চরচা ডেস্ক

নিহত হওয়ার কয়েক দিন আগে জনসম্মুখে দেওয়া শেষ ভাষণে প্রতিরোধে সক্ষম অস্ত্রের প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দিয়েছিলেন ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি। বার্তা সংস্থা রয়টার্স এ খবর জানিয়েছে।
গত ১৭ ফেব্রুয়ারি জেনেভায় ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে পরোক্ষ আলোচনা শুরুর পর দেওয়া ওই ভাষণে খামেনি বলেন, “আমাদের অবশ্যই প্রতিরোধে সক্ষম অস্ত্র থাকতে হবে। কোনো দেশের কাছে এমন অস্ত্র না থাকলে শত্রুরা তাদের পদদলিত করবে।”
ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম জানিয়েছে, গতকাল শনিবার যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ বিমান হামলায় খামেনি নিহত হন। কয়েক দশকের মধ্যে ইরানের লক্ষ্যবস্তুতে এটিই ছিল সবচেয়ে বড় ধরনের হামলা।
আজ রোববার ভোরে ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম আনুষ্ঠানিকভাবে খামেনির মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করে।
এর আগে এক জ্যেষ্ঠ ইসরায়েলি কর্মকর্তা রয়টার্সকে জানান, হামলার পর খামেনির মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। একই সঙ্গে আমেরিকান প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেন, ১৯৮৯ সাল থেকে ইরানের নেতৃত্ব দেওয়া এই নেতাকে লক্ষ্যবস্তু করতে যুক্তরাষ্ট্র ইসরায়েলের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করেছে।
ইরান এ হামলাকে ‘উসকানিবিহীন ও অবৈধ’ বলে আখ্যা দিয়েছে এবং এর জবাবে ইসরায়েলের পাশাপাশি উপসাগরীয় অঞ্চলের অন্তত সাতটি দেশের মার্কিন সামরিক ঘাঁটিতে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালানোর দাবি করেছে তেহরান।

নিহত হওয়ার কয়েক দিন আগে জনসম্মুখে দেওয়া শেষ ভাষণে প্রতিরোধে সক্ষম অস্ত্রের প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দিয়েছিলেন ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি। বার্তা সংস্থা রয়টার্স এ খবর জানিয়েছে।
গত ১৭ ফেব্রুয়ারি জেনেভায় ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে পরোক্ষ আলোচনা শুরুর পর দেওয়া ওই ভাষণে খামেনি বলেন, “আমাদের অবশ্যই প্রতিরোধে সক্ষম অস্ত্র থাকতে হবে। কোনো দেশের কাছে এমন অস্ত্র না থাকলে শত্রুরা তাদের পদদলিত করবে।”
ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম জানিয়েছে, গতকাল শনিবার যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ বিমান হামলায় খামেনি নিহত হন। কয়েক দশকের মধ্যে ইরানের লক্ষ্যবস্তুতে এটিই ছিল সবচেয়ে বড় ধরনের হামলা।
আজ রোববার ভোরে ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম আনুষ্ঠানিকভাবে খামেনির মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করে।
এর আগে এক জ্যেষ্ঠ ইসরায়েলি কর্মকর্তা রয়টার্সকে জানান, হামলার পর খামেনির মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। একই সঙ্গে আমেরিকান প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেন, ১৯৮৯ সাল থেকে ইরানের নেতৃত্ব দেওয়া এই নেতাকে লক্ষ্যবস্তু করতে যুক্তরাষ্ট্র ইসরায়েলের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করেছে।
ইরান এ হামলাকে ‘উসকানিবিহীন ও অবৈধ’ বলে আখ্যা দিয়েছে এবং এর জবাবে ইসরায়েলের পাশাপাশি উপসাগরীয় অঞ্চলের অন্তত সাতটি দেশের মার্কিন সামরিক ঘাঁটিতে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালানোর দাবি করেছে তেহরান।