চরচা ডেস্ক

নানা অনিশ্চয়তা ও আশঙ্কা কাটিয়ে দেশজুড়ে শুরু হয়েছে ভোট উৎসব। একটি নির্বাচিত সরকার পেতে নিজেদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে কেন্দ্রে উপস্থিত হয়েছেন ভোটাররা।
আজ বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৭টায় ভোটগ্রহণ শুরু হয়, চলবে বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত।
সংসদ নির্বাচনের সঙ্গে এবার গণভোটও হচ্ছে। এই দুই ভোটে আগামী পাঁচ বছর কারা দেশ পরিচালনা করবে এবং দীর্ঘদিন ধরে সমালোচিত ব্যবস্থাগুলোর সংস্কারের বিষয়ে জনসমর্থন চাওয়া হবে।
সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বলছেন, শেষ পর্যন্ত একটি সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন হলে এটি হতে পারে গণতান্ত্রিক উত্তরণের প্রথম ধাপ। গণভোটে ‘হ্যাঁ’ জয়ী হলে তা হবে সংবিধানের মৌলিক সংস্কার বাস্তবায়নের সূচনা।
সরাসরি ভোটগ্রহণ হবে ৪২ হাজার ৬৫৯টি কেন্দ্রে এবং পোস্টাল ব্যালট গণনা হবে আরও ২৯৯টি কেন্দ্রে। সব মিলিয়ে ২৯৯টি আসনে মোট ৪২,৯৫৮টি ভোটকেন্দ্র।
এবারে নির্বাচনে (২৯৯ আসনে) মোট ১২ কোটি ৭২ লাখ ৯৮ হাজার ৫২২ জন ভোটার ভোট দেওয়ার যোগ্য। এর মধ্যে ছয় কোটি ৪৬ লাখ ২০ হাজার ৭৭ জন পুরুষ, ৬ কোটি ২৬ লাখ ৭৭ হাজার ২৩২ জন নারী এবং এক হাজার ২১৩ জন তৃতীয় লিঙ্গের ভোটার। ৩০০ আসনে দেশে মোট ভোটার সংখ্যা ১২ কোটি ৭৭ লাখ ১১ হাজার ৮৯৯।
কার্যক্রম নিষিদ্ধ এবং নিবন্ধন স্থগিত থাকায় ভোটে অংশ নিতে পারছে না আওয়ামী লীগ। ১৯৯৬ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারির নির্বাচন বর্জনের ৩০ বছর পর দলটি এবার নির্বাচনী লড়াইয়ে নেই। এবার মূল লড়াই হচ্ছে বিএনপি ও জামায়াত জোটের মধ্যে।
নিবন্ধিত ৫৯টি রাজনৈতিক দলের মধ্যে ৫০টি নির্বাচনী প্রতিযোগিতায় অংশ নিচ্ছে। প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের মধ্যে এক হাজার ৭৫৫ জন রাজনৈতিক দলের মনোনীত এবং ২৭৩ জন স্বতন্ত্র। প্রতিদ্বন্দ্বীদের মধ্যে নারী আছে ৪ শতাংশেরও কম; জামায়াতে ইসলামীসহ প্রায় ৩০টি রাজনৈতিক দলের কোনো নারী প্রার্থীই নেই।

নানা অনিশ্চয়তা ও আশঙ্কা কাটিয়ে দেশজুড়ে শুরু হয়েছে ভোট উৎসব। একটি নির্বাচিত সরকার পেতে নিজেদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে কেন্দ্রে উপস্থিত হয়েছেন ভোটাররা।
আজ বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৭টায় ভোটগ্রহণ শুরু হয়, চলবে বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত।
সংসদ নির্বাচনের সঙ্গে এবার গণভোটও হচ্ছে। এই দুই ভোটে আগামী পাঁচ বছর কারা দেশ পরিচালনা করবে এবং দীর্ঘদিন ধরে সমালোচিত ব্যবস্থাগুলোর সংস্কারের বিষয়ে জনসমর্থন চাওয়া হবে।
সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বলছেন, শেষ পর্যন্ত একটি সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন হলে এটি হতে পারে গণতান্ত্রিক উত্তরণের প্রথম ধাপ। গণভোটে ‘হ্যাঁ’ জয়ী হলে তা হবে সংবিধানের মৌলিক সংস্কার বাস্তবায়নের সূচনা।
সরাসরি ভোটগ্রহণ হবে ৪২ হাজার ৬৫৯টি কেন্দ্রে এবং পোস্টাল ব্যালট গণনা হবে আরও ২৯৯টি কেন্দ্রে। সব মিলিয়ে ২৯৯টি আসনে মোট ৪২,৯৫৮টি ভোটকেন্দ্র।
এবারে নির্বাচনে (২৯৯ আসনে) মোট ১২ কোটি ৭২ লাখ ৯৮ হাজার ৫২২ জন ভোটার ভোট দেওয়ার যোগ্য। এর মধ্যে ছয় কোটি ৪৬ লাখ ২০ হাজার ৭৭ জন পুরুষ, ৬ কোটি ২৬ লাখ ৭৭ হাজার ২৩২ জন নারী এবং এক হাজার ২১৩ জন তৃতীয় লিঙ্গের ভোটার। ৩০০ আসনে দেশে মোট ভোটার সংখ্যা ১২ কোটি ৭৭ লাখ ১১ হাজার ৮৯৯।
কার্যক্রম নিষিদ্ধ এবং নিবন্ধন স্থগিত থাকায় ভোটে অংশ নিতে পারছে না আওয়ামী লীগ। ১৯৯৬ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারির নির্বাচন বর্জনের ৩০ বছর পর দলটি এবার নির্বাচনী লড়াইয়ে নেই। এবার মূল লড়াই হচ্ছে বিএনপি ও জামায়াত জোটের মধ্যে।
নিবন্ধিত ৫৯টি রাজনৈতিক দলের মধ্যে ৫০টি নির্বাচনী প্রতিযোগিতায় অংশ নিচ্ছে। প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের মধ্যে এক হাজার ৭৫৫ জন রাজনৈতিক দলের মনোনীত এবং ২৭৩ জন স্বতন্ত্র। প্রতিদ্বন্দ্বীদের মধ্যে নারী আছে ৪ শতাংশেরও কম; জামায়াতে ইসলামীসহ প্রায় ৩০টি রাজনৈতিক দলের কোনো নারী প্রার্থীই নেই।