চরচা প্রতিবেদক

রাজধানী ঢাকায় চাঁদাবাজ, মাদক কারবারি, অস্ত্রধারী সন্ত্রাসী ও অনলাইন জুয়া চক্রের বিরুদ্ধে বিশেষ অভিযান শুরু করেছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি)। গত ১ মে থেকে এই চার শ্রেণির অপরাধীদের বিরুদ্ধে এই অভিযান জোরদার করা হয়েছে বলে জানান ডিএমপি কমিশনার মো. সরওয়ার।
আজ রোববার ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব বলেন।
ডিএমপি কমিশনার জানান, রাজধানীর অপরাধপ্রবণ এলাকায় বিশেষ অভিযান, আকস্মিক ব্লক রেইড, চেকপোস্ট স্থাপন এবং গোয়েন্দা নজরদারি জোরদার করা হয়েছে। পাশাপাশি সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণের মাধ্যমে অপরাধীদের চলাচল নজরদারিতে রাখা হচ্ছে।
মো. সরওয়ার বলেন, অপরাধ নিয়ন্ত্রণে একটি সমন্বিত নিরাপত্তা কৌশল গ্রহণ করা হয়েছে। সন্দেহভাজনদের তাৎক্ষণিক যাচাই-বাছাই করে স্পেশাল ম্যাজিস্ট্রেটের মাধ্যমে সংক্ষিপ্ত বিচার নিশ্চিত করা হচ্ছে। বড় অপরাধীদের বিরুদ্ধে নিয়মিত মামলা করে আদালতে পাঠানো হচ্ছে। এছাড়া ডিবি, সিটিটিসি, সাইবার মনিটরিং টিম ও আধুনিক প্রযুক্তির সহায়তায় অপরাধীদের গতিবিধি পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে।
ডিএমপি কমিশনার জানান, গত ৪৮ ঘণ্টায় বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে ৫৮ জন তালিকাভুক্ত চাঁদাবাজ এবং ৯৪ জন সহযোগীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে এবং উদ্ধার করা আলামত আদালতে উপস্থাপন করা হবে।
মাদকবিরোধী অভিযানের অগ্রগতি তুলে ধরে এই কর্মকর্তা বলেন, সম্প্রতি শুধু এক অভিযানে ৮০ কেজি গাঁজা উদ্ধার করা হয়েছে। এছাড়া বিভিন্ন অভিযানে মোট ২০০ কেজির বেশি গাঁজা, উল্লেখযোগ্য পরিমাণ ইয়াবা ও প্রায় আধা কেজি হেরোইন উদ্ধার করা হয়েছে। মাদক কারবারের সঙ্গে জড়িত সক্রিয় সদস্যদের পাশাপাশি তাদের পেছনের গডফাদারদের বিরুদ্ধেও তদন্ত চলছে এবং মানি লন্ডারিং আইনে মামলা করার প্রক্রিয়া চলছে।
ডিএমপি কমিশনার আরও বলেন, অবৈধ অস্ত্রধারী সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি অনুসরণ করা হচ্ছে। একই সঙ্গে অনলাইন জুয়া ও ডিজিটাল প্রতারণার সঙ্গে জড়িতদের গ্রেপ্তার করে তাদের ব্যবহৃত মোবাইল, সার্ভার, ল্যাপটপসহ বিভিন্ন ডিভাইস জব্দ করা হচ্ছে।
নগরীর নিরাপত্তা জোরদারে বছিলা ও কারওয়ান বাজারসহ গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় নতুন পুলিশ ক্যাম্প স্থাপন করা হয়েছে জানিয়ে এই পুলিশ কর্মকর্তা বলেন, ভবিষ্যতে আরও কয়েকটি স্থানে ক্যাম্প স্থাপনের পরিকল্পনা রয়েছে। এসব উদ্যোগের মাধ্যমে রাজধানীতে অপরাধ নিয়ন্ত্রণ করে একটি নিরাপদ নগরী গড়ে তোলার আশা প্রকাশ করেন তিনি।

