চরচা ডেস্ক

হামের উপসর্গ নিয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় ৪ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এই সময়ে হাম ও উপসর্গ নিয়ে আক্রান্ত হয়েছে ১ হাজার ৫১ শিশু।
আজ রোববার বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হাম-বিষয়ক হালনাগাদ প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৪ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। তবে নিশ্চিতভাবে হামে আক্রান্ত হয়ে কোনো শিশুর মৃত্যু হয়নি।
এ নিয়ে গত ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত সারা দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে মৃত্যু হয়েছে মোট ৬৯৩ শিশুর। আর হামে আক্রান্ত হয়ে আরও ৯৫ শিশু প্রাণ হারিয়েছে। অর্থাৎ, হাম ও উপসর্গ নিয়ে এই সময়ে মোট ৭৮৮ শিশু মারা গেছে।
এছাড়া, ২৪ ঘণ্টায় ১১৩ শিশু হামে আক্রান্ত হয়েছে। হামের উপসর্গজনিত রোগীর সংখ্যা ৯৩৮ জন। এই সময়ে ৮৮৮ শিশু নতুন করে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে। অন্যদিকে, হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়েছে ৯৯২ শিশু।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য বলছে, গত ১৫ মার্চ থেকে আজ পর্যন্ত মোট সন্দেহজনক হাম রোগীর সংখ্যা ১ লাখ ১৭ হাজার ৬৪৮ জন। তবে নিশ্চিত হাম রোগীর সংখ্যা ১৪ হাজার ৪৩১ জন। এর মধ্যে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে মোট ১ লাখ ১৩৭ রোগী। যাদের মধ্যে ৯৬ হাজার ৫২১ জন ছাড়পত্র পেয়ে ইতোমধ্যে বাড়ি ফিরেছে।

হামের উপসর্গ নিয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় ৪ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এই সময়ে হাম ও উপসর্গ নিয়ে আক্রান্ত হয়েছে ১ হাজার ৫১ শিশু।
আজ রোববার বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হাম-বিষয়ক হালনাগাদ প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৪ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। তবে নিশ্চিতভাবে হামে আক্রান্ত হয়ে কোনো শিশুর মৃত্যু হয়নি।
এ নিয়ে গত ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত সারা দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে মৃত্যু হয়েছে মোট ৬৯৩ শিশুর। আর হামে আক্রান্ত হয়ে আরও ৯৫ শিশু প্রাণ হারিয়েছে। অর্থাৎ, হাম ও উপসর্গ নিয়ে এই সময়ে মোট ৭৮৮ শিশু মারা গেছে।
এছাড়া, ২৪ ঘণ্টায় ১১৩ শিশু হামে আক্রান্ত হয়েছে। হামের উপসর্গজনিত রোগীর সংখ্যা ৯৩৮ জন। এই সময়ে ৮৮৮ শিশু নতুন করে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে। অন্যদিকে, হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়েছে ৯৯২ শিশু।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য বলছে, গত ১৫ মার্চ থেকে আজ পর্যন্ত মোট সন্দেহজনক হাম রোগীর সংখ্যা ১ লাখ ১৭ হাজার ৬৪৮ জন। তবে নিশ্চিত হাম রোগীর সংখ্যা ১৪ হাজার ৪৩১ জন। এর মধ্যে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে মোট ১ লাখ ১৩৭ রোগী। যাদের মধ্যে ৯৬ হাজার ৫২১ জন ছাড়পত্র পেয়ে ইতোমধ্যে বাড়ি ফিরেছে।

গত ৮ জুলাই স্বামী রনির সাথে চলে যাওয়ার জন্য নগরীর বসুপাড়া বাঁশতলা এলাকার বাড়ি থেকে বের হয় নির্জনা। পরে পরিবারের সদস্যরা তাকে রাস্তা থেকে বাড়ি নিয়ে আসে। ওইদিন বিকেলে মা সীমার সাথে নির্জনার কথা কাটাকাটি হয়। সে সময় নির্জনা মায়ের গায়ে হাত তোলে। এরপর সীমার গলা টিপে ধরে নির্জনা।