চরচা প্রতিবেদক

চলতি বছরের উচ্চমাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) ও সমমান পরীক্ষার পুনঃনিরীক্ষণের ফলপ্রকাশ করা হয়েছে। এতে ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডে নতুন করে জিপিএ-৫ পেয়েছেন ২০১ জন। এছাড়া ফেল থেকে পাস করেছেন ৩০৮ জন।
ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক অধ্যাপক এস এম কামাল উদ্দিন হায়দার আজ রোববার এই তথ্য জানান।
জানা গেছে, ঢাকা বোর্ডে উত্তরপত্র পুনর্নিরীক্ষণের ফলের জন্য আবেদন করেন ৮৯ হাজার ৬৭১ জন শিক্ষার্থী। এরমধ্যে ২ হাজার ৩৩১ জনের ফল এবং গ্রেড পরিবর্তন হয়েছে ২ হাজার ৩৭৩ জনের।
এ বছর সারা দেশের ৯ হাজার ১৯৭টি প্রতিষ্ঠান থেকে ১২ লাখ ৫১ হাজার ১১১ জন শিক্ষার্থী এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় অংশ নেন। তাদের মধ্যে উত্তীর্ণ হয়েছেন ৭ লাখ ২৬ হাজার ৯৬০ জন, পাসের হার ৫৮ দশমিক ৮৩ শতাংশ। ফেল করেছেন ৫ লাখ ৮ হাজার ৭০১ জন (৪১ দশমিক ১৭ শতাংশ)। ছাত্রীদের পাসের হার ৬২ দশমিক ৯৭ শতাংশ এবং ছাত্রদের ৫৪ দশমিক ৬০ শতাংশ।

চলতি বছরের উচ্চমাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) ও সমমান পরীক্ষার পুনঃনিরীক্ষণের ফলপ্রকাশ করা হয়েছে। এতে ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডে নতুন করে জিপিএ-৫ পেয়েছেন ২০১ জন। এছাড়া ফেল থেকে পাস করেছেন ৩০৮ জন।
ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক অধ্যাপক এস এম কামাল উদ্দিন হায়দার আজ রোববার এই তথ্য জানান।
জানা গেছে, ঢাকা বোর্ডে উত্তরপত্র পুনর্নিরীক্ষণের ফলের জন্য আবেদন করেন ৮৯ হাজার ৬৭১ জন শিক্ষার্থী। এরমধ্যে ২ হাজার ৩৩১ জনের ফল এবং গ্রেড পরিবর্তন হয়েছে ২ হাজার ৩৭৩ জনের।
এ বছর সারা দেশের ৯ হাজার ১৯৭টি প্রতিষ্ঠান থেকে ১২ লাখ ৫১ হাজার ১১১ জন শিক্ষার্থী এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় অংশ নেন। তাদের মধ্যে উত্তীর্ণ হয়েছেন ৭ লাখ ২৬ হাজার ৯৬০ জন, পাসের হার ৫৮ দশমিক ৮৩ শতাংশ। ফেল করেছেন ৫ লাখ ৮ হাজার ৭০১ জন (৪১ দশমিক ১৭ শতাংশ)। ছাত্রীদের পাসের হার ৬২ দশমিক ৯৭ শতাংশ এবং ছাত্রদের ৫৪ দশমিক ৬০ শতাংশ।

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ বলেছেন, চলমান বৃত্তি পরীক্ষাটি গত বছর অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু যেকোনো কারণে তারা নিতে পারেনি। আগামী বছরগুলোতে সঠিক সময়ে এ পরীক্ষা নেওয়া হবে।