চরচা ডেস্ক

তৃতীয় বিশ্বের দেশগুলো থেকে অভিবাসী না নেওয়ার হুমকির পাশাপাশি আমেরিকায় গ্রিন কাডর্ধারীদের ব্যাপারেও কঠোর বার্তা দিয়েছেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
বিশ্বের ১৯টি দেশ থেকে আমেরিকায় গিয়ে গ্রিন কার্ড পাওয়া ব্যক্তিদের তথ্য পর্যালোচনার ঘোষণা দিয়েছে তার প্রশাসন।
মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএন বলছে, এসব দেশকে ‘অব কনসার্ন’ হিসেবে তালিকাভুক্ত করেছিল আমেরিকা সরকার। এ তালিকায় রয়েছে আফগানিস্তান, মিয়ানমার, চাদ, কঙ্গো, গিনি, ইরিত্রিয়া, হাইতি, ইরান, লিবিয়া, সোমালিয়া, সুদান, ইয়েমেন, বুরুন্ডি, কিউবা, লাওস, সিয়েরা লিওন, টোগো, তুর্কিমিনিস্তান ও ভেনেজুয়েলা।
প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নির্দেশেই এই কার্যক্রম শুরু করতে চাইছে মার্কিন প্রশাসন।
সম্প্রতি ওয়াশিংটন ডিসিতে ন্যাশনাল গার্ডের দুজন সদস্যকে গুলির ঘটনার পরই আরও কঠোর হলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট।
এ নিয়ে বৃহস্পতিবার মাইক্রোব্লগিং সাইট এক্সে এক পোস্টে মার্কিন নাগরিকত্ব ও অভিবাসী পরিষেবার পরিচালক জো এডলো লেখেন, “অব কনসার্নে থাকা ১৯টি দেশ থেকে এসে যারা গ্রিন কার্ড পেয়েছেন, তাদের সেসব কার্ড পর্যালোচনা করার নির্দেশ এসেছে।”

তৃতীয় বিশ্বের দেশগুলো থেকে অভিবাসী না নেওয়ার হুমকির পাশাপাশি আমেরিকায় গ্রিন কাডর্ধারীদের ব্যাপারেও কঠোর বার্তা দিয়েছেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
বিশ্বের ১৯টি দেশ থেকে আমেরিকায় গিয়ে গ্রিন কার্ড পাওয়া ব্যক্তিদের তথ্য পর্যালোচনার ঘোষণা দিয়েছে তার প্রশাসন।
মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএন বলছে, এসব দেশকে ‘অব কনসার্ন’ হিসেবে তালিকাভুক্ত করেছিল আমেরিকা সরকার। এ তালিকায় রয়েছে আফগানিস্তান, মিয়ানমার, চাদ, কঙ্গো, গিনি, ইরিত্রিয়া, হাইতি, ইরান, লিবিয়া, সোমালিয়া, সুদান, ইয়েমেন, বুরুন্ডি, কিউবা, লাওস, সিয়েরা লিওন, টোগো, তুর্কিমিনিস্তান ও ভেনেজুয়েলা।
প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নির্দেশেই এই কার্যক্রম শুরু করতে চাইছে মার্কিন প্রশাসন।
সম্প্রতি ওয়াশিংটন ডিসিতে ন্যাশনাল গার্ডের দুজন সদস্যকে গুলির ঘটনার পরই আরও কঠোর হলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট।
এ নিয়ে বৃহস্পতিবার মাইক্রোব্লগিং সাইট এক্সে এক পোস্টে মার্কিন নাগরিকত্ব ও অভিবাসী পরিষেবার পরিচালক জো এডলো লেখেন, “অব কনসার্নে থাকা ১৯টি দেশ থেকে এসে যারা গ্রিন কার্ড পেয়েছেন, তাদের সেসব কার্ড পর্যালোচনা করার নির্দেশ এসেছে।”

জীবদ্দশায় এই কিংবদন্তীর সবচেয়ে বড় অর্জনের ২ টা হলো তার অহিংস প্রতিবাদের ডাকে আমেরিকার সংবিধানে ২৪তম সংশোধনীর অনুমোদন হয় যার মাধ্যমে কৃষ্ণাঙ্গদের ভোটাধিকারের ওপর আরোপিত কর বিলুপ্ত করা হয় এবং দ্বিতীয়টি হলো ১৯৬৪ সালের নাগরিক অধিকার আইন (Civil Rights Act) পাস করা হয়।

সিআইডি জানিয়েছে, দীর্ঘ দিন ধরেই প্রতারক চক্রের এই দুই সদস্য অর্থের বিনিময়ে ও যোগসাজসে ওটিপি ট্রান্সফারের মাধ্যমে নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের এনআইডির মূল সার্ভারে প্রবেশ করে বিভিন্ন তথ্য সংগ্রহ করে ও তা বিভিন্ন সোস্যাল মিডিয়াকে প্লাটফর্ম হিসেবে ব্যবহার করে বিক্রি করত।