চরচা প্রতিবেদক

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অপরাজেয় বাংলা এলাকায় বজ্রপাতে দুজন শিক্ষার্থী আহত হয়েছেন। তারা হলেন মোছা. সুফিয়া আক্তার (২২) ও মোছা. ফারাহ আক্তার (২২)। দুজনই ইস্ট ওয়েস্ট ইউনিভার্সিটির শিক্ষার্থী।
আজ রোববার বিকেল সাড়ে পাঁচটার দিকে ঘটনাটি ঘটে। এতে দুই শিক্ষার্থী অচেতন হয়ে পড়েন। পরে তাদেরকে ঢাকা মেডিকেলের জরুরি বিভাগে নিয়ে গেলে নতুন ভবনের মেডিসিন ওয়ার্ডে ভর্তি দেন চিকিৎসক।
আহতদের সহপাঠী অগ্নিলা স্বর্ণালী জানান, “আজ বিকেলে বৃষ্টির সময় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অপরাজেয় বাংলা এলাকা দিয়ে যাওয়ার সময় বজ্রপাতে অচেতন হয়ে পড়ে। পরে বিষয়টি আমরা জানতে পেরে তাদের উদ্ধার করে নিয়ে আসি। বর্তমানে মেডিসিন ভবনে তাদের চিকিৎসা চলছে।”
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ (পরিদর্শক) মো. ফারুক জানান, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকা থেকে বজ্রপাতে দুই শিক্ষার্থীকে অচেতন অবস্থায় হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়েছিল। বর্তমানে মেডিসিন ভবনে তাদের চিকিৎসা চলছে। আমরা বিষয়টি সংশ্লিষ্ট থানা পুলিশকে অবহিত করেছি।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অপরাজেয় বাংলা এলাকায় বজ্রপাতে দুজন শিক্ষার্থী আহত হয়েছেন। তারা হলেন মোছা. সুফিয়া আক্তার (২২) ও মোছা. ফারাহ আক্তার (২২)। দুজনই ইস্ট ওয়েস্ট ইউনিভার্সিটির শিক্ষার্থী।
আজ রোববার বিকেল সাড়ে পাঁচটার দিকে ঘটনাটি ঘটে। এতে দুই শিক্ষার্থী অচেতন হয়ে পড়েন। পরে তাদেরকে ঢাকা মেডিকেলের জরুরি বিভাগে নিয়ে গেলে নতুন ভবনের মেডিসিন ওয়ার্ডে ভর্তি দেন চিকিৎসক।
আহতদের সহপাঠী অগ্নিলা স্বর্ণালী জানান, “আজ বিকেলে বৃষ্টির সময় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অপরাজেয় বাংলা এলাকা দিয়ে যাওয়ার সময় বজ্রপাতে অচেতন হয়ে পড়ে। পরে বিষয়টি আমরা জানতে পেরে তাদের উদ্ধার করে নিয়ে আসি। বর্তমানে মেডিসিন ভবনে তাদের চিকিৎসা চলছে।”
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ (পরিদর্শক) মো. ফারুক জানান, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকা থেকে বজ্রপাতে দুই শিক্ষার্থীকে অচেতন অবস্থায় হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়েছিল। বর্তমানে মেডিসিন ভবনে তাদের চিকিৎসা চলছে। আমরা বিষয়টি সংশ্লিষ্ট থানা পুলিশকে অবহিত করেছি।

আহতদের সহপাঠী অগ্নিলা স্বর্ণালী জানান, “আজ বিকেলে বৃষ্টির সময় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অপরাজেয় বাংলা এলাকা দিয়ে যাওয়ার সময় বজ্রপাতে অচেতন হয়ে পড়ে। পরে বিষয়টি আমরা জানতে পেরে তাদের উদ্ধার করে নিয়ে আসি। বর্তমানে মেডিসিন ভবনে তাদের চিকিৎসা চলছে।”