চরচা প্রতিবেদক

মেঘনা গ্রুপে দখলবাজি ও চাঁদাবাজির অভিযোগে আটক নারায়ণগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্য আজহারুল ইসলাম মান্নানের ছেলে খাইরুল ইসলাম সজীবকে ছেড়ে দিয়েছে পুলিশ।
রোববার দিবাগত রাতে সজীবকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে জানিয়েছেন ডিএমপির গোয়েন্দা বিভাগের মিরপুর জোনের উপ-পুলিশ কমিশনার মহিউদ্দিন মাহমুদ সোহেল।
চরচাকে তিনি বলেন, সজীবের কাছ থেকে মুচলেকা নিয়ে তাকে পরিবারের জিম্মায় ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।
গতকাল রোববার সন্ধ্যায় রাজধানীর বসুন্ধরা এলাকা থেকে নারায়ণগঞ্জ জেলা পুলিশ সজীবকে আটক করে। পরে রাতে ডিবি মিরপুর বিভাগে তাকে হস্তান্তর করা হয়। গোয়েন্দারা তাকে জিজ্ঞাসাবাদও করেছে।
দেশের অন্যতম শিল্পগ্রুপ মেঘনা কর্তৃপক্ষের কাছে মোটা অংকের মাসিক চাঁদা ও সোনারগাঁওয়ে অবস্থিত মেঘনা ইকোনমিক্যাল জোনের বিভিন্ন ফ্যাক্টরিতে দখলবাজির অভিযোগ রয়েছে সজীবের বিরুদ্ধে।
মেঘনা গ্রুপের একজন প্রশাসনিক কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে চরচাকে বলেন, “ক্ষমতায় আসার পর থেকেই নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁওয়ে মেঘনা ইন্ড্রাস্ট্রিয়াল অ্যান্ড ইকোনোমিক জোনের ফ্যাক্টরিগুলোতে এমপি মান্নানের অনুসারীদের দখলদারিত্ব শুরু হয়। ইকোনোমি জোনের ভেতরের সব ফ্যাক্টরির নির্মাণ-সংস্কার, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, পরিবহন, সাপ্লাই, নদী খননের কাজসহ সব কিছু একচেটিয়া নিয়ন্ত্রণে নেয় তারা।”
ওই কর্মকর্তা দাবি করেন, “সবশেষ মাসিক চাঁদা হিসেবে মোটা অংকের টাকা নির্ধারণ করে দেওয়া হয় মেঘনা গ্রুপকে। আর এসবই হয়েছে এমপি পুত্রের নির্দেশে।”
একাত্তর টেলিভিশনের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর আয়োজনে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদকে এই বিষয়ে বিস্তারিত জানানো হয় বলেও জানান ওই কর্মকর্তা। তিনি বলেন, “স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে পুরো বিষয়টি বিস্তারিত জানান মেঘনা গ্রুপের চেয়ারম্যান মোস্তফা কামাল। পরে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীকে অবহিত করলে, এর বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেন।”
আটক হওয়া সজীব নারায়ণগঞ্জ জেলা যুবদলের জ্যেষ্ঠ যুগ্ম আহ্বায়ক ছিলেন। আটকের পর তাকে বহিষ্কারও করেছে যুবদল।

মেঘনা গ্রুপে দখলবাজি ও চাঁদাবাজির অভিযোগে আটক নারায়ণগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্য আজহারুল ইসলাম মান্নানের ছেলে খাইরুল ইসলাম সজীবকে ছেড়ে দিয়েছে পুলিশ।
রোববার দিবাগত রাতে সজীবকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে জানিয়েছেন ডিএমপির গোয়েন্দা বিভাগের মিরপুর জোনের উপ-পুলিশ কমিশনার মহিউদ্দিন মাহমুদ সোহেল।
চরচাকে তিনি বলেন, সজীবের কাছ থেকে মুচলেকা নিয়ে তাকে পরিবারের জিম্মায় ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।
গতকাল রোববার সন্ধ্যায় রাজধানীর বসুন্ধরা এলাকা থেকে নারায়ণগঞ্জ জেলা পুলিশ সজীবকে আটক করে। পরে রাতে ডিবি মিরপুর বিভাগে তাকে হস্তান্তর করা হয়। গোয়েন্দারা তাকে জিজ্ঞাসাবাদও করেছে।
দেশের অন্যতম শিল্পগ্রুপ মেঘনা কর্তৃপক্ষের কাছে মোটা অংকের মাসিক চাঁদা ও সোনারগাঁওয়ে অবস্থিত মেঘনা ইকোনমিক্যাল জোনের বিভিন্ন ফ্যাক্টরিতে দখলবাজির অভিযোগ রয়েছে সজীবের বিরুদ্ধে।
মেঘনা গ্রুপের একজন প্রশাসনিক কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে চরচাকে বলেন, “ক্ষমতায় আসার পর থেকেই নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁওয়ে মেঘনা ইন্ড্রাস্ট্রিয়াল অ্যান্ড ইকোনোমিক জোনের ফ্যাক্টরিগুলোতে এমপি মান্নানের অনুসারীদের দখলদারিত্ব শুরু হয়। ইকোনোমি জোনের ভেতরের সব ফ্যাক্টরির নির্মাণ-সংস্কার, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, পরিবহন, সাপ্লাই, নদী খননের কাজসহ সব কিছু একচেটিয়া নিয়ন্ত্রণে নেয় তারা।”
ওই কর্মকর্তা দাবি করেন, “সবশেষ মাসিক চাঁদা হিসেবে মোটা অংকের টাকা নির্ধারণ করে দেওয়া হয় মেঘনা গ্রুপকে। আর এসবই হয়েছে এমপি পুত্রের নির্দেশে।”
একাত্তর টেলিভিশনের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর আয়োজনে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদকে এই বিষয়ে বিস্তারিত জানানো হয় বলেও জানান ওই কর্মকর্তা। তিনি বলেন, “স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে পুরো বিষয়টি বিস্তারিত জানান মেঘনা গ্রুপের চেয়ারম্যান মোস্তফা কামাল। পরে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীকে অবহিত করলে, এর বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেন।”
আটক হওয়া সজীব নারায়ণগঞ্জ জেলা যুবদলের জ্যেষ্ঠ যুগ্ম আহ্বায়ক ছিলেন। আটকের পর তাকে বহিষ্কারও করেছে যুবদল।