চরচা ডেস্ক

জাতিসংঘের মানবাধিকার বিষয়ক কার্যালয় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং স্বররাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালের মৃত্যুদণ্ডের রায়ের বিরোধিতার বিষয়টি আবারো জানিয়েছে।
গত সোমবার এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, যথাযথ বিচার প্রক্রিয়া এবং ন্যায় বিচারের আন্তর্জাতিক মানদণ্ডকে পূরণ করতে হবে। শেখ হাসিনা এবং আসাদুজ্জামান খান কামালের অনুপস্থিতিতে বিচার কাজ সম্পন্ন করা হয়েছিল। বিচারটিতে দুইজনকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
সংস্থাটি তাদের প্রতিক্রিয়ায় আরও জানায়, অফিসটি মৃত্যুদণ্ডের সর্বজনীন বিলুপ্তি চায়। গত বছর, মৃত্যুদণ্ড প্রাপ্ত ব্যক্তিদের অধিকার সুরক্ষার জন্য একাধিক প্রস্তাব পাস করেছে জাতিসংঘ।
শেখ হাসিনা এবং আসাদুজ্জামান খান কামালের বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ রায় দেওয়া হয়। যা আন্তর্জাতিক মানদন্ডে বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে বলে জানায় জাতিসংঘ।
জাতিসংঘের মানবাধিকার প্রধান ভলকার তুর্ক বিষয়টি নিয়ে জানান, বাংলাদেশ এখন সত্য প্রকাশ, ক্ষতিপূরণ এবং ন্যায়বিচারের প্রতিষ্ঠা প্রক্রিয়ার সঙ্গে এগিয়ে যাবে।
তুর্ক শান্তি বজায় রাখার এবং সমস্ত ঘটনাগুলোর প্রতিক্রিয়ায় সকলকে সংযম থাকার আহ্বান জানিয়েছেন।

জাতিসংঘের মানবাধিকার বিষয়ক কার্যালয় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং স্বররাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালের মৃত্যুদণ্ডের রায়ের বিরোধিতার বিষয়টি আবারো জানিয়েছে।
গত সোমবার এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, যথাযথ বিচার প্রক্রিয়া এবং ন্যায় বিচারের আন্তর্জাতিক মানদণ্ডকে পূরণ করতে হবে। শেখ হাসিনা এবং আসাদুজ্জামান খান কামালের অনুপস্থিতিতে বিচার কাজ সম্পন্ন করা হয়েছিল। বিচারটিতে দুইজনকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
সংস্থাটি তাদের প্রতিক্রিয়ায় আরও জানায়, অফিসটি মৃত্যুদণ্ডের সর্বজনীন বিলুপ্তি চায়। গত বছর, মৃত্যুদণ্ড প্রাপ্ত ব্যক্তিদের অধিকার সুরক্ষার জন্য একাধিক প্রস্তাব পাস করেছে জাতিসংঘ।
শেখ হাসিনা এবং আসাদুজ্জামান খান কামালের বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ রায় দেওয়া হয়। যা আন্তর্জাতিক মানদন্ডে বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে বলে জানায় জাতিসংঘ।
জাতিসংঘের মানবাধিকার প্রধান ভলকার তুর্ক বিষয়টি নিয়ে জানান, বাংলাদেশ এখন সত্য প্রকাশ, ক্ষতিপূরণ এবং ন্যায়বিচারের প্রতিষ্ঠা প্রক্রিয়ার সঙ্গে এগিয়ে যাবে।
তুর্ক শান্তি বজায় রাখার এবং সমস্ত ঘটনাগুলোর প্রতিক্রিয়ায় সকলকে সংযম থাকার আহ্বান জানিয়েছেন।

প্রতারণার শিকার হয়ে একজন শাহজাহানপুর থানায় মামলা করলে সাইবার পুলিশ সেন্টারের ‘সাইবার ইন্টেলিজেন্স অ্যান্ড রিস্ক ম্যানেজমেন্ট টিম’ তদন্ত শুরু করে। প্রাথমিক তদন্তে চক্রটির সদস্য লক্ষ্মীপুর জেলার বাসিন্দা মো. সোহাগ হোসেন কে শনাক্ত করা হয়। পরবর্তীতে তাকে অভিযান চালিয়ে গ্রেপ্তার করা হয়।