চরচা প্রতিবেদক

দেশে জ্বালানি তেলের কোনো স্থায়ী সংকট নেই এবং বর্তমানে যে মজুত রয়েছে তা দিয়ে পরিস্থিতি মোকাবিলা সম্ভব বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম ডিলার্স, ডিস্ট্রিবিউটর্স, এজেন্ট অ্যান্ড পেট্রোল পাম্প ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন।
আজ মঙ্গলবার রাজধানীতে এক সংবাদ সম্মেলনে সংগঠনটি গ্রাহকদের আতঙ্কিত হয়ে অতিরিক্ত তেল না কেনার অনুরোধ জানায়।
সংগঠনটির পক্ষ থেকে জানানো হয়, মধ্যপ্রাচ্যের ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনা ও বিশ্ববাজারে অস্থিরতার প্রেক্ষাপটে সরকার জ্বালানি তেল বিক্রিতে রেশনিং বা সীমা নির্ধারণের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। মূলত সরবরাহ ব্যবস্থা নিরবিচ্ছিন্ন রাখতে এবং তেলের মূল্য বৃদ্ধি না করে কিছুটা কৃচ্ছ্রতা সাধনের মাধ্যমে সরবরাহ অব্যাহত রাখা হয়েছে।
সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, তেল ফুরিয়ে যাওয়ার আতঙ্কে দেশের বিভিন্ন পাম্পে যানবাহনের দীর্ঘ সারি তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে উত্তরাঞ্চল ও দক্ষিণাঞ্চলে অতিরিক্ত চাহিদার কারণে পরিস্থিতি বেসামাল হয়ে পড়ছে। তেলের দাবিতে অনেক জায়গায় পেট্রোল পাম্পে হামলা এবং পাম্প কর্মীদের সাথে গ্রাহকদের বাকবিতণ্ডার ঘটনা ঘটছে। এই পরিস্থিতিতে স্থানীয় প্রশাসনের নজরদারি ও সহযোগিতা জরুরি বলে মনে করে সংগঠনের নেতারা।
মালিক সমিতির ৮ দফা পরামর্শ
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে মালিক সমিতি সরকারের কাছে আটটি সুনির্দিষ্ট প্রস্তাব ও পরামর্শ তুলে ধরেছে-
গ্রাহকদের প্রতি আহ্বান
অ্যাসোসিয়েশনের আহ্বায়ক সৈয়দ সাজ্জাদুল করিম কাবুল জানান, চাহিদার অতিরিক্ত তেল সংগ্রহ করতে গিয়ে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করলে বড় ধরনের দুর্ঘটনার ঝুঁকি থাকে। তিনি বলেন, “যদি একজন মোটরসাইকেল চালক তার নির্ধারিত দুই লিটার তেলেই সন্তুষ্ট থাকেন, তাহলে লাইনে দাঁড়িয়ে থাকা পেছনের মানুষটিও অন্তত বাড়ি ফেরার তেলটুকু পাবেন।”
সংবাদ সম্মেলনে গ্রাহকদের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিত্তিহীন খবরে কান না দিয়ে ধৈর্য ধারণ করার এবং নির্ধারিত রেশনিং রসিদ সংগ্রহের মাধ্যমে শৃঙ্খলা বজায় রাখার আহ্বান জানানো হয়েছে।
সংবাদ সম্মেলনে পেট্রোলিয়াম ডিলার্স, ডিস্ট্রিবিউটর্স, এজেন্ট অ্যান্ড পেট্রোল পাম্প ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের আহ্বায়ক সৈয়দ সাজ্জাদুল করিম কাবুল, যুগ্ম আহ্বায়ক মো. আবু হিরণসহ অন্যরা বক্তব্য দেন।

