চরচা ডেস্ক

সদ্য সাবেক রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের বিরুদ্ধে বর্তমানে সরকার আমলে নেওয়ার মতো কোনো অভিযোগ দেখছে না বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। তিনি বলেছেন, “সাবেক রাষ্ট্রপতিকে গ্রেপ্তারের মতো কিছু দেখছি না। আইন অনুযায়ী তিনি যেসব সুযোগ-সুবিধা পাওয়ার অধিকারী, সবই পাবেন। নিরাপত্তাও পাবেন।”
আজ রোববার সচিবালয়ে পুলিশের সাহসিকতা ও প্রশংসনীয় কাজের স্বীকৃতিস্বরূপ পুরস্কার ও সম্মাননা প্রদান অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।
বার্তা সংস্থা ইউএনবি এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে।
সাবেক রাষ্ট্রপতির গ্রেপ্তারের দাবিতে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের আন্দোলনের বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, “রাজনৈতিকভাবে মানুষের কথা বলার স্বাধীনতা আছে, প্রতিবাদ করার স্বাধীনতা আছে। কিন্তু আমরা আমলে নেওয়ার মতো কোনো বক্তব্য সেখানে দেখি নাই।”
তিনি বলেন, “রাষ্ট্রপতি দায়িত্ব পালনকালীন সময়ে সাংবিধানিকভাবে দায়িত্ব পালন করেছেন। স্বৈরাচারের শেষ সময়, অন্তর্বর্তী সরকার এবং বর্তমান সরকারের সময়েও তিনি সংবিধান অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করেছেন। আমরা তার সহযোগিতা পেয়েছি।”
দায়িত্ব পালনকালে রাষ্ট্রপতির সাংবিধানিক দায়মুক্তির বিষয়টি উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, সেই সময় সংবিধান অনুযায়ী তার দায়মুক্তি (ইমিউনিটি) ছিল। দায়িত্বের বাইরে কোনো সময়ের বিষয়ে যদি কারও কোনো অভিযোগ থাকে, সেটা আইন অনুযায়ী চলবে।
রাষ্ট্রপতির কথিত ফোনালাপের অডিও প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “আমরা পত্রিকায় দেখেছি। আমাদের কাছে এ ধরনের কোনো তথ্য নেই। আর আজকের ইন্টারনেটের যুগে কারও সঙ্গে কথা বলতে লন্ডনে যেতে হয়, এটা আমার কাছে অলীক মনে হয়।”
সাবেক রাষ্ট্রপতির নিরাপত্তা প্রসঙ্গে সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, ”সাবেক রাষ্ট্রপতি হিসেবে তিনি আইন অনুযায়ী যা যা সুযোগ পাবেন, সবই পাবেন। এসএসএফ, পিজিআরের নিরাপত্তা ছয় মাস পর্যন্ত পাবেন। পাশাপাশি পুলিশ ও অন্য সংস্থাও আইন অনুযায়ী তার নিরাপত্তার ব্যবস্থা করবে।”
এলডিপির এক নেতার ‘তিন রাজনৈতিক দল এক হলে সরকার এক সপ্তাহও টিকবে না’ মন্তব্য সম্পর্কে জানতে চাইলে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ”এক সপ্তাহ পরে কী হয়, সেটার জন্য অপেক্ষা করি। সব বিষয়ে মন্তব্য করার মতো যোগ্য আমি নই।”

সদ্য সাবেক রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের বিরুদ্ধে বর্তমানে সরকার আমলে নেওয়ার মতো কোনো অভিযোগ দেখছে না বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। তিনি বলেছেন, “সাবেক রাষ্ট্রপতিকে গ্রেপ্তারের মতো কিছু দেখছি না। আইন অনুযায়ী তিনি যেসব সুযোগ-সুবিধা পাওয়ার অধিকারী, সবই পাবেন। নিরাপত্তাও পাবেন।”
আজ রোববার সচিবালয়ে পুলিশের সাহসিকতা ও প্রশংসনীয় কাজের স্বীকৃতিস্বরূপ পুরস্কার ও সম্মাননা প্রদান অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।
বার্তা সংস্থা ইউএনবি এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে।
সাবেক রাষ্ট্রপতির গ্রেপ্তারের দাবিতে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের আন্দোলনের বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, “রাজনৈতিকভাবে মানুষের কথা বলার স্বাধীনতা আছে, প্রতিবাদ করার স্বাধীনতা আছে। কিন্তু আমরা আমলে নেওয়ার মতো কোনো বক্তব্য সেখানে দেখি নাই।”
তিনি বলেন, “রাষ্ট্রপতি দায়িত্ব পালনকালীন সময়ে সাংবিধানিকভাবে দায়িত্ব পালন করেছেন। স্বৈরাচারের শেষ সময়, অন্তর্বর্তী সরকার এবং বর্তমান সরকারের সময়েও তিনি সংবিধান অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করেছেন। আমরা তার সহযোগিতা পেয়েছি।”
দায়িত্ব পালনকালে রাষ্ট্রপতির সাংবিধানিক দায়মুক্তির বিষয়টি উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, সেই সময় সংবিধান অনুযায়ী তার দায়মুক্তি (ইমিউনিটি) ছিল। দায়িত্বের বাইরে কোনো সময়ের বিষয়ে যদি কারও কোনো অভিযোগ থাকে, সেটা আইন অনুযায়ী চলবে।
রাষ্ট্রপতির কথিত ফোনালাপের অডিও প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “আমরা পত্রিকায় দেখেছি। আমাদের কাছে এ ধরনের কোনো তথ্য নেই। আর আজকের ইন্টারনেটের যুগে কারও সঙ্গে কথা বলতে লন্ডনে যেতে হয়, এটা আমার কাছে অলীক মনে হয়।”
সাবেক রাষ্ট্রপতির নিরাপত্তা প্রসঙ্গে সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, ”সাবেক রাষ্ট্রপতি হিসেবে তিনি আইন অনুযায়ী যা যা সুযোগ পাবেন, সবই পাবেন। এসএসএফ, পিজিআরের নিরাপত্তা ছয় মাস পর্যন্ত পাবেন। পাশাপাশি পুলিশ ও অন্য সংস্থাও আইন অনুযায়ী তার নিরাপত্তার ব্যবস্থা করবে।”
এলডিপির এক নেতার ‘তিন রাজনৈতিক দল এক হলে সরকার এক সপ্তাহও টিকবে না’ মন্তব্য সম্পর্কে জানতে চাইলে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ”এক সপ্তাহ পরে কী হয়, সেটার জন্য অপেক্ষা করি। সব বিষয়ে মন্তব্য করার মতো যোগ্য আমি নই।”