
নেপাল-তিব্বত সীমান্তে পাহাড়ি নদীতে আকস্মিক বন্যা ও ভূমিধসে অন্তত ১৬০ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় দেশি-বিদেশি অন্তত ৪০০ জন পর্যটক এখনও নিখোঁজ রয়েছেন।

নেপালে আকস্মিক বন্যা ও ভূমিধসে প্রাণহানি ও ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতিতে গভীর শোক প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ। একই সঙ্গে দুর্যোগ মোকাবিলায় ত্রাণ ও উদ্ধার কার্যক্রমে কাঠমান্ডুকে সম্ভাব্য সব ধরনের সহায়তা দেওয়ার প্রস্তুতির কথা জানিয়েছে ঢাকা। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা বা

নেপাল-তিব্বত সীমান্তে পাহাড়ি নদীতে আকস্মিক বন্যা ও ভূমিধসে অন্তত ৯৫ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় বহু দেশি-বিদেশি পর্যটক ও নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যসহ ন্যূনতম ৪০০ জন এখনও নিখোঁজ রয়েছেন।উত্তর নেপালের পাহাড়ি ভোতেকোশি নদীতে বুধবার স্থানীয় সময় সকাল ৯টার দিকে তিব্বত সীমান্ত থেকে তীব্র গতিতে পানি নেমে

এলাকার এক প্রত্যক্ষদর্শীর বরাত দিয়ে অনলাইনখবর পোর্টাল জানায়, “সবকিছু হঠাৎ ঘটে গেল। আমরা আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাতের মতো বিকট শব্দ শুনতে পাই। মানুষ চিৎকার শুরু করে এবং দৌড়ে পালাতে থাকে।”

নির্মল পুরজা ব্রিটিশ বিশেষ বাহিনীতে গুর্খা সেনা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন। ২০১৯ সালে মাত্র ছয় মাসের মধ্যে বিশ্বের ১৪টি সর্বোচ্চ পর্বত আরোহণ করে তিনি রেকর্ড গড়েন।

নেপালের দক্ষিণাঞ্চলে হিন্দু ও মুসলিম সম্প্রদায়ের মধ্যে সংঘর্ষে তিনজন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় জনগণকে শান্ত থাকার আহ্বান জানিয়েছেন দেশটির প্রধানমন্ত্রী বালেন্দ্র শাহ।

তথ্যমন্ত্রী বলেন, সাংবাদিকদের ‘অ্যাক্টিভিস্ট’ হওয়া উচিত নয়। সাংবাদিকের মূল দায়িত্ব হলো উপাত্তের ওপর দাঁড়িয়ে সত্যকে উন্মোচন করা। ডেটা বা সুনির্দিষ্ট তথ্য ছাড়া কোনো ধারণাই খবর হতে পারে না। সমাজকে সঠিকভাবে বুঝতে ও ফুটিয়ে তুলতে বস্তুনিষ্ঠ সংবাদচর্চার পরিবেশ বজায় রাখা অত্যন্ত জরুরি।
প্রচলিত রাজনৈতিক দলের বাইরে এসে দক্ষিণ এশিয়ায় জেন-জি প্রজন্মই এখন রাষ্ট্রীয় জবাবদিহি ও পরিবর্তনের মূল চালিকাশক্তি হয়ে উঠছে। বাংলাদেশ, নেপাল ও ভারতের সাম্প্রতিক আন্দোলনগুলো প্রমাণ করে যে তরুণরা কোনো নির্দিষ্ট দলের আনুগত্যে নয়, বরং ইস্যুভিত্তিক সুশাসন ও ন্যায্যতার দাবিতে সংগঠিত হচ্ছে।

তাছাড়া দক্ষিণ এশিয়ার অন্যান্য দেশে আন্দোলনের মুখে পড়া সরকারগুলোর তুলনায় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সরকার অনেকটাই জনপ্রিয়। তবুও চলতি সপ্তাহে ভারতের রাজপথে যা ঘটে চলেছে, তা ভারতীয় রাজনীতির জন্য অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ।

প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর দেশটির দীর্ঘদিনের কূটনৈতিক রীতি থেকে সরে এসে বিদেশি রাষ্ট্রদূতদের সঙ্গে একক বৈঠক করা থেকে বিরত ছিলেন বালেন্দ্র শাহ।

নেপালের পররাষ্ট্রনীতির সবচেয়ে বড় সমস্যা আসলে দিল্লি বা বেইজিং নয়, বরং নেপালি রাষ্ট্রের নিজস্ব প্রাতিষ্ঠানিক দুর্বলতা। মূল বিভাজনটি এখন আর ভারত ও চীনের মধ্যে নয়, বরং কাঠমান্ডুর উচ্চাকাঙ্ক্ষা ও তা বাস্তবায়নের সক্ষমতার মধ্যে।