দেশে জ্বালানি তেলের কোনো স্থায়ী সংকট নেই এবং বর্তমানে যে মজুত রয়েছে তা দিয়ে পরিস্থিতি মোকাবিলা সম্ভব বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম ডিলার্স, ডিস্ট্রিবিউটর্স, এজেন্ট অ্যান্ড পেট্রোল পাম্প ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন।
আজ মঙ্গলবার রাজধানীতে এক সংবাদ সম্মেলনে সংগঠনটি গ্রাহকদের আতঙ্কিত হয়ে অতিরিক্ত তেল না কেনার অনুরোধ জানায়।
সংগঠনটির পক্ষ থেকে জানানো হয়, মধ্যপ্রাচ্যের ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনা ও বিশ্ববাজারে অস্থিরতার প্রেক্ষাপটে সরকার জ্বালানি তেল বিক্রিতে রেশনিং বা সীমা নির্ধারণের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। মূলত সরবরাহ ব্যবস্থা নিরবিচ্ছিন্ন রাখতে এবং তেলের মূল্য বৃদ্ধি না করে কিছুটা কৃচ্ছ্রতা সাধনের মাধ্যমে সরবরাহ অব্যাহত রাখা হয়েছে।
সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, তেল ফুরিয়ে যাওয়ার আতঙ্কে দেশের বিভিন্ন পাম্পে যানবাহনের দীর্ঘ সারি তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে উত্তরাঞ্চল ও দক্ষিণাঞ্চলে অতিরিক্ত চাহিদার কারণে পরিস্থিতি বেসামাল হয়ে পড়ছে। তেলের দাবিতে অনেক জায়গায় পেট্রোল পাম্পে হামলা এবং পাম্প কর্মীদের সাথে গ্রাহকদের বাকবিতণ্ডার ঘটনা ঘটছে। এই পরিস্থিতিতে স্থানীয় প্রশাসনের নজরদারি ও সহযোগিতা জরুরি বলে মনে করে সংগঠনের নেতারা।
মালিক সমিতির ৮ দফা পরামর্শ
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে মালিক সমিতি সরকারের কাছে আটটি সুনির্দিষ্ট প্রস্তাব ও পরামর্শ তুলে ধরেছে-
গ্রাহকদের প্রতি আহ্বান
অ্যাসোসিয়েশনের আহ্বায়ক সৈয়দ সাজ্জাদুল করিম কাবুল জানান, চাহিদার অতিরিক্ত তেল সংগ্রহ করতে গিয়ে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করলে বড় ধরনের দুর্ঘটনার ঝুঁকি থাকে। তিনি বলেন, “যদি একজন মোটরসাইকেল চালক তার নির্ধারিত দুই লিটার তেলেই সন্তুষ্ট থাকেন, তাহলে লাইনে দাঁড়িয়ে থাকা পেছনের মানুষটিও অন্তত বাড়ি ফেরার তেলটুকু পাবেন।”
সংবাদ সম্মেলনে গ্রাহকদের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিত্তিহীন খবরে কান না দিয়ে ধৈর্য ধারণ করার এবং নির্ধারিত রেশনিং রসিদ সংগ্রহের মাধ্যমে শৃঙ্খলা বজায় রাখার আহ্বান জানানো হয়েছে।
সংবাদ সম্মেলনে পেট্রোলিয়াম ডিলার্স, ডিস্ট্রিবিউটর্স, এজেন্ট অ্যান্ড পেট্রোল পাম্প ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের আহ্বায়ক সৈয়দ সাজ্জাদুল করিম কাবুল, যুগ্ম আহ্বায়ক মো. আবু হিরণসহ অন্যরা বক্তব্য দেন।

সারা দেশে জ্বালানি সংকটের মধ্যে ঢাকাসহ সব মহানগরের স্কুল ও কলেজে সপ্তাহে তিন দিন অনলাইনে ক্লাসের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। আজ মঙ্গলবার সচিবালয়ে ঢাকা মহানগরীর বিভিন্ন স্কুল ও কলেজের শিক্ষক, বোর্ড কর্মকর্তা ও মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের এক সমন্বয় সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।