চরচা প্রতিবেদক

রাজধানীর খিলগাঁও ফ্লাইওভারে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় সাংবাদিক জহির উদ্দিন ভূঁইয়া নিহত হয়েছেন। আজ রোববার বিকেলে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
জহির উদ্দিন ভূঁইয়া ‘দৈনিক ভোরের পাতা’ পত্রিকার ক্রীড়া সাংবাদিক হিসেবে কাজ করতেন। জহির উদ্দিন কুমিল্লার মুরাদনগর উপজেলার বাসিন্দা ছিলেন। পরিবার নিয়ে রাজধানীর সবুজবাগ থানাধীন এলাকায় বসবাস করতেন।
আজ বিকেলে অফিস থেকে মোটরসাইকেল চালিয়ে বাসায় ফেরার পথে খিলগাঁও ফ্লাইওভারের ঢালে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে আইল্যান্ডের সঙ্গে ধাক্কা খান তিনি। পথচারীরা তাকে উদ্ধার করে মুগদা জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যান।
পরবর্তীতে সংবাদ পেয়ে তার ছেলে রাকিব উদ্দিন ভূঁইয়া হাসপাতালে পৌঁছান। কর্তব্যরত চিকিৎসক পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
নিহতের ছেলে বলেন, “আমার বাবা দীর্ঘদিন ধরে ভোরের পাতা পত্রিকায় সিনিয়র ক্রীড়া রিপোর্টার হিসেবে কাজ করতেন। বিকেলে অফিস থেকে বাসায় ফিরছিলেন। পথচারীরা বাবার আইডি কার্ড দেখে আমাদের ফোন করে দুর্ঘটনার কথা জানান। পরে আমরা হাসপাতালে এসে তাকে পাই।”
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ পরিদর্শক মো. ফারুক ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, “মৃতদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য ঢামেক মর্গে রাখা হয়েছে। আইনগত প্রক্রিয়া চলছে।”

রাজধানীর খিলগাঁও ফ্লাইওভারে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় সাংবাদিক জহির উদ্দিন ভূঁইয়া নিহত হয়েছেন। আজ রোববার বিকেলে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
জহির উদ্দিন ভূঁইয়া ‘দৈনিক ভোরের পাতা’ পত্রিকার ক্রীড়া সাংবাদিক হিসেবে কাজ করতেন। জহির উদ্দিন কুমিল্লার মুরাদনগর উপজেলার বাসিন্দা ছিলেন। পরিবার নিয়ে রাজধানীর সবুজবাগ থানাধীন এলাকায় বসবাস করতেন।
আজ বিকেলে অফিস থেকে মোটরসাইকেল চালিয়ে বাসায় ফেরার পথে খিলগাঁও ফ্লাইওভারের ঢালে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে আইল্যান্ডের সঙ্গে ধাক্কা খান তিনি। পথচারীরা তাকে উদ্ধার করে মুগদা জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যান।
পরবর্তীতে সংবাদ পেয়ে তার ছেলে রাকিব উদ্দিন ভূঁইয়া হাসপাতালে পৌঁছান। কর্তব্যরত চিকিৎসক পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
নিহতের ছেলে বলেন, “আমার বাবা দীর্ঘদিন ধরে ভোরের পাতা পত্রিকায় সিনিয়র ক্রীড়া রিপোর্টার হিসেবে কাজ করতেন। বিকেলে অফিস থেকে বাসায় ফিরছিলেন। পথচারীরা বাবার আইডি কার্ড দেখে আমাদের ফোন করে দুর্ঘটনার কথা জানান। পরে আমরা হাসপাতালে এসে তাকে পাই।”
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ পরিদর্শক মো. ফারুক ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, “মৃতদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য ঢামেক মর্গে রাখা হয়েছে। আইনগত প্রক্রিয়া চলছে।”

প্রতারণার শিকার হয়ে একজন শাহজাহানপুর থানায় মামলা করলে সাইবার পুলিশ সেন্টারের ‘সাইবার ইন্টেলিজেন্স অ্যান্ড রিস্ক ম্যানেজমেন্ট টিম’ তদন্ত শুরু করে। প্রাথমিক তদন্তে চক্রটির সদস্য লক্ষ্মীপুর জেলার বাসিন্দা মো. সোহাগ হোসেন কে শনাক্ত করা হয়। পরবর্তীতে তাকে অভিযান চালিয়ে গ্রেপ্তার করা হয়।