চরচা ডেস্ক

ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) রাজধানীতে বিশেষ অভিযানে তিনটি বিদেশি পিস্তল, ৬০ রাউন্ড গুলি ও বিপুল পরিমাণ মাদকসহ তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে।
গতকাল সোমবার রাতে কদমতলী থানার নতুন শ্যামপুর রেললাইন এলাকার একটি টিনশেড বাড়িতে অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয় বলে জানিয়েছে গোয়েন্দা রমনা বিভাগ।
গ্রেপ্তার তিনজন হলেন-মো. জাহাঙ্গীর আলম টিটু, মো. আব্দুর রাজ্জাক শানু এবং মো. মামুন। গোয়েন্দা রমনা বিভাগের অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার ও মাদক নিয়ন্ত্রণ টিম গোপন তথ্যের ভিত্তিতে এ অভিযান পরিচালনা করেন।
ডিবি জানায়, গ্রেপ্তাতারের সময় তাদের কাছ থেকে তিনটি বিদেশি পিস্তল, তিনটি ম্যাগাজিন, ৬০ রাউন্ড গুলি, ৮০০ পিস ইয়াবা এবং সাড়ে আট কেজি গাঁজা উদ্ধার করা হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা গেছে, তারা দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় সন্ত্রাসী কার্যক্রম ও মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত। উদ্ধার করা অস্ত্র তারা মাদক ব্যবসার স্পট নিয়ন্ত্রণ এবং বিভিন্ন অপরাধমূলক কাজে ব্যবহার করত।
পুলিশ জানায়, তিন আসামির বিরুদ্ধেই পূর্বে অস্ত্র ও মাদক আইনে একাধিক মামলা রয়েছে। এ ঘটনায় কদমতলী থানায় দুটি পৃথক মামলা দায়ের করা হয়েছে। গ্রেপ্তারদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে।

ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) রাজধানীতে বিশেষ অভিযানে তিনটি বিদেশি পিস্তল, ৬০ রাউন্ড গুলি ও বিপুল পরিমাণ মাদকসহ তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে।
গতকাল সোমবার রাতে কদমতলী থানার নতুন শ্যামপুর রেললাইন এলাকার একটি টিনশেড বাড়িতে অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয় বলে জানিয়েছে গোয়েন্দা রমনা বিভাগ।
গ্রেপ্তার তিনজন হলেন-মো. জাহাঙ্গীর আলম টিটু, মো. আব্দুর রাজ্জাক শানু এবং মো. মামুন। গোয়েন্দা রমনা বিভাগের অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার ও মাদক নিয়ন্ত্রণ টিম গোপন তথ্যের ভিত্তিতে এ অভিযান পরিচালনা করেন।
ডিবি জানায়, গ্রেপ্তাতারের সময় তাদের কাছ থেকে তিনটি বিদেশি পিস্তল, তিনটি ম্যাগাজিন, ৬০ রাউন্ড গুলি, ৮০০ পিস ইয়াবা এবং সাড়ে আট কেজি গাঁজা উদ্ধার করা হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা গেছে, তারা দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় সন্ত্রাসী কার্যক্রম ও মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত। উদ্ধার করা অস্ত্র তারা মাদক ব্যবসার স্পট নিয়ন্ত্রণ এবং বিভিন্ন অপরাধমূলক কাজে ব্যবহার করত।
পুলিশ জানায়, তিন আসামির বিরুদ্ধেই পূর্বে অস্ত্র ও মাদক আইনে একাধিক মামলা রয়েছে। এ ঘটনায় কদমতলী থানায় দুটি পৃথক মামলা দায়ের করা হয়েছে। গ্রেপ্তারদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে।

প্রতারণার শিকার হয়ে একজন শাহজাহানপুর থানায় মামলা করলে সাইবার পুলিশ সেন্টারের ‘সাইবার ইন্টেলিজেন্স অ্যান্ড রিস্ক ম্যানেজমেন্ট টিম’ তদন্ত শুরু করে। প্রাথমিক তদন্তে চক্রটির সদস্য লক্ষ্মীপুর জেলার বাসিন্দা মো. সোহাগ হোসেন কে শনাক্ত করা হয়। পরবর্তীতে তাকে অভিযান চালিয়ে গ্রেপ্তার করা হয়।