসদ ভবনে পানি পড়ার বিষয়টি গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন। বিষয়টি নিয়ে ইতোমধ্যেই সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলা হয়েছে। ভবনের যতগুলো জায়গা থেকে পানি পড়ার সমস্যা রয়েছে, তা মেরামতের কাজ শুরু করেছে গণপূর্ত মন্ত্রণালয়।