চরচা প্রতিবেদক

২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটে কীটনাশক ও বালাইনাশক উৎপাদনের ৩৬টি কাঁচামাল আমদানিতে মূল্য সংযোজন কর (ভ্যাট) প্রত্যাহারের প্রস্তাব করা হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার বিকেলে সংসদে বাজেট পেশ করেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।
অর্থমন্ত্রী বলেন, “দেশে স্থানীয়ভাবে কীটনাশক ও বালাইনাশক উৎপাদনকে উৎসাহ দিতে কীটনাশক উৎপাদনে রেয়াতি সুবিধা প্রদান সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপনে ৩৬টি কাঁচামাল আমদানিতে মূল্য সংযোজন কর পুরোপুরি মওকুফ করে শূণ্য শতাংশ করার প্রস্তাব করছি।”
অর্থমন্ত্রী আরও বলেন, “স্থানীয়ভাবে জিংক সালফেট সার উৎপাদনে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জন এবং দেশীয় শিল্পকে উৎসাহিত করার উদ্দেশ্যে এর মূল কাঁচামাল জিংক অ্যাশ আমদানিতে বিদ্যমান আমদানি শুল্ক সম্পূর্ণ মওকুফ করে শূণ্য শতাংশ করার প্রস্তাব করছি।”
এছাড়া বাজেটে সার উৎপাদনের কাঁচামাল আমদানিতেও রেয়াতি সুবিধা প্রদান করা হয়েছে বলেও জানান অর্থমন্ত্রী।
বাজেট অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিজয়ের পর বিএনপি সরকারের এটিই প্রথম বাজেট।

২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটে কীটনাশক ও বালাইনাশক উৎপাদনের ৩৬টি কাঁচামাল আমদানিতে মূল্য সংযোজন কর (ভ্যাট) প্রত্যাহারের প্রস্তাব করা হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার বিকেলে সংসদে বাজেট পেশ করেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।
অর্থমন্ত্রী বলেন, “দেশে স্থানীয়ভাবে কীটনাশক ও বালাইনাশক উৎপাদনকে উৎসাহ দিতে কীটনাশক উৎপাদনে রেয়াতি সুবিধা প্রদান সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপনে ৩৬টি কাঁচামাল আমদানিতে মূল্য সংযোজন কর পুরোপুরি মওকুফ করে শূণ্য শতাংশ করার প্রস্তাব করছি।”
অর্থমন্ত্রী আরও বলেন, “স্থানীয়ভাবে জিংক সালফেট সার উৎপাদনে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জন এবং দেশীয় শিল্পকে উৎসাহিত করার উদ্দেশ্যে এর মূল কাঁচামাল জিংক অ্যাশ আমদানিতে বিদ্যমান আমদানি শুল্ক সম্পূর্ণ মওকুফ করে শূণ্য শতাংশ করার প্রস্তাব করছি।”
এছাড়া বাজেটে সার উৎপাদনের কাঁচামাল আমদানিতেও রেয়াতি সুবিধা প্রদান করা হয়েছে বলেও জানান অর্থমন্ত্রী।
বাজেট অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিজয়ের পর বিএনপি সরকারের এটিই প্রথম বাজেট।

অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, বিনিয়োগ ও অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি সহায়ক একটি ন্যায়সংগত, স্বচ্ছ এবং প্রযুক্তিভিত্তিক কর ব্যবস্থার মাধ্যমে ২০৩৪ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে এক ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতিতে রূপান্তর করার লক্ষ্য নিয়েছে সরকার।