সিলেট প্রতিনিধি

দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বন্যা পরিস্থিতি ও শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলনের বক্তব্যে বিক্ষোভ প্রকাশ করে মিছিল করেছে সিলেটের শিক্ষার্থীরা।
আজ মঙ্গলবার সিলেটের বিভিন্ন সড়ক ঘুরে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে সমাবেশ করে।
এ সময় বিক্ষোভ স্লোগানে শিক্ষার্থীরা, ‘তুমি কে, আমি কে?/পোল্ট্রি পোল্ট্রি! কে বলেছে, কে বলেছে?-শিক্ষামন্ত্রী, শিক্ষামন্ত্রী! আমাদের দাবী মাইনা নে,- নইলে গদি ছাইড়া দে!” সহ বিভিন্ন স্লোগান দেয়।
সমাবেশে এসএসসি, আলিম ও সমমান পরীক্ষার্থীরা শিক্ষার সুষ্ঠু পরিবেশ, ন্যায় সিদ্ধান্ত ও শিক্ষার্থীদের অধিকারের দাবি জানিয়ে জানান, দেশে বন্যা বৈরী আবহাওয়ায় পরীক্ষা স্থগিত রাখতে হবে।
অন্যদিকে, প্রতিকূল আবহাওয়া পরীক্ষা খারাপ হচ্ছে জানিয়ে শিক্ষার্থীরা বলেন, “এই ঝড় বৃষ্টিতে ভিজে পরীক্ষা দিতে এসে জ্বর সর্দি কাশিতে আক্রান্ত হলে আমাদের পরের পরীক্ষা খারাপ হলে এর দায় কে নেবে?”
মাহাদী নামে এক শিক্ষার্থী বলেন, “এই যদি হয় শিক্ষামন্ত্রীর ইংল্যান্ড আমেরিকার মানের পড়াশোনা। তাহলে আমাদের জীবন শেষ। ঝড় বৃষ্টিতে রিকশা সিএনজি পাই না, এর মধ্যে পরীক্ষা। এসব কারণে যাচ্ছে তাই রুটিন বাজে পরীক্ষা হচ্ছে।”
এছাড়াও প্রশ্নমান ঠিক করতে হবে জানিয়ে সুমাইয়া নামের এক শিক্ষার্থী বলেন, “এই পর্যন্ত যতগুলো এসএসসি ব্যাচ আছে এর মধ্যে আমাদের মতো বৈষম্যের শিকার কেউ হয়নি।”
আরেক শিক্ষার্থী বলেন, “শিক্ষামন্ত্রী বলেছেন আমরা নাকি পোলট্রি মুরগি! ২৪-এর জুলাইয়ে আমরা দেখিয়ে দিয়েছি আমরা স্টুডেন্ট।”

দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বন্যা পরিস্থিতি ও শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলনের বক্তব্যে বিক্ষোভ প্রকাশ করে মিছিল করেছে সিলেটের শিক্ষার্থীরা।
আজ মঙ্গলবার সিলেটের বিভিন্ন সড়ক ঘুরে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে সমাবেশ করে।
এ সময় বিক্ষোভ স্লোগানে শিক্ষার্থীরা, ‘তুমি কে, আমি কে?/পোল্ট্রি পোল্ট্রি! কে বলেছে, কে বলেছে?-শিক্ষামন্ত্রী, শিক্ষামন্ত্রী! আমাদের দাবী মাইনা নে,- নইলে গদি ছাইড়া দে!” সহ বিভিন্ন স্লোগান দেয়।
সমাবেশে এসএসসি, আলিম ও সমমান পরীক্ষার্থীরা শিক্ষার সুষ্ঠু পরিবেশ, ন্যায় সিদ্ধান্ত ও শিক্ষার্থীদের অধিকারের দাবি জানিয়ে জানান, দেশে বন্যা বৈরী আবহাওয়ায় পরীক্ষা স্থগিত রাখতে হবে।
অন্যদিকে, প্রতিকূল আবহাওয়া পরীক্ষা খারাপ হচ্ছে জানিয়ে শিক্ষার্থীরা বলেন, “এই ঝড় বৃষ্টিতে ভিজে পরীক্ষা দিতে এসে জ্বর সর্দি কাশিতে আক্রান্ত হলে আমাদের পরের পরীক্ষা খারাপ হলে এর দায় কে নেবে?”
মাহাদী নামে এক শিক্ষার্থী বলেন, “এই যদি হয় শিক্ষামন্ত্রীর ইংল্যান্ড আমেরিকার মানের পড়াশোনা। তাহলে আমাদের জীবন শেষ। ঝড় বৃষ্টিতে রিকশা সিএনজি পাই না, এর মধ্যে পরীক্ষা। এসব কারণে যাচ্ছে তাই রুটিন বাজে পরীক্ষা হচ্ছে।”
এছাড়াও প্রশ্নমান ঠিক করতে হবে জানিয়ে সুমাইয়া নামের এক শিক্ষার্থী বলেন, “এই পর্যন্ত যতগুলো এসএসসি ব্যাচ আছে এর মধ্যে আমাদের মতো বৈষম্যের শিকার কেউ হয়নি।”
আরেক শিক্ষার্থী বলেন, “শিক্ষামন্ত্রী বলেছেন আমরা নাকি পোলট্রি মুরগি! ২৪-এর জুলাইয়ে আমরা দেখিয়ে দিয়েছি আমরা স্টুডেন্ট।”