রাজশাহী প্রতিনিধি

রাজনীতিতে কালো টাকার প্রভাব ও পেশিশক্তি চরম আকার ধারণ করায় অনেক যোগ্য নেতা নির্বাচনে দলীয় মনোনয়ন পাচ্ছে না বলে মন্তব্য করেছেন সুশাসনের জন্য নাগরিকের (সুজন) সম্পাদক বদিউল আলম মজুমদার।
আজ বৃহস্পতিবার রাজশাহীতে সুজনের বিভাগীয় সংলাপে তিনি বলেন, বর্তমানে রাজনীতিতে কালো টাকার প্রভাব ও পেশিশক্তি চরম আকার ধারণ করেছে। অনেক ত্যাগী ও যোগ্য নেতা দীর্ঘদিন দলের সাথে যুক্ত থেকেও শুধুমাত্র বিপুল অর্থ দিতে না পারায় মনোনয়ন বঞ্চিত হচ্ছেন, যা রাজনৈতিক দলগুলোর ভেতরের দুর্নীতির চিত্রকে স্পষ্ট করে।
বদিউল আলম মজুমদার সংবিধানের সীমাবদ্ধতা নিয়ে সমালোচনা করে বলেন, “মূলত ক্ষমতা কেন্দ্রীভূত করার লক্ষ্যেই সংবিধানের বিভিন্ন দিক সাজানো হয়েছিল। এর ফলে প্রধানমন্ত্রী অসীম ক্ষমতার অধিকারী হন এবং সেই ধারবাহিকতায় শেখ হাসিনা স্বৈরাচারী হয়ে উঠেছিলেন।”
বদিউল আলম মজুমদার আরও বলেন, সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনীর মাধ্যমে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বাতিল করে প্রতিশোধপরায়ণ রাজনীতির মধ্য দিয়ে দীর্ঘদিন ক্ষমতায় থাকার পথ সুগম করা হয়েছিল, যা দেশের গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়াকে মারাত্মকভাবে বাধাগ্রস্ত করেছে।”
নির্বাচন ব্যবস্থার ইতিহাস মনে করিয়ে বদিউল আলম মজুমদার অভিযোগ করে বলেন, “অতীতে নির্বাচন কমিশনের সদস্যরা নিরপেক্ষ ভূমিকা পালনের পরিবর্তে শাসক দলের পক্ষাবলম্বন করেছেন, যা জনগণের ভোটাধিকারকে ধ্বংস করেছে।”
১৯৯১ সালের নির্বাচনকে বাংলাদেশের ইতিহাসের সবচেয়ে স্বচ্ছ ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন।পাশাপাশি বর্তমান রাজনৈতিক ও নির্বাচনী পরিবেশ ভয়াবহভাবে কলুষিত হয়ে পড়েছে এবং উত্তরণের জন্য রাষ্ট্রীয় কাঠামোর মৌলিক সংস্কার অপরিহার্য বলে মন্তব্য করেছেন বদিউল আলম মজুমদার।
রাজশাহী বিভাগীয় সংলাপে বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি ও নির্বাচন ব্যবস্থা সংস্কার নিয়ে নিজেদের মতামত তুলে ধরা হয়।

রাজনীতিতে কালো টাকার প্রভাব ও পেশিশক্তি চরম আকার ধারণ করায় অনেক যোগ্য নেতা নির্বাচনে দলীয় মনোনয়ন পাচ্ছে না বলে মন্তব্য করেছেন সুশাসনের জন্য নাগরিকের (সুজন) সম্পাদক বদিউল আলম মজুমদার।
আজ বৃহস্পতিবার রাজশাহীতে সুজনের বিভাগীয় সংলাপে তিনি বলেন, বর্তমানে রাজনীতিতে কালো টাকার প্রভাব ও পেশিশক্তি চরম আকার ধারণ করেছে। অনেক ত্যাগী ও যোগ্য নেতা দীর্ঘদিন দলের সাথে যুক্ত থেকেও শুধুমাত্র বিপুল অর্থ দিতে না পারায় মনোনয়ন বঞ্চিত হচ্ছেন, যা রাজনৈতিক দলগুলোর ভেতরের দুর্নীতির চিত্রকে স্পষ্ট করে।
বদিউল আলম মজুমদার সংবিধানের সীমাবদ্ধতা নিয়ে সমালোচনা করে বলেন, “মূলত ক্ষমতা কেন্দ্রীভূত করার লক্ষ্যেই সংবিধানের বিভিন্ন দিক সাজানো হয়েছিল। এর ফলে প্রধানমন্ত্রী অসীম ক্ষমতার অধিকারী হন এবং সেই ধারবাহিকতায় শেখ হাসিনা স্বৈরাচারী হয়ে উঠেছিলেন।”
বদিউল আলম মজুমদার আরও বলেন, সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনীর মাধ্যমে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বাতিল করে প্রতিশোধপরায়ণ রাজনীতির মধ্য দিয়ে দীর্ঘদিন ক্ষমতায় থাকার পথ সুগম করা হয়েছিল, যা দেশের গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়াকে মারাত্মকভাবে বাধাগ্রস্ত করেছে।”
নির্বাচন ব্যবস্থার ইতিহাস মনে করিয়ে বদিউল আলম মজুমদার অভিযোগ করে বলেন, “অতীতে নির্বাচন কমিশনের সদস্যরা নিরপেক্ষ ভূমিকা পালনের পরিবর্তে শাসক দলের পক্ষাবলম্বন করেছেন, যা জনগণের ভোটাধিকারকে ধ্বংস করেছে।”
১৯৯১ সালের নির্বাচনকে বাংলাদেশের ইতিহাসের সবচেয়ে স্বচ্ছ ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন।পাশাপাশি বর্তমান রাজনৈতিক ও নির্বাচনী পরিবেশ ভয়াবহভাবে কলুষিত হয়ে পড়েছে এবং উত্তরণের জন্য রাষ্ট্রীয় কাঠামোর মৌলিক সংস্কার অপরিহার্য বলে মন্তব্য করেছেন বদিউল আলম মজুমদার।
রাজশাহী বিভাগীয় সংলাপে বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি ও নির্বাচন ব্যবস্থা সংস্কার নিয়ে নিজেদের মতামত তুলে ধরা হয়।