চরচা ডেস্ক

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে সাংবাদিকদের নিরাপত্তা, কাজের পরিবেশ এবং অবাধ তথ্যপ্রবাহ নিশ্চিত করতে নির্বাচন কমিশন (ইসি) এবং ইউনেস্কো বাংলাদেশকে একটি যৌথ সুপারিশমালা দিয়েছে ব্রিটিশ মানবাধিকার সংস্থা আর্টিকেল নাইন্টিনসহ ২২টি উন্নয়ন ও মানবাধিকার সংস্থা।
যৌথ বিবৃতিতে বলা হয়, বাংলাদেশে বিগত নির্বাচনগুলোতে সাংবাদিকদের ওপর হামলা, হয়রানি, সরঞ্জাম জব্দ এবং চলাচলে বিধিনিষেধের মতো ঘটনা বারবার ঘটেছে। বিশেষ করে স্থানীয় সাংবাদিক, ফ্রিল্যান্সার, অনলাইন নিউজপোর্টালের প্রতিনিধি এবং নারী সাংবাদিকরা চরম বৈষম্যের শিকার হন।
বিবৃতিতে একটি সাম্প্রতিক গবেষণার বরাত দিয়ে জানানো হয়, বাংলাদেশে অধিকাংশ সাংবাদিক নির্বাচনী সংবাদ সংগ্রহের সময় শারীরিক হামলা ও হয়রানির আশঙ্কা করেন।
সংস্থাগুলোর মতে, নির্বাচন কমিশনের বর্তমান নির্দেশিকায় সাংবাদিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য সুনির্দিষ্ট কোনো প্রটোকল নেই। এ ছাড়া, নির্বাচনের দিন গণপরিবহনের ওপর কঠোর নিষেধাজ্ঞা এবং যানবাহন পাসের জটিলতা সাংবাদিকদের পেশাগত দায়িত্ব পালনে বড় বাধা হয়ে দাঁড়ায়। বিশেষ করে নারী সাংবাদিকদের ক্ষেত্রে এই পরিবহন সংকট এবং নিরাপত্তা ঝুঁকি দ্বিগুণ চ্যালেঞ্জ তৈরি করে।
বিবৃতিতে অভিযোগ করা হয় যে, বর্তমানে প্রচলিত অ্যাক্রিডিটেশন কার্ড প্রদানের প্রক্রিয়াটি বৈষম্যমূলক। এটি মূলত বড় ও প্রভাবশালী গণমাধ্যমগুলোকে অগ্রাধিকার দেয়, যার ফলে প্রান্তিক পর্যায়ের এবং ফ্রিল্যান্স সাংবাদিকরা নির্বাচনী সংবাদ সংগ্রহের সুযোগ থেকে বঞ্চিত হন।
তারা আরও বলেছে, নির্বাচনের দিন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে ব্যাপক ক্ষমতা অনেক সময় সাংবাদিকদের পেশাগত কাজে বাধার কারণ হয়ে দাঁড়ায়।
যৌথ বিবৃতিতে কয়েকটি দাবি জানানো হয়েছে। সেগুলো হলো-

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে সাংবাদিকদের নিরাপত্তা, কাজের পরিবেশ এবং অবাধ তথ্যপ্রবাহ নিশ্চিত করতে নির্বাচন কমিশন (ইসি) এবং ইউনেস্কো বাংলাদেশকে একটি যৌথ সুপারিশমালা দিয়েছে ব্রিটিশ মানবাধিকার সংস্থা আর্টিকেল নাইন্টিনসহ ২২টি উন্নয়ন ও মানবাধিকার সংস্থা।
যৌথ বিবৃতিতে বলা হয়, বাংলাদেশে বিগত নির্বাচনগুলোতে সাংবাদিকদের ওপর হামলা, হয়রানি, সরঞ্জাম জব্দ এবং চলাচলে বিধিনিষেধের মতো ঘটনা বারবার ঘটেছে। বিশেষ করে স্থানীয় সাংবাদিক, ফ্রিল্যান্সার, অনলাইন নিউজপোর্টালের প্রতিনিধি এবং নারী সাংবাদিকরা চরম বৈষম্যের শিকার হন।
বিবৃতিতে একটি সাম্প্রতিক গবেষণার বরাত দিয়ে জানানো হয়, বাংলাদেশে অধিকাংশ সাংবাদিক নির্বাচনী সংবাদ সংগ্রহের সময় শারীরিক হামলা ও হয়রানির আশঙ্কা করেন।
সংস্থাগুলোর মতে, নির্বাচন কমিশনের বর্তমান নির্দেশিকায় সাংবাদিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য সুনির্দিষ্ট কোনো প্রটোকল নেই। এ ছাড়া, নির্বাচনের দিন গণপরিবহনের ওপর কঠোর নিষেধাজ্ঞা এবং যানবাহন পাসের জটিলতা সাংবাদিকদের পেশাগত দায়িত্ব পালনে বড় বাধা হয়ে দাঁড়ায়। বিশেষ করে নারী সাংবাদিকদের ক্ষেত্রে এই পরিবহন সংকট এবং নিরাপত্তা ঝুঁকি দ্বিগুণ চ্যালেঞ্জ তৈরি করে।
বিবৃতিতে অভিযোগ করা হয় যে, বর্তমানে প্রচলিত অ্যাক্রিডিটেশন কার্ড প্রদানের প্রক্রিয়াটি বৈষম্যমূলক। এটি মূলত বড় ও প্রভাবশালী গণমাধ্যমগুলোকে অগ্রাধিকার দেয়, যার ফলে প্রান্তিক পর্যায়ের এবং ফ্রিল্যান্স সাংবাদিকরা নির্বাচনী সংবাদ সংগ্রহের সুযোগ থেকে বঞ্চিত হন।
তারা আরও বলেছে, নির্বাচনের দিন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে ব্যাপক ক্ষমতা অনেক সময় সাংবাদিকদের পেশাগত কাজে বাধার কারণ হয়ে দাঁড়ায়।
যৌথ বিবৃতিতে কয়েকটি দাবি জানানো হয়েছে। সেগুলো হলো-