রাজধানী ঢাকায় চাঁদাবাজ, মাদক কারবারি, অস্ত্রধারী সন্ত্রাসী ও অনলাইন জুয়া চক্রের বিরুদ্ধে বিশেষ অভিযান শুরু করেছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি)। গত ১ মে থেকে এই চার শ্রেণির অপরাধীদের বিরুদ্ধে এই অভিযান জোরদার করা হয়েছে বলে জানান ডিএমপি কমিশনার মো. সরওয়ার।
আজ রোববার ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব বলেন।
ডিএমপি কমিশনার জানান, রাজধানীর অপরাধপ্রবণ এলাকায় বিশেষ অভিযান, আকস্মিক ব্লক রেইড, চেকপোস্ট স্থাপন এবং গোয়েন্দা নজরদারি জোরদার করা হয়েছে। পাশাপাশি সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণের মাধ্যমে অপরাধীদের চলাচল নজরদারিতে রাখা হচ্ছে।
মো. সরওয়ার বলেন, অপরাধ নিয়ন্ত্রণে একটি সমন্বিত নিরাপত্তা কৌশল গ্রহণ করা হয়েছে। সন্দেহভাজনদের তাৎক্ষণিক যাচাই-বাছাই করে স্পেশাল ম্যাজিস্ট্রেটের মাধ্যমে সংক্ষিপ্ত বিচার নিশ্চিত করা হচ্ছে। বড় অপরাধীদের বিরুদ্ধে নিয়মিত মামলা করে আদালতে পাঠানো হচ্ছে। এছাড়া ডিবি, সিটিটিসি, সাইবার মনিটরিং টিম ও আধুনিক প্রযুক্তির সহায়তায় অপরাধীদের গতিবিধি পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে।
ডিএমপি কমিশনার জানান, গত ৪৮ ঘণ্টায় বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে ৫৮ জন তালিকাভুক্ত চাঁদাবাজ এবং ৯৪ জন সহযোগীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে এবং উদ্ধার করা আলামত আদালতে উপস্থাপন করা হবে।
মাদকবিরোধী অভিযানের অগ্রগতি তুলে ধরে এই কর্মকর্তা বলেন, সম্প্রতি শুধু এক অভিযানে ৮০ কেজি গাঁজা উদ্ধার করা হয়েছে। এছাড়া বিভিন্ন অভিযানে মোট ২০০ কেজির বেশি গাঁজা, উল্লেখযোগ্য পরিমাণ ইয়াবা ও প্রায় আধা কেজি হেরোইন উদ্ধার করা হয়েছে। মাদক কারবারের সঙ্গে জড়িত সক্রিয় সদস্যদের পাশাপাশি তাদের পেছনের গডফাদারদের বিরুদ্ধেও তদন্ত চলছে এবং মানি লন্ডারিং আইনে মামলা করার প্রক্রিয়া চলছে।
ডিএমপি কমিশনার আরও বলেন, অবৈধ অস্ত্রধারী সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি অনুসরণ করা হচ্ছে। একই সঙ্গে অনলাইন জুয়া ও ডিজিটাল প্রতারণার সঙ্গে জড়িতদের গ্রেপ্তার করে তাদের ব্যবহৃত মোবাইল, সার্ভার, ল্যাপটপসহ বিভিন্ন ডিভাইস জব্দ করা হচ্ছে।
নগরীর নিরাপত্তা জোরদারে বছিলা ও কারওয়ান বাজারসহ গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় নতুন পুলিশ ক্যাম্প স্থাপন করা হয়েছে জানিয়ে এই পুলিশ কর্মকর্তা বলেন, ভবিষ্যতে আরও কয়েকটি স্থানে ক্যাম্প স্থাপনের পরিকল্পনা রয়েছে। এসব উদ্যোগের মাধ্যমে রাজধানীতে অপরাধ নিয়ন্ত্রণ করে একটি নিরাপদ নগরী গড়ে তোলার আশা প্রকাশ করেন তিনি।

সহপাঠী ইফাদ জানান, দুপুরে ১৫ থেকে ১৬ জন বন্ধু মিলে ডেমরার কোনাপাড়া বালুরমাঠ এলাকার ‘শামসি গ্যালারি’ সুইমিং পুলে গোসল করতে যান তারা। শাকিব সাঁতার জানতেন না, তাই তাকে তুলনামূলক নিরাপদ স্থানে দাঁড় করিয়ে রাখা হয়। এক পর্যায়ে অন্যরা সাঁতার কাটার সময় সবার অগোচরে তিনি পানিতে নেমে ডুবে যান।