বিশেষ প্রতিনিধি, খুলনা

খুলনার দিঘলিয়ায় রাশিদা বেগম হত্যা মামলার ৫ আসামিকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। আজ রোববার খুলনার অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ চতুর্থ আদালতের বিচারক মো: খুরশীদ আলম এ রায় দেন।
পাশাপাশি তাদের প্রত্যেককেই ২০ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও তিনি মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়। আদালতের বেঞ্চ সহকারী মো: শাহ আলম এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন মোসা: আনোয়ারা বেগম, মো: ইসমাইল শেখ ওরফে বাবু ও জামাই শামিম শেখ। এছাড়া এ মামলার অন্যান্য আসামিরা হলেন মহেশ্বরপাশা এলাকার সাহেবের বাড়ির ভাড়াটিয়া রাজু মুন্সি ওরফে রাজু এবং তেরখাদা উপজেলার দেয়াড়া উল্টোপাড়া এলাকার বাসিন্দা ইলিয়াস শেখ।
দণ্ডপ্রাপ্ত আাসমিদের মধ্যে শামীম শেখ ও তার শ্বশুড়ি মোসা: আনোয়ারা বেগম ছাড়া অন্যান্যরা পলাতক রয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে।
আদালত সূত্রে জানা যায়, ২০১১ সালের ১৯ জুলাই বিকেল দেয়াড়া উল্টোপাড়া এলাকার বাসিন্দা নাসিরুজ্জামান তার দৃষ্টিপ্রতিবন্দ্বী মেয়ে ও মা রাশিদা বেগমকে বাড়ি রেখে পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের নিয়ে বাইরে বেড়াতে যান। এ সুযোগে সংঘবদ্ধ চোরের দল বাড়িতে প্রবেশ করে। এসময় তারা নাসিরুজ্জামানের বৃদ্ধ মাকে ধারালো ছুরি দিয়ে গলা কেটে হত্যা করে। এরপর চোরের দল ঘর থেকে নগদ ২০ হাজার টাকা স্বর্ণালংকার নিয়ে পালিয়ে যায়।
সূত্রটি আরও জানায়, ঘটনার দিন প্রাকৃতিক দুর্যোগ ও প্রচুর বৃষ্টিপাত হওয়ায় নাসিরুজ্জামানের বাড়ি ফিরতে দেরি হয়। ডাকাডাকিতে সাড়া না দেওয়ায় প্রতিবেশিদের নিয়ে পেছনের দরজা দিয়ে ঘরের ভেতরে প্রবেশ করে খাটের নিচে তার মায়ের গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার করেন তিনি। এ ঘটনায় ওই বছরের ২০ জুলাই তিনি বাদী হয়ে অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট থানায় মামলা করেন।
অন্যদিকে, ২০১৩ সালের ১২ মার্চ দিঘলিয়া থানার এসআই আসাদুজ্জামান উল্লিখিত আসামিদের অভিযুক্ত করে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন।
রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী এটিএম মনিরুজ্জামান বলেন, “মামলার পরপর পুলিশ ঘটনার তদন্তে নামে। বাড়ি থেকে একটি স্যান্ডেল উদ্ধার করে পুলিশ। সেই স্যান্ডেলের সূত্র ধরে প্রথমে শামীমকে গ্রেপ্তার করে। গ্রেপ্তার শামীম রাশিদা বেগমের বাড়ির গৃহপরিচারিকা। মূলত তিনি বাড়ির সকল খবরাখবর আসামিদের কাছে পৌঁছে দিত। বাড়িতে ছেলে না থাকার সুযোগে উল্লিখিত আসামিরা ঘরের ভেতর প্রবেশ করে রশিদা বেগমকে হত্যা করে মালামালগুলো লুট করে নিয়ে যায়। শামীমের পরপর অন্যান্য আসামিরাও গ্রেপ্তার হয়।”

খুলনার দিঘলিয়ায় রাশিদা বেগম হত্যা মামলার ৫ আসামিকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। আজ রোববার খুলনার অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ চতুর্থ আদালতের বিচারক মো: খুরশীদ আলম এ রায় দেন।
পাশাপাশি তাদের প্রত্যেককেই ২০ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও তিনি মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়। আদালতের বেঞ্চ সহকারী মো: শাহ আলম এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন মোসা: আনোয়ারা বেগম, মো: ইসমাইল শেখ ওরফে বাবু ও জামাই শামিম শেখ। এছাড়া এ মামলার অন্যান্য আসামিরা হলেন মহেশ্বরপাশা এলাকার সাহেবের বাড়ির ভাড়াটিয়া রাজু মুন্সি ওরফে রাজু এবং তেরখাদা উপজেলার দেয়াড়া উল্টোপাড়া এলাকার বাসিন্দা ইলিয়াস শেখ।
দণ্ডপ্রাপ্ত আাসমিদের মধ্যে শামীম শেখ ও তার শ্বশুড়ি মোসা: আনোয়ারা বেগম ছাড়া অন্যান্যরা পলাতক রয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে।
আদালত সূত্রে জানা যায়, ২০১১ সালের ১৯ জুলাই বিকেল দেয়াড়া উল্টোপাড়া এলাকার বাসিন্দা নাসিরুজ্জামান তার দৃষ্টিপ্রতিবন্দ্বী মেয়ে ও মা রাশিদা বেগমকে বাড়ি রেখে পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের নিয়ে বাইরে বেড়াতে যান। এ সুযোগে সংঘবদ্ধ চোরের দল বাড়িতে প্রবেশ করে। এসময় তারা নাসিরুজ্জামানের বৃদ্ধ মাকে ধারালো ছুরি দিয়ে গলা কেটে হত্যা করে। এরপর চোরের দল ঘর থেকে নগদ ২০ হাজার টাকা স্বর্ণালংকার নিয়ে পালিয়ে যায়।
সূত্রটি আরও জানায়, ঘটনার দিন প্রাকৃতিক দুর্যোগ ও প্রচুর বৃষ্টিপাত হওয়ায় নাসিরুজ্জামানের বাড়ি ফিরতে দেরি হয়। ডাকাডাকিতে সাড়া না দেওয়ায় প্রতিবেশিদের নিয়ে পেছনের দরজা দিয়ে ঘরের ভেতরে প্রবেশ করে খাটের নিচে তার মায়ের গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার করেন তিনি। এ ঘটনায় ওই বছরের ২০ জুলাই তিনি বাদী হয়ে অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট থানায় মামলা করেন।
অন্যদিকে, ২০১৩ সালের ১২ মার্চ দিঘলিয়া থানার এসআই আসাদুজ্জামান উল্লিখিত আসামিদের অভিযুক্ত করে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন।
রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী এটিএম মনিরুজ্জামান বলেন, “মামলার পরপর পুলিশ ঘটনার তদন্তে নামে। বাড়ি থেকে একটি স্যান্ডেল উদ্ধার করে পুলিশ। সেই স্যান্ডেলের সূত্র ধরে প্রথমে শামীমকে গ্রেপ্তার করে। গ্রেপ্তার শামীম রাশিদা বেগমের বাড়ির গৃহপরিচারিকা। মূলত তিনি বাড়ির সকল খবরাখবর আসামিদের কাছে পৌঁছে দিত। বাড়িতে ছেলে না থাকার সুযোগে উল্লিখিত আসামিরা ঘরের ভেতর প্রবেশ করে রশিদা বেগমকে হত্যা করে মালামালগুলো লুট করে নিয়ে যায়। শামীমের পরপর অন্যান্য আসামিরাও গ্রেপ্তার হয়।”