চরচা ডেস্ক

পাকিস্তানে জামায়াতে ইসলাম দেশটির সরকারের সাম্প্রতিক সাংবিধানিক সংশোধনীগুলোর কঠোর সমালোচনা করেছে। গতকাল শুক্রবার লাহোরে এক বড় সমাবেশ থেকে তারা এ সমালোচনা করেন। বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদনে আজ শনিবার এ তথ্য জানানো হয়।
জামায়াতের এক শীর্ষ নেতা অভিযোগ করেন, এই সংশোধনীগুলো ‘পুরো বিচারব্যবস্থা বিপর্যস্ত করেছে’।
ইকবাল পার্কে সমর্থকদের উদ্দেশে জামায়াত নেতারা ২৬তম ও ২৭তম সংশোধনীকে প্রত্যাখ্যান করেন। সরকারের দাবি, শাসনব্যবস্থা আরও করতে এই সংশোধনী প্রয়োজন। কিন্তু বিরোধীদের অভিযোগ, এসব পরিবর্তন দেশের মূল সংবিধানিক কাঠামোকেই ক্ষতিগ্রস্ত করছে।
জামায়াতের কাশ্মীরবিষয়ক উপদেষ্টা আবদুল রশীদ তুরাবি বলেন, “জামায়াত এই সংশোধনী প্রত্যাখ্যান করেছে। ২৬তম ও ২৭তম সংশোধনী পুরো বিচারব্যবস্থাকে দুর্বল করেছে এবং পাকিস্তানের সংবিধানের মৌলিক চেতনাকে ক্ষুণ্ন করেছে।”
দলের আমীর হাফিজ নাঈমুর রহমান বক্তৃতায় ধর্মীয় দৃষ্টিকোণ থেকে সরকারকে উদ্দেশ করে বলেন, “আল্লাহর আইনে কোনো প্রেসিডেন্ট, ফিল্ড মার্শাল, সামন্ত, পুঁজিপতি বা প্রধানমন্ত্রী কাউকেই বিশেষ সুবিধা দেওয়ার অধিকার নেই। সবাই আল্লাহর সামনে সমান”
সরকার সংশোধনীগুলোকে আইন ও প্রশাসনিক দক্ষতা বৃদ্ধির জন্য জরুরি বলে দাবি করলেও মাঠপর্যায়ে রাজনৈতিক বিরোধিতা অব্যাহত রয়েছে।
পাকিস্তান পার্লামেন্ট ১২ নভেম্বর বিতর্কিত একটি সাংবিধানিক সংশোধনী অনুমোদন করে। সংশোধনীর ফলে সেনাপ্রধানের ক্ষমতা বাড়ানো হয় এবং সুপ্রিম কোর্টের এখতিয়ার সীমিত করা হয়। সমালোচকদের অভিযোগ, এটি দেশের গণতন্ত্রকে অপূরণীয় ক্ষতির মুখে ফেলেছে। প্রধান বিরোধী দলগুলো এই সংশোধনীর বিরোধিতা করে পার্লামেন্ট থেকে বেরিয়ে আসেন।

পাকিস্তানে জামায়াতে ইসলাম দেশটির সরকারের সাম্প্রতিক সাংবিধানিক সংশোধনীগুলোর কঠোর সমালোচনা করেছে। গতকাল শুক্রবার লাহোরে এক বড় সমাবেশ থেকে তারা এ সমালোচনা করেন। বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদনে আজ শনিবার এ তথ্য জানানো হয়।
জামায়াতের এক শীর্ষ নেতা অভিযোগ করেন, এই সংশোধনীগুলো ‘পুরো বিচারব্যবস্থা বিপর্যস্ত করেছে’।
ইকবাল পার্কে সমর্থকদের উদ্দেশে জামায়াত নেতারা ২৬তম ও ২৭তম সংশোধনীকে প্রত্যাখ্যান করেন। সরকারের দাবি, শাসনব্যবস্থা আরও করতে এই সংশোধনী প্রয়োজন। কিন্তু বিরোধীদের অভিযোগ, এসব পরিবর্তন দেশের মূল সংবিধানিক কাঠামোকেই ক্ষতিগ্রস্ত করছে।
জামায়াতের কাশ্মীরবিষয়ক উপদেষ্টা আবদুল রশীদ তুরাবি বলেন, “জামায়াত এই সংশোধনী প্রত্যাখ্যান করেছে। ২৬তম ও ২৭তম সংশোধনী পুরো বিচারব্যবস্থাকে দুর্বল করেছে এবং পাকিস্তানের সংবিধানের মৌলিক চেতনাকে ক্ষুণ্ন করেছে।”
দলের আমীর হাফিজ নাঈমুর রহমান বক্তৃতায় ধর্মীয় দৃষ্টিকোণ থেকে সরকারকে উদ্দেশ করে বলেন, “আল্লাহর আইনে কোনো প্রেসিডেন্ট, ফিল্ড মার্শাল, সামন্ত, পুঁজিপতি বা প্রধানমন্ত্রী কাউকেই বিশেষ সুবিধা দেওয়ার অধিকার নেই। সবাই আল্লাহর সামনে সমান”
সরকার সংশোধনীগুলোকে আইন ও প্রশাসনিক দক্ষতা বৃদ্ধির জন্য জরুরি বলে দাবি করলেও মাঠপর্যায়ে রাজনৈতিক বিরোধিতা অব্যাহত রয়েছে।
পাকিস্তান পার্লামেন্ট ১২ নভেম্বর বিতর্কিত একটি সাংবিধানিক সংশোধনী অনুমোদন করে। সংশোধনীর ফলে সেনাপ্রধানের ক্ষমতা বাড়ানো হয় এবং সুপ্রিম কোর্টের এখতিয়ার সীমিত করা হয়। সমালোচকদের অভিযোগ, এটি দেশের গণতন্ত্রকে অপূরণীয় ক্ষতির মুখে ফেলেছে। প্রধান বিরোধী দলগুলো এই সংশোধনীর বিরোধিতা করে পার্লামেন্ট থেকে বেরিয়ে আসেন।

প্রতারণার শিকার হয়ে একজন শাহজাহানপুর থানায় মামলা করলে সাইবার পুলিশ সেন্টারের ‘সাইবার ইন্টেলিজেন্স অ্যান্ড রিস্ক ম্যানেজমেন্ট টিম’ তদন্ত শুরু করে। প্রাথমিক তদন্তে চক্রটির সদস্য লক্ষ্মীপুর জেলার বাসিন্দা মো. সোহাগ হোসেন কে শনাক্ত করা হয়। পরবর্তীতে তাকে অভিযান চালিয়ে গ্রেপ্তার করা হয়।