চরচা ডেস্ক

বিশ্ব সাস্থ্য সংস্থা ও ইউনিসেফের সহয়তায় হামের টিকাদান কর্মসূচির পরে বাংলাদেশে হামের প্রকোপ কিছুটা কমেছে বলে দাবি করেছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন। আজ মঙ্গলবার রাজধানীতে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের এক অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন তিনি।
স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, “বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ও ইউনিসেফের যৌথ চেষ্টায় ৫ এপ্রিল থেকে দেশের হামের বেশি সংক্রামক ১৮টি জেলার ৩০ উপজেলায় টিকাদান কার্যক্রম শুরু হয়েছে। সেদিনই ৭৬ হাজার শিশুকে টিকা দেওয়া হয়েছে। আল্লাহর রহমতে এর প্রকোপ কিছুটা কমে আসছে। প্রথম দিনেই টিকাদান কর্মসূচিতে আমরা ৯৬ শতাংশ পর্যন্ত সফল হয়েছি। একইসঙ্গে টিকা কার্যক্রমও চলছে।”
স্বাস্থ্যমন্ত্রী আরও বলেন, “দেশের গ্রামাঞ্চল পর্যন্ত স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিতে চিকিৎসক ও নার্সরা যথেষ্ট আন্তরিকতার সঙ্গে কাজ করছেন। তবে সামগ্রিকভাবে দুর্নীতি বন্ধ না করলে এই প্রচেষ্টা দীর্ঘমেয়াদে কাঙ্ক্ষিত সাফল্য বয়ে আনবে না। তাই স্বাস্থ্যখাতের সব স্তরে দুর্নীতি বন্ধে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হবে।”
স্বাস্থ্য খাতে দুর্নীতি এবং টেন্ডারের বিষয়ে সাখাওয়াত হোসেন বলেন, “নৈতিকতার উন্নতি না হলে এই খাতের উন্নয়ন সম্ভব নয়। টেন্ডার প্রক্রিয়া অনেক সময় এমনভাবে তৈরি করা হয়, যাতে নির্দিষ্ট কিছু প্রতিষ্ঠান সুবিধা পায়। টিকা কেনার ক্ষেত্রেও বাস্তবতার সঙ্গে অসামঞ্জস্যপূর্ণ শর্ত আরোপ করা হয়, যা সংরক্ষণ ও ব্যবহারে সমস্যার সৃষ্টি করতে পারে এবং জনস্বাস্থ্যের জন্য ঝুঁকি তৈরি করে।”
স্বাস্থ্য খাতের দুর্নীতি শতভাগ নির্মূল করার ঘোষণা দিয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, “দুর্নীতি করতেই স্বাস্থ্যের কেনাকাটায় মারপ্যাঁচ রাখা হয়। টেন্ডার প্রক্রিয়া অনেক সময় এমনভাবে করা হয়, যাতে নির্দিষ্ট কিছু প্রতিষ্ঠান সুবিধা পায়। যে কোনো মূল্যে এই খাতের দুর্নীতি শতভাগ নির্মূল করা হবে।”
অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন স্বাস্থ্য সচিব কামরুজ্জামান চৌধুরী, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ডা. প্রভাত চন্দ্র বিশ্বাস ও স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ডা. নাজমুল হোসেন।

বিশ্ব সাস্থ্য সংস্থা ও ইউনিসেফের সহয়তায় হামের টিকাদান কর্মসূচির পরে বাংলাদেশে হামের প্রকোপ কিছুটা কমেছে বলে দাবি করেছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন। আজ মঙ্গলবার রাজধানীতে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের এক অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন তিনি।
স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, “বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ও ইউনিসেফের যৌথ চেষ্টায় ৫ এপ্রিল থেকে দেশের হামের বেশি সংক্রামক ১৮টি জেলার ৩০ উপজেলায় টিকাদান কার্যক্রম শুরু হয়েছে। সেদিনই ৭৬ হাজার শিশুকে টিকা দেওয়া হয়েছে। আল্লাহর রহমতে এর প্রকোপ কিছুটা কমে আসছে। প্রথম দিনেই টিকাদান কর্মসূচিতে আমরা ৯৬ শতাংশ পর্যন্ত সফল হয়েছি। একইসঙ্গে টিকা কার্যক্রমও চলছে।”
স্বাস্থ্যমন্ত্রী আরও বলেন, “দেশের গ্রামাঞ্চল পর্যন্ত স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিতে চিকিৎসক ও নার্সরা যথেষ্ট আন্তরিকতার সঙ্গে কাজ করছেন। তবে সামগ্রিকভাবে দুর্নীতি বন্ধ না করলে এই প্রচেষ্টা দীর্ঘমেয়াদে কাঙ্ক্ষিত সাফল্য বয়ে আনবে না। তাই স্বাস্থ্যখাতের সব স্তরে দুর্নীতি বন্ধে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হবে।”
স্বাস্থ্য খাতে দুর্নীতি এবং টেন্ডারের বিষয়ে সাখাওয়াত হোসেন বলেন, “নৈতিকতার উন্নতি না হলে এই খাতের উন্নয়ন সম্ভব নয়। টেন্ডার প্রক্রিয়া অনেক সময় এমনভাবে তৈরি করা হয়, যাতে নির্দিষ্ট কিছু প্রতিষ্ঠান সুবিধা পায়। টিকা কেনার ক্ষেত্রেও বাস্তবতার সঙ্গে অসামঞ্জস্যপূর্ণ শর্ত আরোপ করা হয়, যা সংরক্ষণ ও ব্যবহারে সমস্যার সৃষ্টি করতে পারে এবং জনস্বাস্থ্যের জন্য ঝুঁকি তৈরি করে।”
স্বাস্থ্য খাতের দুর্নীতি শতভাগ নির্মূল করার ঘোষণা দিয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, “দুর্নীতি করতেই স্বাস্থ্যের কেনাকাটায় মারপ্যাঁচ রাখা হয়। টেন্ডার প্রক্রিয়া অনেক সময় এমনভাবে করা হয়, যাতে নির্দিষ্ট কিছু প্রতিষ্ঠান সুবিধা পায়। যে কোনো মূল্যে এই খাতের দুর্নীতি শতভাগ নির্মূল করা হবে।”
অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন স্বাস্থ্য সচিব কামরুজ্জামান চৌধুরী, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ডা. প্রভাত চন্দ্র বিশ্বাস ও স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ডা. নাজমুল হোসেন।