প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে পদত্যাগের পর ফেরদৌসী আহমেদ মিষ্টির সংরক্ষিত নারী আসনে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন বিএনপির প্রার্থী এলিজা জামান। আজ সোমবার সকালে এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।
বিজ্ঞপ্তিতে ইসি জানায়, মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাইয়ে এলিজা জামানের প্রার্থিতা বৈধ হয়। গতকাল রোববার বিকেল ৪টা পর্যন্ত প্রার্থিতা প্রত্যাহারের সুযোগ ছিল। এ সময়ের মধ্যে তিনি প্রার্থিতা প্রত্যাহার না করায় তাকে চূড়ান্ত প্রার্থী হিসেবে ঘোষণা করা হয়। জাতীয় সংসদ (সংরক্ষিত মহিলা আসন) নির্বাচন আইন, ২০০৪-এর ১২ ধারার ১ উপধারা অনুযায়ী এ ঘোষণা দেওয়া হয়েছে।
গত ১ অক্টোবর সংসদ সদস্য ফেরদৌসী আহমেদ মিষ্টি পদত্যাগ করায় সংরক্ষিত নারী আসনটি শূন্য হয়। ওই আসনের উপনির্বাচনে বিএনপি এলিজা জামানকে মনোনয়ন দেয়। গত ২৬ অক্টোবর তিনি ইসির রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ে মনোনয়নপত্র জমা দেন।
ফেরদৌসী আহমেদ মিষ্টি রাজধানীর মিরপুরে রাড্ডা এমসিএইচ-এফপি স্বাস্থ্যকেন্দ্রে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনায় আলোচনায় আসেন। পরে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশে তিনি সংসদ সদস্য পদ থেকে পদত্যাগ করেন।
এলিজা জামান বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য। তিনি পিরোজপুর জেলা বিএনপির প্রথম যুগ্ম আহ্বায়ক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করছেন।
জাতীয় সংসদের ৩৫০টি আসনের মধ্যে ৩০০টি সাধারণ আসনে সরাসরি ভোটের মাধ্যমে সদস্য নির্বাচিত হন। বাকি ৫০টি আসন নারীদের জন্য সংরক্ষিত। সাধারণ নির্বাচনে দল ও জোটগুলোর পাওয়া আসনের অনুপাতে সংরক্ষিত নারী আসন বণ্টন করা হয়।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপি সংরক্ষিত নারী আসনের ৩৬টি আসন পেয়েছিল। এর মধ্যে একটি আসনের সদস্য ছিলেন ফেরদৌসী আহমেদ মিষ্টি।