হিমবাহধসে নেপালে সৃষ্ট বন্যা ও ভূমিধসের নয় দিন পর ত্রিশূলি ৩ জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের সুড়ঙ্গ থেকে দুই ব্যক্তিকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে।
বিবিসির সংবাদে জানানো হয়েছে, আজ শুক্রবার দুই ব্যক্তিকে উদ্ধার করা হয়।
উদ্ধার হওয়া দুই শ্রমিক হলেন ৩০ বছর বয়সী মেকানিক্যাল ফোরম্যান সঞ্জয় শাহ এবং ৪৫ বছর বয়সী মেকানিক্যাল সুপারভাইজার কবির মহার্জন। সঞ্জয় শাহকে উড়োজাহাজে রাজধানী কাঠমান্ডুর এক হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে। কবির মহার্জনকেও হাসপাতালে নেওয়ার প্রস্তুতি চলছে।
এএফপির প্রতিবেদনে বলা হয়, একজন শ্রমিককে কাদায় ঢাকা সুড়ঙ্গের মুখ থেকে বের করে আনেন উদ্ধারকারীরা। পরে তাকে দাঁড়াতে সহায়তা করা হয়। অপর শ্রমিককে একটি কমলা রঙের স্ট্রেচারে করে বের করে আনা হয়। তার শরীরও কাদায় মাখা ছিল এবং উদ্ধারের সময় তিনি হাত জোড় করে প্রার্থনা করছিলেন।
২৬ আগস্ট ভয়াবহ বন্যা ও ভূমিধসে ত্রিশূলি নদীসংলগ্ন এলাকায় একাধিক জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের সুড়ঙ্গে শত শত শ্রমিক আটকা পড়েন। তাদের মধ্যে চীন, দক্ষিণ কোরিয়া ও ভারতের নাগরিকও রয়েছেন।
নেপাল বিদ্যুৎ বিভাগের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা সুরেশ রাউত বলেন, উদ্ধার হওয়া ব্যক্তিদের প্রয়োজনীয় অক্সিজেন দেওয়া হচ্ছে। সুড়ঙ্গের ভেতরে আরও মানুষ আটকা পড়ে থাকতে পারেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।
নেপালে আকস্মিক বন্যায় এখন পর্যন্ত ১ হাজার ২৫২ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এখনো অন্তত ৪ হাজার ২১৬ জন মানুষ নিখোঁজ রয়েছেন।