চরচা ডেস্ক

যুক্তরাজ্যে চিকিৎসা ও স্বাস্থ্য পরীক্ষা শেষে আজ সোমবার দেশে ফিরেছেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন। সকাল ১০টা ৫০ মিনিটে হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে রাষ্ট্রপতিকে বহনকারী বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের বাণিজ্যিক ফ্লাইট বিজি-২০২ অবতরণ করে।
বার্তা সংস্থা ইউএনবির এক প্রতিবেদনে এ খবর জানানো হয়েছে।
বিমানবন্দরে রাষ্ট্রপতিকে স্বাগত জানান আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান, ডিপ্লোমেটিক কোরের ডিন ইউসুফ এস ওয়াই রমাদান, ব্রিটিশ হাইকমিশনের কাউন্সিলর এ্যালিসন জে ক্রস এবং পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় ও রাষ্ট্রপতির কার্যালয়ের সচিবসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।
গত ৯ মে চিকিৎসকদের পরামর্শে ফলো-আপ চিকিৎসা ও স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য লন্ডনের উদ্দেশে ঢাকা ত্যাগ করেন রাষ্ট্রপতি।
এরপর ১২ মে ক্যামব্রিজের রয়াল প্যাপওয়ার্থ হাসপাতালে ইন্টারভেনশনাল কার্ডিওলজিস্ট ডা. স্টিফেন হোলির তত্ত্বাবধানে রাষ্ট্রপতির এনজিওগ্রাম করা হয়। এ সময় হৃদযন্ত্রে গুরুতর ব্লক ধরা পড়লে তাৎক্ষণিকভাবে এনজিওপ্লাস্টি করে সফলভাবে একটি স্টেন্ট স্থাপন করা হয়।
রাষ্ট্রপতির প্রেস উইং থেকে পাঠানো এক বার্তায় জানানো হয়েছে, বর্তমানে তার শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল ও সন্তোষজনক রয়েছে।
এর আগে ২০২৩ সালের অক্টোবরে সিঙ্গাপুরে তার কার্ডিয়াক বাইপাস সার্জারি সম্পন্ন হয়।

যুক্তরাজ্যে চিকিৎসা ও স্বাস্থ্য পরীক্ষা শেষে আজ সোমবার দেশে ফিরেছেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন। সকাল ১০টা ৫০ মিনিটে হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে রাষ্ট্রপতিকে বহনকারী বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের বাণিজ্যিক ফ্লাইট বিজি-২০২ অবতরণ করে।
বার্তা সংস্থা ইউএনবির এক প্রতিবেদনে এ খবর জানানো হয়েছে।
বিমানবন্দরে রাষ্ট্রপতিকে স্বাগত জানান আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান, ডিপ্লোমেটিক কোরের ডিন ইউসুফ এস ওয়াই রমাদান, ব্রিটিশ হাইকমিশনের কাউন্সিলর এ্যালিসন জে ক্রস এবং পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় ও রাষ্ট্রপতির কার্যালয়ের সচিবসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।
গত ৯ মে চিকিৎসকদের পরামর্শে ফলো-আপ চিকিৎসা ও স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য লন্ডনের উদ্দেশে ঢাকা ত্যাগ করেন রাষ্ট্রপতি।
এরপর ১২ মে ক্যামব্রিজের রয়াল প্যাপওয়ার্থ হাসপাতালে ইন্টারভেনশনাল কার্ডিওলজিস্ট ডা. স্টিফেন হোলির তত্ত্বাবধানে রাষ্ট্রপতির এনজিওগ্রাম করা হয়। এ সময় হৃদযন্ত্রে গুরুতর ব্লক ধরা পড়লে তাৎক্ষণিকভাবে এনজিওপ্লাস্টি করে সফলভাবে একটি স্টেন্ট স্থাপন করা হয়।
রাষ্ট্রপতির প্রেস উইং থেকে পাঠানো এক বার্তায় জানানো হয়েছে, বর্তমানে তার শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল ও সন্তোষজনক রয়েছে।
এর আগে ২০২৩ সালের অক্টোবরে সিঙ্গাপুরে তার কার্ডিয়াক বাইপাস সার্জারি সম্পন্ন হয়।

হামের প্রাদুর্ভাবে শিশু মৃত্যুর ঘটনাকে কেন্দ্র করে দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস এবং সাবেক স্বাস্থ্য উপদেষ্টা নূরজাহান বেগমসহ চারজনের বিরুদ্ধে করা মামলার আবেদন খারিজ করে দিয়েছেন আদালত।