চরচা ডেস্ক

টানা বৃষ্টিতে রাজধানীতে সৃষ্টি হয়েছে জলাবদ্ধতা। আজ বুধবার সকাল থেকেও ঝরছে বৃষ্টি। এতে ঈদুল আজহার প্রস্তুতিতে বিঘ্ন ঘটছে। সেই সঙ্গে নিচু এলাকার সড়ক পানিতে তলিয়ে যাওয়ায় দুর্ভোগে পড়েছেন নগরবাসী ও ঘরমুখো মানুষরা।
গত তিনদিন ধরে ঢাকায় টানা বৃষ্টি হচ্ছে। আজ সকালের বৃষ্টিতে রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় যান চলাচল ব্যাহত হয়। আকাশে কালো মেঘ থাকায় আরও বৃষ্টির আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।
আবহাওয়া অধিদপ্তর এক পূর্বাভাসে জানিয়েছে, আজ রাজশাহী, খুলনা, ঢাকা, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায় এবং রংপুর, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা বা ঝড়ো হাওয়া ও বিদ্যুৎ চমকানোসহ হালকা থেকে মাঝারী ধরনের বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেই সঙ্গে দেশের কোথাও কোথাও মাঝারী ধরনের ভারী থেকে ভারী বর্ষণ হতে পারে।
রাষ্ট্রীয় সংস্থাটি আগেই পূর্বাভাস দিয়েছিল, ঈদের ছুটিতে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বৃষ্টি ও বজ্রঝড় অব্যাহত থাকতে পারে।
এই টানা বৃষ্টিতে ঈদে বাড়ি ফেরা মানুষের ভোগান্তি আরও বেড়েছে। মহাসড়ক ও রাজধানী থেকে বের হওয়ার গুরুত্বপূর্ণ পথগুলোতে যানজটের পাশাপাশি পিচ্ছিল সড়ক ও কম দৃশ্যমানতা যাত্রাকে কঠিন করে তুলেছে।
কোরবানির পশুর হাটেও বৃষ্টির নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে। পশু ব্যবসায়ীরা জানান, বৃষ্টির কারণে গরু পরিবহন ব্যয় বেড়েছে এবং অস্থায়ী হাটগুলো কাদায় ভরে যাওয়ায় ক্রেতা-বিক্রেতা উভয়ই সমস্যায় পড়ছেন। ঢাকার বিভিন্ন হাটে কাদা ও জলাবদ্ধতার মধ্যে পশু আনা-নেওয়া এবং দেখা কঠিন হয়ে পড়েছে।
আবহাওয়া অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, গতকাল মঙ্গলবার শ্রীমঙ্গলে দেশের সর্বোচ্চ ১৩০ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে।
আবহাওয়াবিদরা জানিয়েছেন, আগামী কয়েক দিনও বজ্রসহ বৃষ্টির প্রবণতা অব্যাহত থাকতে পারে, যা ঈদযাত্রা ও পশুর হাটের কার্যক্রমে আরও বিঘ্ন সৃষ্টি করতে পারে।

টানা বৃষ্টিতে রাজধানীতে সৃষ্টি হয়েছে জলাবদ্ধতা। আজ বুধবার সকাল থেকেও ঝরছে বৃষ্টি। এতে ঈদুল আজহার প্রস্তুতিতে বিঘ্ন ঘটছে। সেই সঙ্গে নিচু এলাকার সড়ক পানিতে তলিয়ে যাওয়ায় দুর্ভোগে পড়েছেন নগরবাসী ও ঘরমুখো মানুষরা।
গত তিনদিন ধরে ঢাকায় টানা বৃষ্টি হচ্ছে। আজ সকালের বৃষ্টিতে রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় যান চলাচল ব্যাহত হয়। আকাশে কালো মেঘ থাকায় আরও বৃষ্টির আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।
আবহাওয়া অধিদপ্তর এক পূর্বাভাসে জানিয়েছে, আজ রাজশাহী, খুলনা, ঢাকা, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায় এবং রংপুর, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা বা ঝড়ো হাওয়া ও বিদ্যুৎ চমকানোসহ হালকা থেকে মাঝারী ধরনের বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেই সঙ্গে দেশের কোথাও কোথাও মাঝারী ধরনের ভারী থেকে ভারী বর্ষণ হতে পারে।
রাষ্ট্রীয় সংস্থাটি আগেই পূর্বাভাস দিয়েছিল, ঈদের ছুটিতে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বৃষ্টি ও বজ্রঝড় অব্যাহত থাকতে পারে।
এই টানা বৃষ্টিতে ঈদে বাড়ি ফেরা মানুষের ভোগান্তি আরও বেড়েছে। মহাসড়ক ও রাজধানী থেকে বের হওয়ার গুরুত্বপূর্ণ পথগুলোতে যানজটের পাশাপাশি পিচ্ছিল সড়ক ও কম দৃশ্যমানতা যাত্রাকে কঠিন করে তুলেছে।
কোরবানির পশুর হাটেও বৃষ্টির নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে। পশু ব্যবসায়ীরা জানান, বৃষ্টির কারণে গরু পরিবহন ব্যয় বেড়েছে এবং অস্থায়ী হাটগুলো কাদায় ভরে যাওয়ায় ক্রেতা-বিক্রেতা উভয়ই সমস্যায় পড়ছেন। ঢাকার বিভিন্ন হাটে কাদা ও জলাবদ্ধতার মধ্যে পশু আনা-নেওয়া এবং দেখা কঠিন হয়ে পড়েছে।
আবহাওয়া অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, গতকাল মঙ্গলবার শ্রীমঙ্গলে দেশের সর্বোচ্চ ১৩০ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে।
আবহাওয়াবিদরা জানিয়েছেন, আগামী কয়েক দিনও বজ্রসহ বৃষ্টির প্রবণতা অব্যাহত থাকতে পারে, যা ঈদযাত্রা ও পশুর হাটের কার্যক্রমে আরও বিঘ্ন সৃষ্টি করতে পারে।