প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা অসীম শাহের তথ্য অনুযায়ী, তারা বিভিন্ন মাধ্যম থেকে প্রায় ৪৪ হাজার ৬১৩টি পরামর্শ পেয়েছেন। এর মধ্যে ১৯ হাজার ২৩৯টি ইমেলের মাধ্যমে এবং ২৫ হাজার ৩৭৪টি হোয়াটসঅ্যাপের মাধ্যমে এসেছে। তবে টাস্ক ফোর্সের কোনো নিজস্ব অবস্থান বা রাজনৈতিক এজেন্ডা তৈরি করার আইনি এখতিয়ার ছিল না।

কোনো ধরনের পুনর্বাসন পরিকল্পনা ছাড়াই বস্তিবাসীদের উচ্ছেদ এবং সরকারের অমানবিক আচরণের প্রতিবাদে নেপালের রাজধানী কাঠমান্ডুতে আবার উত্তাল হয়ে উঠেছে রাজপথ। আজ রোববার শত শত মানুষ রাস্তায় নেমে বর্তমান সরকারের বিরুদ্ধে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। গত বছর যে ‘জেন-জি’ বা তরুণদের আন্দোলনের ওপর ভর করে

বাংলাদেশ, নেপাল এবং শ্রীলঙ্কা বর্তমানে এক ঐতিহাসিক পরিবর্তনের মুখোমুখি দাঁড়িয়েছে। তরুণদের নেতৃত্বাধীন গণ-আন্দোলনের জোয়ারে ক্ষমতায় আসা এই দেশগুলোর তুলনামূলক নতুন সরকারগুলোর প্রতি এখনো জনগণের ব্যাপক সমর্থন রয়েছে।

আগামী ১৫ জুন থেকে বাংলাদেশে কেবল ৪০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ রপ্তানি করবে নেপাল। প্রথমে ৬০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ রপ্তানি করার কথা থাকলেও ভারত অনুমোদন না দেওয়ায় বাড়তি ২০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ ঢাকায় আসছে না।

আগের দুবারই শিরোপা জিতেছে বাংলাদেশ। দুবারই নেপালের মাঠে স্বাগতিকদের হারিয়ে। এবার টানা তৃতীয় সাফ ট্রফির খোঁজে বাংলাদেশ কি ফাইনালে আবার স্বাগতিক দলকেই পাবে? অন্য সেমিফাইনালে ধারে-ভারে পিছিয়ে থাকা ভুটানের মুখোমুখি হবে স্বাগতিক ভারত।

আজ ১৬ মে, ইতিহাসের এক অবিস্মরণীয় দিন। কিন্তু আপনি কি জানেন, পুরুষ-শাসিত পর্বতারোহণ জগতের সমস্ত লিঙ্গবৈষম্য আর সামাজিক কুসংস্কারের দেয়াল ভেঙে আজকের দিনেই এক নারী ছুঁয়েছিলেন পৃথিবীর সর্বোচ্চ চূড়া?

নেপাল সরকার এ বিষয়ে ধারাবাহিকভাবে তাদের অবস্থান জোরালোভাবে তুলে ধরে আসছে। লিপুলেখ প্রশ্নে তারা সম্পূর্ণ স্পষ্ট ও অনড় বলে উল্লেখ করেন দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র। তিনি জানান, বিষয়টি ইতিমধ্যে বন্ধুপ্রতীম দুই দেশ ভারত ও চীনকে অবহিত করা হয়েছে।

গত বছর নেপালে জেন-জি প্রজন্মের হাত ধরে একটি রাজনৈতিক অভ্যুত্থান ঘটেছিল, যা দেশটির পুরো ক্ষমতা কাঠামোকে বদলে দেয়। ভোটের পর একটি নতুন সরকার গঠিত হয়। তাদের কাছে প্রত্যাশা ছিল অতীতের কলঙ্কমুক্ত এক সংস্কারবাদী নেপাল। কিন্তু ক্ষমতা গ্রহণের মাত্র এক মাস পার হতে না হতেই জনমনে সংশয় জাগছে—নতুন নেতৃত্ব কি আসলে

ক্ষমতায় আসার এক মাসেরও কম সময়ের মধ্যে আর্থিক অনিয়মের অভিযোগের মুখে নেপালের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সুদান গুরুং পদত্যাগ করেছেন। বার্তা সংস্থা রয়টার্স বলছে, আজ বুধবার পদত্যাগ করেন তিনি।