চরচা ডেস্ক

পাকিস্তানের দিকে বয়ে যাওয়া কুনার নদীতে বাঁধ নির্মাণের নির্দেশ দিয়েছে আফগানিস্তান সরকার। তালেবানের সর্বোচ্চ নেতা হিবাতুল্লাহ আখুন্দজাদা এই বাঁধ নির্মাণের চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছেন। ভারপ্রাপ্ত পানিমন্ত্রী মোল্লা আব্দুল লতিফ মনসুর সোশ্যাল মাধ্যম ‘এক্স’-এ এই খবর নিশ্চিত করে বলেন, “আফগানদের তাদের নিজস্ব জলসম্পদ ব্যবস্থাপনার অধিকার আছে।”
পাকিস্তানের দিকে পানিপ্রবাহ সীমিত করার এই পদক্ষেপকে ভারতের সিন্ধু পানি চুক্তি স্থগিতের সিদ্ধান্তের সঙ্গে তুলনা করা হচ্ছে। জম্মু ও কাশ্মীরের পেহেলগামে সন্ত্রাসী হামলার পর ভারত এই চুক্তি স্থগিত করে পাকিস্তানকে পানি সরবরাহ সীমিত করেছিল। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির এক প্রতিবেদনে বিষয়টি তুলে ধরা হয়।
পাকিস্তানের সঙ্গে ২৬০০ কিলোমিটার ডুরান্ড লাইনে সহিংসতা বৃদ্ধি পাওয়ায় এই পদক্ষেপের প্রয়োজনীয়তা অনুভব করেছে তালেবান। ইসলামাবাদ অভিযোগ করেছে, কাবুল তেহরিক-ই-তালেবান পাকিস্তান বা টিটিপিকে সমর্থন করছে, যা তাদের সীমান্তের নিরাপত্তা বিঘ্নিত করছে।
প্রায় ৫০০ কিলোমিটার দীর্ঘ কুনার নদীর উৎস পাকিস্তানের খাইবার পাখতুনখোয়া প্রদেশে। এটি আফগানিস্তানে প্রবেশ করে এবং পরে কাবুল নদীতে মিশেছে। কাবুল নদী পরবর্তীতে পাকিস্তানে প্রবেশ করে সিন্ধু নদে মিলিত হয়। যা পাকিস্তানের খাইবার পাখতুনখোয়া অঞ্চলের, কৃষি এবং জলবিদ্যুৎ উৎপাদনের জন্য গুরুত্বপূর্ণ উৎস। কুনার/কাবুল নদীতে বাঁধ নির্মিত হলে পাকিস্তান পানিসংকটে পড়বে।
২০২১ সালে ক্ষমতায় আসার পর তালেবান দেশজুড়ে নদী ও খালগুলোর উপর নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করতে চাইছে। দেশের খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য বড় আকারের প্রকল্প হাতে নিয়েছে।উত্তর আফগানিস্তানে ২৮৫ কিমি দীর্ঘ কোশ টোপা খাল নির্মাণ করছে তালেবান সরকার। যা পাঁচ লাখ পঞ্চাশ হাজার হেক্টর রুক্ষ জমিতে সেচ দেবে।
গত সপ্তাহে আফগান পররাষ্ট্রমন্ত্রী ভারতে আনুষ্ঠানিক সফরে এসেছিলেন। সেখানে দুই পক্ষ জলবিদ্যুৎ প্রকল্প ও কৃষি উন্নয়নে সহযোগিতার বিষয়ে আলোচনা করেছে।

পাকিস্তানের দিকে বয়ে যাওয়া কুনার নদীতে বাঁধ নির্মাণের নির্দেশ দিয়েছে আফগানিস্তান সরকার। তালেবানের সর্বোচ্চ নেতা হিবাতুল্লাহ আখুন্দজাদা এই বাঁধ নির্মাণের চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছেন। ভারপ্রাপ্ত পানিমন্ত্রী মোল্লা আব্দুল লতিফ মনসুর সোশ্যাল মাধ্যম ‘এক্স’-এ এই খবর নিশ্চিত করে বলেন, “আফগানদের তাদের নিজস্ব জলসম্পদ ব্যবস্থাপনার অধিকার আছে।”
পাকিস্তানের দিকে পানিপ্রবাহ সীমিত করার এই পদক্ষেপকে ভারতের সিন্ধু পানি চুক্তি স্থগিতের সিদ্ধান্তের সঙ্গে তুলনা করা হচ্ছে। জম্মু ও কাশ্মীরের পেহেলগামে সন্ত্রাসী হামলার পর ভারত এই চুক্তি স্থগিত করে পাকিস্তানকে পানি সরবরাহ সীমিত করেছিল। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির এক প্রতিবেদনে বিষয়টি তুলে ধরা হয়।
পাকিস্তানের সঙ্গে ২৬০০ কিলোমিটার ডুরান্ড লাইনে সহিংসতা বৃদ্ধি পাওয়ায় এই পদক্ষেপের প্রয়োজনীয়তা অনুভব করেছে তালেবান। ইসলামাবাদ অভিযোগ করেছে, কাবুল তেহরিক-ই-তালেবান পাকিস্তান বা টিটিপিকে সমর্থন করছে, যা তাদের সীমান্তের নিরাপত্তা বিঘ্নিত করছে।
প্রায় ৫০০ কিলোমিটার দীর্ঘ কুনার নদীর উৎস পাকিস্তানের খাইবার পাখতুনখোয়া প্রদেশে। এটি আফগানিস্তানে প্রবেশ করে এবং পরে কাবুল নদীতে মিশেছে। কাবুল নদী পরবর্তীতে পাকিস্তানে প্রবেশ করে সিন্ধু নদে মিলিত হয়। যা পাকিস্তানের খাইবার পাখতুনখোয়া অঞ্চলের, কৃষি এবং জলবিদ্যুৎ উৎপাদনের জন্য গুরুত্বপূর্ণ উৎস। কুনার/কাবুল নদীতে বাঁধ নির্মিত হলে পাকিস্তান পানিসংকটে পড়বে।
২০২১ সালে ক্ষমতায় আসার পর তালেবান দেশজুড়ে নদী ও খালগুলোর উপর নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করতে চাইছে। দেশের খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য বড় আকারের প্রকল্প হাতে নিয়েছে।উত্তর আফগানিস্তানে ২৮৫ কিমি দীর্ঘ কোশ টোপা খাল নির্মাণ করছে তালেবান সরকার। যা পাঁচ লাখ পঞ্চাশ হাজার হেক্টর রুক্ষ জমিতে সেচ দেবে।
গত সপ্তাহে আফগান পররাষ্ট্রমন্ত্রী ভারতে আনুষ্ঠানিক সফরে এসেছিলেন। সেখানে দুই পক্ষ জলবিদ্যুৎ প্রকল্প ও কৃষি উন্নয়নে সহযোগিতার বিষয়ে আলোচনা করেছে।

প্রতারণার শিকার হয়ে একজন শাহজাহানপুর থানায় মামলা করলে সাইবার পুলিশ সেন্টারের ‘সাইবার ইন্টেলিজেন্স অ্যান্ড রিস্ক ম্যানেজমেন্ট টিম’ তদন্ত শুরু করে। প্রাথমিক তদন্তে চক্রটির সদস্য লক্ষ্মীপুর জেলার বাসিন্দা মো. সোহাগ হোসেন কে শনাক্ত করা হয়। পরবর্তীতে তাকে অভিযান চালিয়ে গ্রেপ্তার করা হয়।