
নেপালের জেন-জি'দের বিক্ষোভে নিহতদের স্বজনেরা জানিয়েছেন, শহীদ স্বীকৃতি, রাষ্ট্রীয় মর্যাদা এবং সচিব পর্যায়ের পেনশন না দেওয়া পর্যন্ত তাঁরা প্রিয়জনদের মরদেহ গ্রহণ করবেন না। আহতদের সঙ্গে মিলিত হয়ে তাঁরা একটি সংগ্রাম কমিটি গঠন করেছে।

এক বছর আগে ছাত্র–জনতার অভ্যূত্থানে কেঁপে উঠেছিল বাংলাদেশ। সেই গণঅভ্যূত্থানে পতন ঘটেছে একটি স্বৈরাচারী সরকারের। এক বছরের মাথায় নেপালও সাক্ষী গণবিস্ফোরণের। সেখানেও সরকারের পতন ঘটেছে। দুই দেশের গণঅভ্যূত্থানের মিল আর অমিল নিয়ে আলোচনায় সেলিম খান ও নাইর ইকবাল।

শরৎকাল সাধারণত নেপালের অর্থনীতির সবচেয়ে প্রাণবন্ত সময়। এ সময় পর্যটকদের ঢল নামে। প্রবাসী নেপালিরা এ সময় বিভিন্ন উৎসবে অংশ নিতে দেশে ফেরেন। হোটেল, পরিবহন, এয়ারলাইনস থেকে শুরু করে খুচরা ব্যবসার দোকানও এ সময় জমজমাট চলে।

নেপালের পর্যটন খাত জেন-জি বিক্ষোভের কারণে ব্যাপক ক্ষতির মুখে পড়েছে। স্থানীয় সংবাদমাধ্যম দ্য হিমালয়ান টাইমসের প্রতিবেদনে বলা হয়, গত ৮–৯ সেপ্টেম্বরের সহিংসতায় হোটেল ভাঙচুর, লুটপাট, যাতায়াত বিঘ্ন ও বুকিং বাতিলের ফলে আনুমানিক ২৫০০ কোটি নেপালি রুপির (বাংলাদেশি মুদ্রায় ২ হাজার ১৫৫ কোটি টাকা) ক্ষতি হয়েছে।

নেপালে দুর্নীতিবিরোধী বিক্ষোভে উত্তাল পরিস্থিতির মধ্যে পার্লামেন্ট ভেঙে দেওয়ার ঘটনায় নতুন রাজনৈতিক সংকট তৈরি হয়েছে। প্রেসিডেন্ট রামচন্দ্র পৌডেলের এই সিদ্ধান্তকে অসাংবিধানিক আখ্যা দিয়ে নেপালি কংগ্রেস, সিপিএন-ইউএমএল ও মাওবাদী সেন্টারসহ আটটি দল পার্লামেন্ট পুনর্বহালের দাবি জানিয়েছে।

নেপালে তীব্র রাজনৈতিক অস্থিরতার মধ্যে সংসদ ভেঙে দিয়ে অন্তর্বর্তী সরকার গঠন করা হয়েছে। অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব নিয়েছেন সাবেক প্রধান বিচারপতি সুশীলা কার্কি, যিনি দেশটির ইতিহাসে প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী।

নেপালে কী ঘটছে? সেখানকার পরিস্থিতি আরও সহিংস হচ্ছে। ওলির পতনের পর এখনো নতুন কেউ দায়িত্ব নেননি। সেনাবাহিনীর সঙ্গে তরুণেরা সংঘর্ষে জড়াচ্ছে। চলছে লুটপাট, নৈরাজ্য। নাইর ইকবালের সঞ্চালনায় দেশটির সর্বশেষ পরিস্থিতি বিশ্লেষণ করেছেন সেলিম খান

দক্ষিণ এশিয়াতেই কেন বারবার গণবিস্ফোরণ? শ্রীলঙ্কা ও বাংলাদেশের পর এবার নেপাল। গত তিন বছরে তিনটি দেশে মানুষ রাস্তায় নেমে বিদায় করেছে সরকার। এই গণআন্দোলন এবং সরকার পতনের পেছনে অর্থনৈতিক ও সামাজিক কারণগুলো কী? দুই দিনের গণআন্দোলনে সরকারের পতন ঘটার পর নেপালের ভবিষ্যৎ কী?

বাংলাদেশ ও শ্রীলঙ্কার পর নেপালেও সহিংস আন্দোলনের কারণে সরকারের পতন হলো। সামাজিক মাধ্যমে নিষেধাজ্ঞার প্রতিবাদে পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষে ২০-এর বেশি নিহত হওয়ার পর প্রধানমন্ত্রী কেপি শর্মা অলি পদত্যাগ করেন। বিক্ষোভকারীরা সংসদে ঢুকে হামলা চালিয়েছে এবং কয়েকজন রাজনীতিকের বাড়িতে আগুন দিয়েছে।

বাংলাদেশ ও শ্রীলঙ্কার পর নেপালেও সহিংস আন্দোলনের কারণে সরকারের পতন হলো। সামাজিক মাধ্যমে নিষেধাজ্ঞার প্রতিবাদে পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষে ২০-এর বেশি নিহত হওয়ার পর প্রধানমন্ত্রী কেপি শর্মা অলি পদত্যাগ করেন। বিক্ষোভকারীরা সংসদে ঢুকে হামলা চালিয়েছে এবং কয়েকজন রাজনীতিকের বাড়িতে আগুন দিয়েছে।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম বন্ধ এবং দুর্নীতির বিরুদ্ধে প্রতিবাদে উত্তাল নেপাল। গত ৮ সেপ্টেম্বর নিরাপত্তা বাহিনীর গুলিতে প্রাণ হারিয়েছে ১৯জন তরুণ। নেপালের পরিস্থিতি এখন কোন দিকে গড়াচ্ছে? নেপালে কি হতে যাচ্ছে বাংলাদেশের মতো আরও একটি ‘৩৬ জুলাই’?

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম বন্ধ এবং দুর্নীতির বিরুদ্ধে প্রতিবাদে উত্তাল নেপাল। গত ৮ সেপ্টেম্বর নিরাপত্তা বাহিনীর গুলিতে প্রাণ হারিয়েছে ১৯জন তরুণ। নেপালের পরিস্থিতি এখন কোন দিকে গড়াচ্ছে? নেপালে কি হতে যাচ্ছে বাংলাদেশের মতো আরও একটি ‘৩৬ জুলাই’?

জেন-জি'দের বিক্ষোভের মুখ পতন ঘটেছে নেপালে কে পি শর্মা ওলি নেতৃত্বাধীন সরকারের। জ্বালিয়ে দেওয়া হয়েছে নেপালের পার্লামেন্ট, সুপ্রিমকোর্ট। ভাঙচুর চালানো হয়েছে রাষ্ট্রপতি-প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনসহ বেশ কয়েকজন মন্ত্রীর বাড়িতে।

জেন-জি'দের বিক্ষোভের মুখ পতন ঘটেছে নেপালে কে পি শর্মা ওলি নেতৃত্বাধীন সরকারের। জ্বালিয়ে দেওয়া হয়েছে নেপালের পার্লামেন্ট, সুপ্রিমকোর্ট। ভাঙচুর চালানো হয়েছে রাষ্ট্রপতি-প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনসহ বেশ কয়েকজন মন্ত্রীর বাড়িতে।