সিলেট প্রতিনিধি

সিলেট নগরী থেকে অপহরণের পর মুক্তিপণ দাবি করার অভিযোগে ১০ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এসময় তাদের কাছ থেকে এক অপহৃত ব্যক্তিকে উদ্ধার করা হয়েছে।
পুলিশ জানায়, গত শনিবার সন্ধ্যা ছয়টার দিকে কোতোয়ালী মডেল থানাধীন তাঁতিপাড়া পয়েন্ট এলাকা থেকে সুনামগঞ্জ জেলার দিরাই উপজেলার মাহতাবপুর গ্রামের সুহেল সরকারকে ১৪ থেকে ১৫ জন দুর্বৃত্ত জোরপূর্বক অপহরণ করে।
পরে তাকে নগরের তাঁতিপাড়া এলাকার নাজমা নিবাস নামের একটি বিল্ডিংয়ের দ্বিতীয় তলায় নিয়ে আটকে রাখা হয়। সেখানে ধারালো চাকু ও কাঁচি দেখিয়ে ভয়ভীতি প্রদর্শন করা হয় এবং লোহার রড ও স্টিক দিয়ে মারধর করা হয়। একপর্যায়ে তার কাছ থেকে ৫০ হাজার টাকা মুক্তিপণ দাবি করা হয় এবং ব্যবহৃত একটি মোবাইল ফোন নিয়ে নেওয়া হয়। দীর্ঘ দুই ঘণ্টা আটকের পর মুক্তিপণ আদায়ের চেষ্টা করে।
পুলিশ আরও জানায়, সুহেলের আপত্তিকর ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভিডিও ছড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দিয়ে তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়।
পরে সুহেল সরকার বিষয়টি কোতোয়ালী মডেল থানাকে জানালে পুলিশ তাঁতিপাড়ায় অভিযান চালানো হয়। এসময় ১০ জনকে ঘটনাস্থল থেকে আটক করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
অভিযানের সময় সেই বাসা থেকে আরও একজন অপহৃত ব্যক্তিকে উদ্ধার করা হয়। দ্বিতীয় অপহৃত ব্যক্তি হলেন গোলাপগঞ্জ উপজেলার বাদেপাশা এলাকার জাহিদ আহমদ (৪২)।
পুলিশ বলছে, আটককৃতদের কাছ থেকে দুই অপহৃত ব্যক্তির দুটি মোবাইল ফোন, নগদ টাকা এবং ঘটনায় ব্যবহৃত কাঁচি, চাকু ও লোহার রুল উদ্ধার করা হয়েছে।
এ ঘটনায় কোতোয়ালী মডেল থানায় একটি মামলা দায়ের করে অপহরণকারীদের আদালতে পাঠানো হয় বলে জানিয়েছেন অতিরিক্ত উপ-কমিশনার (মিডিয়া) কর্মকর্তা মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম ।

সিলেট নগরী থেকে অপহরণের পর মুক্তিপণ দাবি করার অভিযোগে ১০ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এসময় তাদের কাছ থেকে এক অপহৃত ব্যক্তিকে উদ্ধার করা হয়েছে।
পুলিশ জানায়, গত শনিবার সন্ধ্যা ছয়টার দিকে কোতোয়ালী মডেল থানাধীন তাঁতিপাড়া পয়েন্ট এলাকা থেকে সুনামগঞ্জ জেলার দিরাই উপজেলার মাহতাবপুর গ্রামের সুহেল সরকারকে ১৪ থেকে ১৫ জন দুর্বৃত্ত জোরপূর্বক অপহরণ করে।
পরে তাকে নগরের তাঁতিপাড়া এলাকার নাজমা নিবাস নামের একটি বিল্ডিংয়ের দ্বিতীয় তলায় নিয়ে আটকে রাখা হয়। সেখানে ধারালো চাকু ও কাঁচি দেখিয়ে ভয়ভীতি প্রদর্শন করা হয় এবং লোহার রড ও স্টিক দিয়ে মারধর করা হয়। একপর্যায়ে তার কাছ থেকে ৫০ হাজার টাকা মুক্তিপণ দাবি করা হয় এবং ব্যবহৃত একটি মোবাইল ফোন নিয়ে নেওয়া হয়। দীর্ঘ দুই ঘণ্টা আটকের পর মুক্তিপণ আদায়ের চেষ্টা করে।
পুলিশ আরও জানায়, সুহেলের আপত্তিকর ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভিডিও ছড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দিয়ে তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়।
পরে সুহেল সরকার বিষয়টি কোতোয়ালী মডেল থানাকে জানালে পুলিশ তাঁতিপাড়ায় অভিযান চালানো হয়। এসময় ১০ জনকে ঘটনাস্থল থেকে আটক করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
অভিযানের সময় সেই বাসা থেকে আরও একজন অপহৃত ব্যক্তিকে উদ্ধার করা হয়। দ্বিতীয় অপহৃত ব্যক্তি হলেন গোলাপগঞ্জ উপজেলার বাদেপাশা এলাকার জাহিদ আহমদ (৪২)।
পুলিশ বলছে, আটককৃতদের কাছ থেকে দুই অপহৃত ব্যক্তির দুটি মোবাইল ফোন, নগদ টাকা এবং ঘটনায় ব্যবহৃত কাঁচি, চাকু ও লোহার রুল উদ্ধার করা হয়েছে।
এ ঘটনায় কোতোয়ালী মডেল থানায় একটি মামলা দায়ের করে অপহরণকারীদের আদালতে পাঠানো হয় বলে জানিয়েছেন অতিরিক্ত উপ-কমিশনার (মিডিয়া) কর্মকর্তা মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম ।