
গত বছরে নেপালে ‘জেন জি’ দের বিক্ষোভে ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী কে.পি. শর্মা ওলি বলেছেন, তার বিরুদ্ধে হওয়া বিক্ষোভ ছিল অস্বাভাবিক ও পরিকল্পিত। নেপালে এমন কিছু হতে পারে বলে বাংলাদেশ ও শ্রীলঙ্কার নেতারা নেপালকে সতর্ক করেছিলেন বলেও জানান তিনি।

সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার জানাজায় অংশ নিতে নেপালের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বালা নন্দা শর্মা গতকাল মঙ্গলবার রাতে ঢাকা এসে পৌঁছেছেন।

গতকাল রোববার বালেন রাষ্ট্রীয় স্বতন্ত্র পার্টিতে (আরএসপি) আনুষ্ঠানিকভাবে যোগ দিয়েছেন। দলটির নেতৃত্বে রয়েছেন সাবেক টেলিভিশন উপস্থাপক ও রাজনীতিবিদ রবি লামিচানে।

ইদানীং অনেকেই সোনার হরিণের বদলে আওয়াজ তুলছেন, ‘আমার সেভেন সিস্টার চাই, আমার সেভেন সিস্টার চাই!’ কেউ বুঝে, কেউ না বুঝে, আবার কেউ হাওয়া গরম করতে। আরে বাবা, শুধু সেভেন সিস্টার কেন, এই সাত বোন চম্পার তো একটা ভাইও আছে! তাদের এখন আটজনের সংসার! দিল্লির ছাতার তলায় বর্তমানে দিব্যি সুখে-শান্তিতে বসবাস করছে।

মুহাম্মদ ইউনূস প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন, ২০২৬ সালের নির্বাচনে বিজয়ী পক্ষের হাতে ক্ষমতা হস্তান্তর করে নতুন সরকার গঠনের সুযোগ দেওয়া হবে। অনেকেই আশা করছেন, এই নির্বাচিত সরকার বাংলাদেশের জনগণের প্রত্যাশিত সংস্কারগুলো বাস্তবায়নে আরও সক্ষম হবে।

দলের সভাপতি নির্বাচনে ভোট দেওয়ার যোগ্যতা রয়েছে দুই হাজারেরও বেশি ইউএমএল প্রতিনিধির। অলির বিরুদ্ধে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন তার দলের সহ-সভাপতি ঈশ্বর পোখরেল।

নেপালি ভোটারদের কাছে এখনও দুর্নীতিই প্রধান সমস্যা। এই উদ্বেগের গভীরে রয়েছে তাদের ভবিষ্যৎ নিয়ে চরম উৎকণ্ঠাও। নেপালের জনগণের গড় বয়স ২৬ বছর হলেও, দেশটির অর্থনীতি তরুণদেরকে তেমন কিছুই দিতে পারছে না।

নেপালের ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী কে.পি. শর্মা অলি সাম্প্রতিক বিক্ষোভ-উত্তাল পরিস্থিতির পর পার্লামেন্ট পুনর্বহালের দাবি তুলেছেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম নিষেধাজ্ঞা ঘিরে শুরু হওয়া জেন জি আন্দোলন ও তরুণদের ক্রমবর্ধমান ক্ষোভ নেপালের রাজনৈতিক সংকটকে আরও জটিল করে তুলেছে।

আমরা এখন এটা দেখতে শুধু অপেক্ষা করতে পারি– জেন-জি আন্দোলন কীভাবে পৃথিবীকে গড়ে তোলে। মানবজাতির জন্য বর্তমানে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ জলবায়ু পরিবর্তন ও বৈশ্বিক উষ্ণায়নের মোকাবিলা।

সাবেক প্রধানমন্ত্রী কেপি শর্মা ওলির দল নেপাল কমিউনিস্ট পার্টির সমর্থকদের সঙ্গে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে তরুণরা। পরিস্থিতি খারাপের দিকে যায় যখন তরুণ আন্দোলনকারীরা এবং সিপিএন সমর্থকেরা এক সঙ্গে সমাবেশ করে। পরবর্তীতে উভয় দলের মধ্যে হাতাহাতি শুরু হয়। ফলে কর্তৃপক্ষ কারফিউ জারি করতে বাধ্য হয়।

দেশভিত্তিক তথ্য বিশ্লেষণে দেখা গেছে, বৈশ্বিক ক্ষুধা সূচকে বাংলাদেশের এবারের স্কোর ১৯ দশমিক ২। এই নম্বর নিয়ে ১২৩টি দেশের মধ্যে বাংলাদেশের অবস্থান ৮৫তম। গত বছর বাংলাদেশর মোট নম্বর ছিল ১৯ দশমিক ৪।

সাউথ চায়না মর্নিং পোস্টের নিবন্ধ
লন্ডনের বড় বড় ভবনগুলো এখনও ঝলমল করছে, কিন্তু আদতে এটি এশিয়ার কোটি কোটি মানুষের চুরি করা স্বপ্নের ওপর নির্মিত স্মৃতিস্তম্ভ। এটি এমন একটি ব্যবস্থা যা এখনও ক্ষমতাবানদের জবাবদিহিতায় আনার জন্য লড়াই করছে।

নেপালের জেন-জি'দের বিক্ষোভে নিহতদের স্বজনেরা জানিয়েছেন, শহীদ স্বীকৃতি, রাষ্ট্রীয় মর্যাদা এবং সচিব পর্যায়ের পেনশন না দেওয়া পর্যন্ত তাঁরা প্রিয়জনদের মরদেহ গ্রহণ করবেন না। আহতদের সঙ্গে মিলিত হয়ে তাঁরা একটি সংগ্রাম কমিটি গঠন করেছে।

এক বছর আগে ছাত্র–জনতার অভ্যূত্থানে কেঁপে উঠেছিল বাংলাদেশ। সেই গণঅভ্যূত্থানে পতন ঘটেছে একটি স্বৈরাচারী সরকারের। এক বছরের মাথায় নেপালও সাক্ষী গণবিস্ফোরণের। সেখানেও সরকারের পতন ঘটেছে। দুই দেশের গণঅভ্যূত্থানের মিল আর অমিল নিয়ে আলোচনায় সেলিম খান ও নাইর ইকবাল।

এক বছর আগে ছাত্র–জনতার অভ্যূত্থানে কেঁপে উঠেছিল বাংলাদেশ। সেই গণঅভ্যূত্থানে পতন ঘটেছে একটি স্বৈরাচারী সরকারের। এক বছরের মাথায় নেপালও সাক্ষী গণবিস্ফোরণের। সেখানেও সরকারের পতন ঘটেছে। দুই দেশের গণঅভ্যূত্থানের মিল আর অমিল নিয়ে আলোচনায় সেলিম খান ও নাইর ইকবাল।

শরৎকাল সাধারণত নেপালের অর্থনীতির সবচেয়ে প্রাণবন্ত সময়। এ সময় পর্যটকদের ঢল নামে। প্রবাসী নেপালিরা এ সময় বিভিন্ন উৎসবে অংশ নিতে দেশে ফেরেন। হোটেল, পরিবহন, এয়ারলাইনস থেকে শুরু করে খুচরা ব্যবসার দোকানও এ সময় জমজমাট চলে।

শরৎকাল সাধারণত নেপালের অর্থনীতির সবচেয়ে প্রাণবন্ত সময়। এ সময় পর্যটকদের ঢল নামে। প্রবাসী নেপালিরা এ সময় বিভিন্ন উৎসবে অংশ নিতে দেশে ফেরেন। হোটেল, পরিবহন, এয়ারলাইনস থেকে শুরু করে খুচরা ব্যবসার দোকানও এ সময় জমজমাট চলে।

নেপালের পর্যটন খাত জেন-জি বিক্ষোভের কারণে ব্যাপক ক্ষতির মুখে পড়েছে। স্থানীয় সংবাদমাধ্যম দ্য হিমালয়ান টাইমসের প্রতিবেদনে বলা হয়, গত ৮–৯ সেপ্টেম্বরের সহিংসতায় হোটেল ভাঙচুর, লুটপাট, যাতায়াত বিঘ্ন ও বুকিং বাতিলের ফলে আনুমানিক ২৫০০ কোটি নেপালি রুপির (বাংলাদেশি মুদ্রায় ২ হাজার ১৫৫ কোটি টাকা) ক্ষতি হয়েছে।

নেপালের পর্যটন খাত জেন-জি বিক্ষোভের কারণে ব্যাপক ক্ষতির মুখে পড়েছে। স্থানীয় সংবাদমাধ্যম দ্য হিমালয়ান টাইমসের প্রতিবেদনে বলা হয়, গত ৮–৯ সেপ্টেম্বরের সহিংসতায় হোটেল ভাঙচুর, লুটপাট, যাতায়াত বিঘ্ন ও বুকিং বাতিলের ফলে আনুমানিক ২৫০০ কোটি নেপালি রুপির (বাংলাদেশি মুদ্রায় ২ হাজার ১৫৫ কোটি টাকা) ক্ষতি হয়েছে।