শান্তি পরিকল্পনা মানতে ইউক্রেনকে দেওয়া সময়সীমা থেকে সরলেন ট্রাম্প

চরচা ডেস্ক
চরচা ডেস্ক
শান্তি পরিকল্পনা মানতে ইউক্রেনকে দেওয়া সময়সীমা থেকে সরলেন ট্রাম্প
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ছবি: রয়টার্স

যুদ্ধ বন্ধে প্রস্তাবিত শান্তি পরিকল্পনা গ্রহণের জন্য ইউক্রেনকে সময়সীমা বেঁধে দিয়েছিল আমেরিকা। এখন সেই সময়সীমা থেকে সরে এসেছেন আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি জানিয়েছেন, শান্তি আলোচনায় অগ্রগতি হয়েছে। ইউক্রেন ও রাশিয়ার সঙ্গে অমীমাংসিত বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা চলমান থাকবে।

স্থানীয় সময় মঙ্গলবার এয়ার ফোর্স ওয়ানে ফ্লোরিডার পাম বিচে ভ্রমণের আগে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এসব বলেন ট্রাম্প।

তিনি রয়টার্সকে বলেন, “যখন যুদ্ধ শেষ হবে, সেটিই আমার কাছে সময়সীমা।”

এক বিবৃতিতে পরে ট্রাম্প জানান, আলোচনায় অল্প কয়েকটি বিষয় অমীমাংসিত রয়েছে। তিনি তার বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফকে মস্কোয় পুতিনের সঙ্গে বৈঠকের নির্দেশ দিয়েছেন। সেইসঙ্গে আর্মি সেক্রেটারি ড্যান ড্রিসকলকে ইউক্রেনীয় কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠকের জন্য বলেছেন। তবে এসব বৈঠকের কোনো সময়সূচি প্রকাশ করেননি তিনি।

ট্রাম্প আরও বলেন, “আমি আশা করি শিগগিরই প্রেসিডেন্ট জেলেনস্কি ও প্রেসিডেন্ট পুতিনের সঙ্গে দেখা করব। তবে যখন যুদ্ধ শেষ করার চুক্তি চূড়ান্ত বা প্রায় চূড়ান্ত হবে, তখনই দেখা হবে।”

এদিকে, ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি মঙ্গলবার বলেছেন, যুদ্ধ বন্ধে যুক্তরাষ্ট্রের পরিকল্পনা নিয়ে এগিয়ে নিয়ে যেতে প্রস্তুত ইউক্রেন।

জেলেনস্কি আরও জানান, বিতর্কিত বিষয়গুলো নিয়ে তিনি প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের সঙ্গে আলোচনা করতে চান এবং এতে ইউরোপীয় মিত্রদেরও অন্তর্ভুক্ত হওয়া উচিত বলে মনে করেন তিনি।

রয়টার্সের প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, ইউক্রেনে একটি নিরাপত্তা বাহিনী মোতায়েনের কাঠামো চূড়ান্ত করতে ইউরোপীয় নেতাদের আহ্বান জানিয়েছেন জেলেনস্কি। সেইসঙ্গে মস্কো যুদ্ধবিরতির ইঙ্গিত না দেওয়া পর্যন্ত কিয়েভের প্রতি সমর্থন বজায় রাখারও অনুরোধ করেছেন তিনি।

ইউক্রেনের জাতীয় নিরাপত্তা প্রধান রুস্তেম উমেরভ জানান, জেলেনস্কি আগামী কয়েক দিনের মধ্যে চুক্তি চূড়ান্ত করতে আমেরিকা সফর করতে পারেন। তবে ওয়াশিংটন এ বিষয়ে এখনও কিছু জানায়নি।

এক ইউক্রেনীয় কর্মকর্তা বলেন, “কিয়েভ মৌলিক কাঠামোকে সমর্থন করে, তবে সবচেয়ে স্পর্শকাতর কিছু বিষয় দুই প্রেসিডেন্টের আলোচনার জন্য রয়ে গেছে।”

এদিকে, ভূখণ্ডগত ছাড় এখনো সবচেয়ে বড় বাধা এবং এসব সমাধান না হলে চুক্তি নিশ্চিত নয় বলে মনে করেন এক এক ইউক্রেনীয় কূটনীতিক।

সম্পর্কিত