দেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ভোট দেননি ছয় সংসদ সদস্য। তাদের মধ্যে বিএনপির তিনজন, জামায়াতের বহিস্কৃত একজন, খেলাফত মজলিসের একজন এবং একজন স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য রয়েছেন।
সংসদ সচিবালয় সূত্রে জানা গেছে, ভোট না দেওয়া সংসদ সদস্যরা হলেন- বিএনপির মির্জা আব্বাস, ওসমান ফারুক ও মোস্তফা কামাল পাশা; জামায়াতের বহিস্কৃত গাজী নজরুল ইসলাম, খেলাফত মজলিসের আবুল হাসান এবং স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য রুমিন ফারাহানা।
আজ বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদের অধিবেশন কক্ষে বিকাল ৫টায় তিন ঘণ্টার ভোটগ্রহণ শেষে ফলাফল ঘোষণা করেন রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের রিটার্নিং কর্মকর্তা ও প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দীন।
সিইসি বলেন, “বিএনপি মনোনীত রাষ্ট্রপতি প্রার্থী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ২৫৫ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। জামায়াত নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় ঐক্যের প্রার্থী কর্নেল (অব.) অলি আহমদ (বীর বীক্রম) পেয়েছেন ৮৮ ভোট। তদ অনুযায়ী আমি ঘোষণা করছি যে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর সর্বোচ্চ সংখ্যক ভোট পাওয়ায় রাষ্ট্রপতি পদে বিজয়ী হয়েছেন।”
তিনি বলেন, “রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে মোটা ভোটার ছিলেন ৩৪৯ জন। মুদ্রিত ব্যালট ছিল ৩৪৯টি, কাস্টিং ব্যালট ছিল ৩৪৩টি। অব্যবহৃত ব্যালট ছয়টি, রিপ্লেসড ব্যালট চারটি।”
এর আগে দুপুর ২টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত জাতীয় সংসদের অধিবেশন কক্ষে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। ভোট দেন ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ, ভারপ্রাপ্ত স্পিকার কায়সার কামাল, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, বিএনপির প্রার্থী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, বিরোধী দলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমানসহ অন্যান্য সংসদ সদস্যরা।
রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ভোটার তালিকায় ছিলেন ৩৪৯ জন সংসদ সদস্য। উচ্চ আদালতের রায়ে প্রার্থিতা বাতিল হওয়ায় চট্টগ্রাম-৪ আসনটি ভোটার তালিকার বাইরে ছিল।