চরচা প্রতিবেদক

দেশে হামের প্রাদুর্ভাব বাড়ছে। নতুন করে ২ জন এবং হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৫ জনের মৃত্যু হয়েছে বলে জানিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। আজ সোমবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তারের নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্র থেকে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গতকাল রোববার সকাল ৮টা থেকে আজ সোমবার সকাল ৮টা পর্যন্ত সারা দেশে নতুন করে ১ হাজার ২৮২ জন সন্দেহভাজন হাম রোগী শনাক্ত হয়েছেন। এর মধ্যে ১৮০ জনের শরীরে হাম নিশ্চিত হয়েছে।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, গত ১৫ মার্চ থেকে ৬ এপ্রিল পর্যন্ত দেশে মোট হাম রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ৯৯ জনে। একই সময়ে সন্দেহভাজন আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ৮ হাজার ৫৩৪ জন।
১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত নিশ্চিতভাবে হামে আক্রান্ত হয়ে ২০ জনের মৃত্যু হয়েছে। অন্যদিকে সন্দেহজনক হামে মারা গেছেন আরও ১১৮ জন।
বিভাগভিত্তিক পরিসংখ্যানে দেখা গেছে, সবচেয়ে বেশি আক্রান্ত ঢাকা বিভাগে। এখানে মোট ৩ হাজার ৬৫২ জন হাম সন্দেহে আক্রান্ত হয়েছেন, যার মধ্যে ৬১১ জনের শরীরে হাম নিশ্চিত হয়েছে।
তবে এ সময় ৬ হাজার ১৬ জন রোগী সুস্থ হয়েছেন।

দেশে হামের প্রাদুর্ভাব বাড়ছে। নতুন করে ২ জন এবং হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৫ জনের মৃত্যু হয়েছে বলে জানিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। আজ সোমবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তারের নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্র থেকে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গতকাল রোববার সকাল ৮টা থেকে আজ সোমবার সকাল ৮টা পর্যন্ত সারা দেশে নতুন করে ১ হাজার ২৮২ জন সন্দেহভাজন হাম রোগী শনাক্ত হয়েছেন। এর মধ্যে ১৮০ জনের শরীরে হাম নিশ্চিত হয়েছে।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, গত ১৫ মার্চ থেকে ৬ এপ্রিল পর্যন্ত দেশে মোট হাম রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ৯৯ জনে। একই সময়ে সন্দেহভাজন আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ৮ হাজার ৫৩৪ জন।
১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত নিশ্চিতভাবে হামে আক্রান্ত হয়ে ২০ জনের মৃত্যু হয়েছে। অন্যদিকে সন্দেহজনক হামে মারা গেছেন আরও ১১৮ জন।
বিভাগভিত্তিক পরিসংখ্যানে দেখা গেছে, সবচেয়ে বেশি আক্রান্ত ঢাকা বিভাগে। এখানে মোট ৩ হাজার ৬৫২ জন হাম সন্দেহে আক্রান্ত হয়েছেন, যার মধ্যে ৬১১ জনের শরীরে হাম নিশ্চিত হয়েছে।
তবে এ সময় ৬ হাজার ১৬ জন রোগী সুস্থ হয়েছেন।

এ সময় শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন ধরনের স্লোগান দিতে থাকে। যার মধ্যে ছিল, আবরারের হত্যাকারীদের পক্ষে আইনি লড়াই করা গাদ্দারের ঠিকানা রাবি ক্যাম্পাসে হবে না, বিজয় দিবস মানে না, টাকলা ফুয়াদের জায়গা, জোহা স্যারের ক্যাম্পাসে হবে না, হবে না, জুলাই গাদ্দারের ঠিকানা এ ক্যাম্পাসে হবে না হবে না ইত্যাদি ।

জাতিসংঘের বর্ণবৈষম্যবিরোধী কমিটিও সম্প্রতি উদ্বেগ প্রকাশ করে জানিয়েছে, আসামের বাংলা ভাষাভাষী মুসলমানরা বৈষম্য, উচ্ছেদ এবং ঘৃণামূলক বক্তব্যের শিকার হচ্ছেন। ২০২১ সাল থেকে ২০২৬ সালের শুরু পর্যন্ত ২০ হাজারের বেশি স্থাপনা ভেঙে দেওয়া হয়েছে এবং বিপুল সংখ্যক পরিবার উচ্ছেদ হয়েছে।