চরচা প্রতিবেদক

চলতি মে মাসের জন্য ভোক্তা পর্যায়ে বেসরকারি এলপি গ্যাসের দাম অপরিবর্তিত রেখেছে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি)। ফলে এ মাসেও ১২ কেজি সিলিন্ডারের দাম ১ হাজার ৯৪০ টাকাই থাকছে।
আজ রোববার দুপুরে বিইআরসি সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে নতুন এই দর ঘোষণার কথা জানানো হয়। আজ থেকেই এই দাম কার্যকর হবে।
বিইআরসি জানায়, গত এপ্রিলে এক লাফে ২১২ টাকা বাড়িয়ে ১২ কেজি সিলিন্ডারের দাম ১ হাজার ৭২৮ টাকা থেকে ১ হাজার ৯৪০ টাকা করা হয়েছিল। আন্তর্জাতিক বাজারে দামের খুব একটা হেরফের না হওয়ায় মে মাসের জন্য আগের দামই বহাল রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
নতুন ঘোষণা অনুযায়ী, বেসরকারি এলপিজির প্রতি কেজির দাম ভ্যাটসহ ১৬১ টাকা ৭১ পয়সা নির্ধারণ করা হয়েছে। সে অনুযায়ী ১২ কেজির সিলিন্ডারের দাম পড়ে ১ হাজার ৯৪০ টাকা। এছাড়া সাড়ে ৫ কেজি থেকে শুরু করে ৪৫ কেজি পর্যন্ত সব ধরনের সিলিন্ডারের দামই আগের হার অনুযায়ী নির্ধারিত হবে।
প্রতি মাসেই বিইআরসি আন্তর্জাতিক বাজারের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে এলপিজির দাম নির্ধারণ করে থাকে। তবে সাধারণ ভোক্তাদের অভিযোগ, সরকারিভাবে দাম অপরিবর্তিত রাখা হলেও খুচরা পর্যায়ে অনেক বিক্রেতা নির্ধারিত দামের চেয়ে বেশি টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে।
খুচরা বিক্রেতারাও নির্ধারিত দামের চেয়ে বেশি দামে বিক্রির বিষয়টি অস্বীকার করছে না। তবে, এ বিষয়ে কোনো কার্যকর ব্যবস্থা না দৃশ্যমান না হওয়ায় হতাশা প্রকাশ করছেন ভোক্তারা।

চলতি মে মাসের জন্য ভোক্তা পর্যায়ে বেসরকারি এলপি গ্যাসের দাম অপরিবর্তিত রেখেছে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি)। ফলে এ মাসেও ১২ কেজি সিলিন্ডারের দাম ১ হাজার ৯৪০ টাকাই থাকছে।
আজ রোববার দুপুরে বিইআরসি সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে নতুন এই দর ঘোষণার কথা জানানো হয়। আজ থেকেই এই দাম কার্যকর হবে।
বিইআরসি জানায়, গত এপ্রিলে এক লাফে ২১২ টাকা বাড়িয়ে ১২ কেজি সিলিন্ডারের দাম ১ হাজার ৭২৮ টাকা থেকে ১ হাজার ৯৪০ টাকা করা হয়েছিল। আন্তর্জাতিক বাজারে দামের খুব একটা হেরফের না হওয়ায় মে মাসের জন্য আগের দামই বহাল রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
নতুন ঘোষণা অনুযায়ী, বেসরকারি এলপিজির প্রতি কেজির দাম ভ্যাটসহ ১৬১ টাকা ৭১ পয়সা নির্ধারণ করা হয়েছে। সে অনুযায়ী ১২ কেজির সিলিন্ডারের দাম পড়ে ১ হাজার ৯৪০ টাকা। এছাড়া সাড়ে ৫ কেজি থেকে শুরু করে ৪৫ কেজি পর্যন্ত সব ধরনের সিলিন্ডারের দামই আগের হার অনুযায়ী নির্ধারিত হবে।
প্রতি মাসেই বিইআরসি আন্তর্জাতিক বাজারের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে এলপিজির দাম নির্ধারণ করে থাকে। তবে সাধারণ ভোক্তাদের অভিযোগ, সরকারিভাবে দাম অপরিবর্তিত রাখা হলেও খুচরা পর্যায়ে অনেক বিক্রেতা নির্ধারিত দামের চেয়ে বেশি টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে।
খুচরা বিক্রেতারাও নির্ধারিত দামের চেয়ে বেশি দামে বিক্রির বিষয়টি অস্বীকার করছে না। তবে, এ বিষয়ে কোনো কার্যকর ব্যবস্থা না দৃশ্যমান না হওয়ায় হতাশা প্রকাশ করছেন ভোক্তারা।